সিনিয়র শিক্ষক
১৭ নভেম্বর, ২০২৪ ১২:০৩ অপরাহ্ণ
সিনিয়র শিক্ষক
ঠান্ডা পানি পান করার কিছু ঝুঁকি রয়েছে। সেটা অবশ্য প্রচলিত অর্থে যে তাপীয় ভারসাম্যহীনতার কথা বলা হয়, সেরকম কিছু নয়। ১৯৭৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিনের জার্নাল পাবমেড-এ প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা যায়, ঠান্ডা পানি পানের কারণে নাকের ভেতরে থাকা শ্লেষ্মা বা মিউকাস ঘন হয়ে যায়। এতে ফুসফুসে বাতাসের প্রবাহ কিছুটা কঠিন হয়ে পড়ে। ১৫ জন অংশগ্রহণকারীর ওপর পরীক্ষা চালিয়ে এ তথ্য পাওয়া যায়।
এর বিপরীতে গবেষকেরা দেখেন, মুরগির স্যুপ আর গরম পানি পানের ফলে মানুষ আরও সহজে শ্বাস নিতে পারে। এদিক থেকে ঠান্ডার ধাত আছে, এমন মানুষের জন্য ঠান্ডা পানি পান করা ক্ষতিকর হতে পারে, সেটা বলা যায়।
আরও কিছু গবেষণা ঠান্ডা পানি পানের ঝুঁকির কথা বলে। ২০০১ সালের একটি সমীক্ষায় দেখা যায়, বরফশীতল ঠান্ডা পানি পান করার পর ৬৬৯ নারীর মধ্যে মাত্র ৫১ জনের মাথাব্যথা অনুভূত হয়। শতকরা হিসেবে সংখ্যাটা ১০০ জনে ৭.৬ জন। তবে পরবর্তী অনুসন্ধানে দেখা যায়, তাঁদের বেশির ভাগই আগে থেকে মাইগ্রেনের ব্যথায় ভুগছিলেন। ঠান্ডা পানি সেই ব্যথাকে জাগিয়ে তুলেছে। ব্যথার জন্য ঠান্ডা পানিকে সরাসরি দায়ী করার সুযোগ না থাকলেও, মাইগ্রেনের রোগীদের জন্য ঠান্ডা পানি ভালো কিছু নয়।
১৭
২৮ মন্তব্য