Loading..

ব্লগ

রিসেট

১১ নভেম্বর, ২০২৪ ০৯:০৯ অপরাহ্ণ

এক জন আদর্শ শিক্ষকের গুণাবলী:

আদর্শ শিক্ষকের গুণাবলী:

আদর্শ শিক্ষকের গুণাবলী – অ্যারিস্টটল বলেছেন – “ শিক্ষকেরা , যারা শিশুদের প্রকৃত শিক্ষা দেন , তারা শিশুদের পিতামাতার থেকে বেশী সম্মানীয় , কারণ , পিতামাতারা শিশুদের কেবল জীবন দেন, কিন্তু প্রতিটি শিক্ষার্থীর সুস্থ ও সভ্য জীবন বিকাশে সাহায্য করেন শিক্ষক সমাজ “। তাই শিক্ষার অন্যতম উপাদান হিসাবে একজন আদর্শ শিক্ষকের কতকগুলি গুণাবলী থাকার দরকার । বিভিন্ন মনোবিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদদের আলোচনার পরিপেক্ষিতে আদর্শ শিক্ষকের গুনাবলীকে তিনটি শ্রেণীতে বিভক্ত করে আলোচনা করা হল। সেগুলি হল–

(i) ব্যক্তিগত গুণাবলী :

শিক্ষকের যেসব ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্য সুশিক্ষার সহায়ক সেগুলিকে ব্যক্তিগত গুণাবলী বলে। বিভিন্ন ব্যক্তিগত গুণাবলী গুলি হল –

প্রথমত ,একজন আদর্শ শিক্ষক আদর্শ ব্যক্তিত্বের অধিকারী হবেন। আদর্শ ব্যক্তিত্ব নির্ভর করে উত্তম শরীর, ন্যায়পরায়নতা , সততা , স্বার্থশূন্যতা ইত্যাদি উপর।

দ্বিতীয়ত ,আদর্শ শিক্ষকের তীব্র বুদ্ধি ও বিচার শৈলী থাকা প্রয়োজন।

তৃতীয়ত, জ্ঞানের জন্য তীব্র অনুরাগ থাকবে। অর্থাৎ নতুন নতুন জ্ঞান আহরণে শিক্ষকের মন সতেজ ও সজীব হয়ে থাকবে।

চতুর্থত ,সুশিক্ষকের রাষ্টের সেবার জন্য তীব্র আকাঙ্খা থাকা প্রয়োজন।

পঞ্চমত , সুশিক্ষকের দায়িত্ব বোধ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ একজন দায়িত্বশীল শিক্ষকই শিক্ষার্থীদের মনে দায়িত্ববোধ জাগ্রত করতে পারে।

ষষ্ঠত , সুশিক্ষক হবেন প্রগতিশীল চিন্তার, ধারক, বাহক ও রক্ষক ।

সপ্তমত , সুশিক্ষকের একটি মূল্যবান গুন হল উন্নত জীবন দর্শন।

অষ্টমত , সুশিক্ষকের স্বাধীন নিরপেক্ষ চিন্তার ক্ষমতা থাকতে হবে।

নবমত , বিচার ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সুশিক্ষক সকল প্রকার ব্যক্তিগত প্রভেদের ঊর্ধ্বে থাকবেন।

দশমত , সুশিক্ষক পরিস্থিতির চাপে কখনও অবদমিত হবেন না ।

মন্তব্য করুন