Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৬ নভেম্বর, ২০২৪ ০৯:৩১ অপরাহ্ণ

দিনে গরম, শেষ রাতে ঠান্ডা, এমন সময় যা মনে রাখবেন

শীত আসতে দেরি নেই, তা বোঝা যায় শেষ রাতে। শোয়ার সময় হয়তো ফ্যান ফুল স্পিডে দিয়ে ঘুমিয়েছেন, কিন্তু শেষ রাতে লেগে গেছে খুব ঠান্ডা। বড়রা তা–ও সামলে উঠতে পারেন, শিশুদের জন্য কিন্তু এটি মারাত্মক সমস্যা ডেকে আনতে পারে। তাই রাতে শিশুদের ক্ষেত্রে একটু বাড়তি নজর দিন। জেনে রাখুন বয়সভেদে শিশুর যত্নের কিছু পরামর্শ।

১ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুর যত্ন

  • শিশুকে প্রয়োজন অনুযায়ী উষ্ণ রাখুন। ঠান্ডা পরিবেশে রাখা যাবে না। স্যাঁতসেঁতে ঘরেও তাকে রাখা ঠিক হবে না।

  • শিশুকে বুকের দুধ নিয়মিত খাওয়ান। ফিডারে খাওয়ালে অল্প গরম দুধ দিন। ঘুমের মধ্যে ঠান্ডা দুধ দেবেন না।

  • ছয় মাসের বেশি হলে শিশুকে বুকের দুধের পাশাপাশি অন্য খাবার দিন। খিচুড়িতে ডিমের সাদা অংশ, লালশাক, পালংশাক অল্প করে দিতে পারেন। লেবুর রস দেবেন, কমলার রস খাওয়াবেন। এতে শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে।

  • যেসব শিশু হামাগুড়ি দেয়, তারা যেন ঠান্ডা মেঝেতে হামাগুড়ি না দেয়। তবে কার্পেট ব্যবহার না করাই ভালো। কারণ কার্পেটের রোয়া বা ধুলা থেকে অ্যালার্জি হয়। তাই মাদুর বা ম্যাট ব্যবহার করা ভালো।

  • ঈষদুষ্ণ পানি দিয়ে এক দিন অন্তর গোসল করান। গোসলের পর বেবি লোশন লাগাবেন। তেলজাতীয় কিছু লাগাবেন না। অনেকে নবজাতককে নিয়মিত গোসল করান না। ফলে শিশুর গায়ে ফুসকুড়ি ওঠে এবং এর মধ্যে পুঁজ জমে যায়।

  • এ সময় খুব গরম কাপড় পরানোর দরকার নেই। তবে মোটা সুতি কাপড় পরানো যেতে পারে। আঁটসাঁট বা উলের কাপড় পরালে শিশুর শরীর ঘেমে ঘামাচি উঠতে পারে।

  • শিশুকে নরম কাপড়ের জুতা পরানোর অভ্যাস করুন। শোয়ানোর সময় মোজা পরিয়ে শোয়ান। তবে উলের মোজা পরানোর প্রয়োজন নেই।

  • এ বয়সী শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে। তাই সর্দি-কাশি সহজেই লেগে যায়। শিশুকে খুব জনবহুল জায়গায় (মেলা, পিকনিক) না নিয়ে যাওয়াই ভালো।

মন্তব্য করুন