সিনিয়র শিক্ষক
১০ নভেম্বর, ২০২৪ ০৭:৫১ পূর্বাহ্ণ
তারিখঃ-১০-১১-২০২৪ ইং। ৫৫ বছরের ছোট্র জীবনের কিছু অনুধাবনঃ
তারিখঃ-১০-১১-২০২৪ ইং।
বাহাত্তর বছরের ছোট্র জীবনের কিছু অনুধাবনঃ
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
➤ পৃথিবীতে নিঃস্বার্থভাবে আপন শুধু মা-বাবা।
➤আত্বীয়-স্বজন,স্ত্রী-সন্তান এসব সম্পর্কে স্বার্থ জড়িত।
➤ কথিত আপনজনেরা আপনার ত্যাগ-তিতিক্ষার কোন মুল্যায়ন করবে না।
➤ বড় আঘাতগুলি আপনজনদের কাছ থেকেই আসে।
➤প্রাণীকুলের মধ্যে মানুষই বেশী অকৃতজ্ঞ।
➤উদারচিত্ত মানুষগুলি নিজের জন্য সঞ্চয় না করার ফলে, শেষ জীবনে বেশ ভোগান্তিতে পড়েন।
➤ ছেলে-মেয়েদেরকে শুধুমাত্র বস্তুতান্ত্রিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে,ইন্জিনিয়ার- ডাক্তার- ডক্টর বানানো ভুল।
➤ শিশু> কিশোর> বালক বয়সে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে, ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়া আবশ্যক।
➤ছেলেমেয়েদেরকে রোজগারী হওয়ার সাথে সাথে, তাদের আলাদা সংসার পাতার জন্য উৎসাহিত করা উচিত।
➤বৃদ্ধ বয়সের জন্য ইনকামের একটা অংশ সঞ্চয় করা খুব জরুরী।
➤ জীবদ্দশায় স্ত্রী-পুত্রের নামে সম্পত্তি ক্রয় করা কিংবা নিজের সঞ্চিত নগদ অর্থের বড়ো এমাউন্ট দেওয়াটা সবচেয়ে বড়ো ভুল।
➤ ভাই-বোন, স্ত্রী-সন্তানের জন্য প্রয়োজনাতিরিক্ত ব্যয় করাও একটি বড় ভুল।
➤ গরীব আত্বীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশীকে সাহায্য করা মানুষ হিসেবে আমাদের দায়িত্ব।
➤ এয়াতীম> বিধবা> বিপদগ্রস্হ পথচারীকে সাধ্যমত সাহায্য করা আমাদের দায়িত্ব।
➤ অকৃতজ্ঞ,হিংসুক,ষড়যন্ত্রকারী ও প্রকাশ্য/ অপ্রকাশ্য দুষমন সম্পর্কে সতর্ক থাকা ও নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা উচিত।
➤ কোন কোন সময় স্ত্রী-পুত্র, ভাই-বোনও দুশমন হয়ে যায়। জীবনের উপর হুমকির আশংকা হলে, দ্রুত আলাদা হয়ে, নিরাপদ দুরত্বে চলে যাওয়া উচিত।
➤ জীবন চলার পথে 'Safety first'এইটি মন-মগজে
গেঁথে না রাখলে যে কোন সময় বিপদ হতে পারে।
➤ হায়্যাত-মউতের মালিক আল্লাহ হলেও নিজেকে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
➤পরিণত বয়সে,ধর্মীয় জ্ঞান অর্জনের জন্য প্রতিদিব এক ঘন্টা সময় ব্যয় করা দরকার।অর্জিত জ্ঞানের আলোকে নিজে ধর্মীয় অনুশাসন অনুশীলন করা দরকার।
➤ বৈষয়িক আয়-রোজগারের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য, প্রতিদিন কম হলেও এক ঘন্টা সময় আধুনিক জ্ঞানার্জনে ব্যয় করা উচিত।
➤ জীবনে অবসর শব্দটা ভুলে গিয়ে সুস্হ ও সক্ষম থাকা সাপেক্ষেে আজীবন কাজ করার দৃড় সংকল্প গ্রহন করাটাই উত্তম।
➤ কারও কারও প্রাচুর্য আছে, সারা জীবন বসে বসে খেলেও সম্পদ ফুরাবে না; তাহলেও ইনকাম জেনারেটিং কাজ করে যাওয়াই যৌক্তিক। অর্জিত আয় থেকে দুঃস্হ-পীড়িত ও সমাজের হতদরিদ্রদের জন্য ব্যয় করার অভ্যাস গড়তে পারলে অন্তরে প্রশান্তি লাভ করা যায়। পরকালে তো চক্রবৃদ্ধিহারে লাভ আর লাভ।
* পরিশেশেষে সুস্হতা ও স্বস্হিতে থাকার জন্য মহান রবের শোকরিয়া আদায় করছি। আলহামদুলিল্লাহ।
* বিশ্বজাহানের মালিক!আমাদের জীবনের শেষবেলাটায় দীর্ঘ রোগশয্যায় শায়ীত না করে,
সুস্হ-সচল অবস্হায় ঈমানের সাথে মউত নসীব করুন।
* আল্লাহ আমার মরহুম মা-বাবাকে, কবরে এমনভাবে রাখুন যেভাবে ছোট বেলায় তাঁরা আমাকে লালন- পালন করেছেন। আমীন।
৪
৭ মন্তব্য