Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৮ নভেম্বর, ২০২৪ ১১:৫০ পূর্বাহ্ণ

কিছু পরামর্শ;; সকল রাজনৈতিক দলের সংস্কার কামনা করছি।

৫ আগস্ট ২০২৪ এর পর বাংলাদেশে নতুন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেতৃত্বে চলছে দেশ। এমতাবস্থায় বিগত সরকারের বিতর্কিত কর্মকান্ড দেশের মানুষকে ব্যাপকভাবে আলোড়িত করেছে। রাজনৈতিক অংগনে সবেক বিরোধী দলের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিদ্যমান। কিন্তু জনসাধারণের প্রশ্ন আগের সরকার যেমন বিতর্কিত কাজের জন্য নিন্দার শিকার হয়েছে, ভবিষ্যতে যারা নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসবেন তারা কি বিতর্কের বাইরে থাকতে পারবেন বা থাকবেন ? আপাতদৃষ্টে মনে হচ্ছে সম্ভাবনা নেই। আমরা সাধারণ মানুষ কেউ আমাদের মূল্যায়ন করতে চায় না। তবে আমাদের কামনা ভবিষ্যতে যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক না কেন তারা যেন দুর্ণীতিমুক্ত থেকে দেশের উন্নয়ন অব্যাহত রাখেন। আর সেজন্য দরকার প্রতিটি দলের আভ্যন্তরীণ সংস্কার । নেতা-কর্মীদের জন্য দরকার সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা ও কর্মশালা বা ট্রেনিং এর ব্যবস্থা করা। এতে করে রাজনৈতিক জ্ঞান বৃদ্ধি, দেশপ্রেম, দূর্ণীতিমুক্ত দেশ গঠনে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করি। নেতা-কর্মীরা যেন সন্ত্রাস, দুর্ণীতি, চাঁদাবাজী ও দখলদারিত্বের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসে সেজন্য কর্মশালার মাধ্যমে দিক নির্দেশনা দেয়া জরুরি। তাহলে প্রশ্ন আসবে কেন ছাত্র বা মানুষ রাজনীতি করবে ? নেতা কর্মীরা কেন রাজনীতি করবে ? তাঁদেরও তো সংসার চালাতে হবে। কিন্তু সংসার চালানোর অর্থ কোথায় পাবে ? আমার মতে প্রতিটি দলের নিজস্ব অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে দলের নিবেদিত প্রাণ কর্মীদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। তাহলে তারা খারাপ কাজের প্রতি বিমূখ হয়ে অর্থ সংস্থানের সুযোগ পাবে এবং দেশ এগিয়ে যাবে। দেশ হবে সন্ত্রাস ও দূর্ণীতিমুক্ত। ব্যবসায়ী নয় বরং মেধাবীদের মূল্যায়ন একটি দলের থিঙ্ক ট্যাংক কে সমৃদ্ধ করবে বলেও মনে করি। 

মন্তব্য করুন