Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৮ নভেম্বর, ২০২৪ ১১:২৩ অপরাহ্ণ

E-BOOK(Electronic book)__

ই- বুক(Ebook) এর পূর্ণাঙ্গ অর্থ হলো 'ইলেকট্রনিক বুক'। প্রিন্টকৃত বইয়ের ইলেকট্রনিক বা ডিজিটাল ভার্সনকে ই-বুক বলা হয়: যা কমপিউটার, মোবাইল বা বিশেষভাবে ডিজাইনকৃত কোনো বহনযোগ্য ডিভাইসে পাঠ করা যায়। ই-বুক টেক্সট, চিত্র, ভিডিও, এনিমেশন বা এর সবগুলো নিয়েই নিয়ে গঠিত হতে পারে। এটি ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করা যায়, যা বিভিন্ন ধরনের ই-রিডার দিয়ে পড়া যায়। প্রচলিত রিডারের মধ্যে অ্যামাজন ডটকমের কিন্ডল (kindle) সবচেয়ে জনপ্রিয়। ই-বুক বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইস (যেমন- স্মার্টফোন, আইপ্যাড, আইফোন, উইন্ডোজ, ম্যাক কম্পিউটার, ডেস্কটপ ও ল্যাপটপ)-এ পড়া যায়। এছাড়া ই-বুক বিভিন্ন ব্রাউজারের প্লাগইনস দিয়েও পড়া যায়।

ই-বুকের জনক হলেন মাইকেল এস হার্ট (Michael S Hart)। আমেরিকান এই লেখক ১৯৪৭ সালের ৮ মার্চ ওয়াশিংটনে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁকে ই-বুকের আবিষ্কারক বা জনক বলা হয়, কেননা তিনি

ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিনামূল্যে ই-বুক বিতরণের প্রথম প্রজেক্ট গুটেনবার্গ- এর উদ্যোক্তা ছিলেন।


ই-বুক ব্যবহারের সুবিধা-

i) ই-বুক ডাউনলোড করে তাৎক্ষণিকভাবে তথ্য পাওয়া সম্ভব। ১

ii) ব্যাবহারিকভাবে ই-বুক সংরক্ষণের জন্য কোনো লাইব্রেরি বা কক্ষের প্রয়োজন নেই। কম্পিউটার বা রিডিং ডিভাইসে ই-বুক সহজে সংরক্ষণ করা যায়।

iii) ই-বুক সহজে যেখানে-সেখানে নিয়ে যাওয়া যায়।

iv) ই-বুকে সহজে তথ্য সার্চ করা যায়।

v) ই-বুক ইন্টারনেটের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয় বলে কোনো ধরনের শিপিং বা প্যাকিং খরচ নেই।

vi) ই-বুক সহজেই প্রিন্ট বিতরণ ও বিক্রয় করা সম্ভব, ফলে আর্থিক খরচ কম হয়।



মন্তব্য করুন

ব্লগ