Loading..

ব্লগ

রিসেট

১২ নভেম্বর, ২০২৪ ১০:২৭ অপরাহ্ণ

আসুন কিছু লেখায় সাবধানতা অবলম্বন করি।

আমরা কারো নামের আগে জনাব লিখি সম্মান জানানোর জন্য। কিন্তু সেই জনাব লিখে যদি কমা দিয়ে তারপর ঐ ব্যক্তি বা অতিথির নাম লিখি তাহলে বিষয়টা মেজবানে খেতে দিয়ে প্লেট কেড়ে নেওয়ার মতো অবস্থা হয়ে যায়। মানে সম্মান দিয়ে আবার কেড়ে নেওয়ার মতো হয়ে যায়। 


২। কোন ব্যক্তি তার নিজের টাইটেল নামের আগে ব্যবহার করলে সেক্ষেত্রে তার নাম লেখার সময় জনাব লেখার দরকার নাই। যেমন লিখতে হবে অ্যাডভোকেট কে.এম. সাইফুল ইসলাম। এখানে জনাব অ্যাডভোকেট কে.এম. সাইফুল ইসলাম লেখার কোন দরকার নাই। 


৩। কোন কিছু সংক্ষিপ্ত করে লিখতে ডট দেওয়া হয়। যেমন ডাক্তারের সংক্ষিপ্ত রূপ ডা. কিংবা ডক্টরের সংক্ষিপ্ত রূপ ড.। কিন্তু আমরা প্রায় ডট না দিয়ে বিসর্গ দেই। যেমন ডাঃ, ডঃ ইত্যাদি। এখানে অর্থটাই পুরোপুরি পাল্টে যায়।


৪। অনেকে সহকারী শিক্ষককে সংক্ষিপ্ত করে লিখেন 

স/শি আর প্রধান শিক্ষককে সংক্ষিপ্ত করে লিখেন প্র/শি। স/শি এভাবে লেখার মানে হলো সহকারী অথবা শিক্ষক। তদ্রূপ প্র/শি মানে হলো প্রধান অথবা শিক্ষক। এভাবে লিখতে গিয়ে পুরো অর্থটাই পাল্টে যায়। অথচ একটু সচেতন হলে স.শি. কিংবা প্র.শি. লেখা যায়।


৫। কোন কিছু লেখার পর আরো লেখা আছে বুঝাতে আমরা ডট ডট ডট দেই। এই ডট ডটেরও একটা নিয়ম ফলো করতে হয়। এক্ষেত্রে তিনটা ডটের বেশি দেওয়া যাবে না। দুইটা কিংবা তিনের অধিক ডট ব্যবহারে আপনার অজ্ঞতা প্রকাশ পায়।


৬। ইদানীং ফেসবুকে বিভিন্ন হাইস্কুল কিংবা কলেজের প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী পরিষদের অহরহ ব্যানার দেখা যায়। কিন্তু অনেক ব্যানারে লেখা থাকে প্রাক্তন ছাত্র/ছাত্রী পরিষদ। এভাবে লেখার মানে হলো এই পরিষদে হয় ছাত্র থাকবে না হয় ছাত্রী থাকবে। অথচ এই পরিষদে প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী সবাই আছে।

Copy post

মন্তব্য করুন

ব্লগ