Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৮ নভেম্বর, ২০২৪ ০৬:৩৮ অপরাহ্ণ

নরেন্দ্র মোদি।দ্যা আর্টিস্ট জেন্টেল লিডার।

বিখ্যাত বৃটিশ লেখক অ্যান্ডি ম্যারিনো ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভারতের বর্তমান প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আত্নজীবনী “ নরেন্দ্র মোদি : অ্যা পলিটিক্যাল বায়োগ্রাফি” -বইটি প্রকাশ করেন দীর্ঘদিন নরেন্দ্র মোদির সাথে থেকে ও কঠোর পরিশ্রম করে । এ এক অসাধারণ জীবনের গল্প । গল্পটা নরেন্দ্র মোদির । অ্যান্ডি ম্যারিনো বইটির প্রথমেই মোদি সম্পর্কে লিখেছেন -‘’মোদি একই সাথে জটিল এবং সরল চরিএের অধিকারী । বইয়ের কাজ শুরু করার প্রথমদিকে ব্যাপারটা আমাকে বেশ ঝামেলাতেই ফেলেছিল । কিন্তু তাঁর সাথে থাকতে থাকতে বুঝতে পারলাম একইসাথে তিনি দৃঢ, কঠোর -শান্ত স্বভাবের মানুষ। তার নির্বাচনী প্রচারনায় গিয়েছিলাম । সপ্তাহের পর সপ্তাহ ধরে তার সাক্ষাৎকার নিয়েছি , ব্যস্ত মোদির প্রতিদিনের  জীবন দেখেছি । ধীরে ধীরে নরেন্দ্র মোদির ভিতরের ছবিটা আমার কাছে পরিস্কার হয়েছে”। 

২৩৮ পৃষ্টার এই বইটিতে সূচনা পর্ব -১ থেকে বইয়ের শেষের পাতায় কৃতজ্ঞতা স্বীকারের তালিকা পর্যন্ত পড়ে বোঝা যায়  মোদি একজন অসাধারণ ব্যক্তিত্বের অধিকারী , যদিও তিনি অত্যন্ত নিম্ন অবস্হান থেকে উঠে এসেছেন । চা বিক্রেতা থেকে সাধু হয়ে ২০১৪ সালের ২৬ মে ভারতের প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেন । নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় আসার পর পর বাংলাদেশের পএ পএিকা গুলোতে সেই সময়ে (২০১৪ সালের আগষ্টের দিকে ) মোদির প্রতিবেশী ভাবনা ও ভারত বাংলাদেশ সম্পর্ক এবং মোদির পররাষ্ট্রনীতি ও আই কে গুজরাল ডকট্রিন বা মতবাদ বিষয়ক লেখালেখির হিড়িক পড়ে যায় । আমিও দৈনিক আজাদী পএিকায় ভারত বাংলাদেশ সম্পর্ক ও মোদির পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে একটা প্রবন্ধ লিখি । সেকারণে অনেক খোঁজাখুজি করে এই বইটির সন্ধান পায় । বইটি ইংরেজীতে প্রথম প্রকাশ হয় ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারীতে দিল্লী থেকে এবং পরে ২০১৪ সালের জুলাইতে বাংলায় অনুবাদ করে প্রকাশ করেন “ চারদিক “ প্রকাশনী , বাংলা বাজার ঢাকা থেকে । বইটি বাংলায় অনুবাদ করেছেন অনুবাদক ‘ মহিউল ইসলাম মিঠু’। বলা যায় বৃটিশ এই সাংবাদিক নরেন্দ্র মোদির জীবনের অজানা অধ্যায়ের অনেক কিছুই অসাধারণ ভাবে তুলে ধরেছেন এ বইতে, যাতে পাঠক বইটি পড়ে উপকৃত হন।

মন্তব্য করুন

ব্লগ