Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৯ নভেম্বর, ২০২৪ ০৩:১৪ অপরাহ্ণ

ব্ল্যাড ক্যান্সার বা লিউকেমিয়া রোগের লক্ষ্মণ সমূহ।

ব্লাড ক্যান্সার, যাকে ‘লিউকেমিয়া বা রক্তের ক্যান্সারও বলা হয়, এটি একটি প্রাণঘাতি রোগ। এই রক্তকণিকা এবং অস্থিমজ্জায় দেখা দেয। এর প্রাথমিক লক্ষণগুলো অনেক সময় সাধারণ রোগের মতো মনে হতে পারে, তাই সচেতনতা জরুরি। নিচে ব্লাড ক্যান্সারের ১০টি প্রধান লক্ষণ দেওয়া হলো।


এগুলোর কোনো একটা লক্ষণ আপনার শরীরে দেখা দিলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।  

অতিরিক্ত ক্লান্তি ও দুর্বলতা

ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হলে রক্তে লোহিত কণিকার (রেড ব্লাড সেল) সংখ্যা কমে যায়, যা অ্যানিমিয়ার কারণ হতে পারে। ফলে সামান্য কাজেই আপনি দুর্বল অনুভব করবেন।  


বারবার জ্বর বা ইনফেকশন

স্বে রক্তকণিকা (হোয়াইট ব্লাড সেল) স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক দুর্বল হয়ে যায় এ সময়।


তাই শরীর সহজেই বিভিন্ন সংক্রমণের শিকার হয়।  

শরীরে ফোলাভাব বা লিম্ফ নোডের বৃদ্ধি  

বিশেষত গলার কাছে, বগলে বা কুঁচকির কাছের লিম্ফ নোড ফুলে উঠতে পারে। এটি শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। ব্ল্যাড ক্যান্সারের অন্যতম লক্ষণ এ টি


 ত্বকে সহজে ক্ষত বা রক্তপাত 

এসম রক্তে প্লাটিলেটের অভাব  দেখা দেয়। তাই ছোটখাটো আঘাতেও ত্বকে রক্তপাত হতে পারে। এ ধরনের রক্তপাত সহজে বন্ধ হয় না।  


হাড় ও জয়েন্টে ব্যথা

অস্থিমজ্জায় কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি হয় ব্ল্যাড ক্যান্সার হলে। তাই হাড় ও জয়েন্টে ব্যথা হয়।


 ত্বকে ছোট ছোট লাল দাগ বা র‍্যাশ 

ব্লাড ক্যান্সারের প্রভাবে ত্বকের নিচে রক্তক্ষরণের কারণে ছোট লাল দাগ দেখা যেতে পারে ত্বকজুড়ে।  


ক্ষুধামন্দা ও ওজন কমে যাওয়া

এ রোগের প্রভাবে শরীরের শক্তি ও পুষ্টির চাহিদা কমে যায়। ফলে ক্ষুধা কমে যেতে পারে এবং ওজনও দ্রুত কমে যায়।

ঘন ঘন রক্তস্বল্পতা

ব্লাড ক্যান্সারের কারণে লোহিত রক্ত কণিকার উৎপাদন কমে যায়। রক্তস্বল্পতার লক্ষণ দেখা যায়, যেমন, ফ্যাকাশে ত্বক, ক্লান্তি ও শ্বাসকষ্ট।  


নাক থেকে রক্তপাত বা মাড়ি ফোলা

রক্তে প্লাটিলেটের ঘাটতি থাকলে নাক থেকে রক্ত পড়া বা মাড়ির অস্বাভাবিক ফোলাভাব দেখা দিতে পারে।


রাতে অতিরিক্ত ঘাম হওয়া

বিশেষ করে রাতে ঘুমানোর সময় অতিরিক্ত ঘাম হওয়া ব্লাড ক্যান্সারের একটি সাধারণ লক্ষণ হতে পারে।  


ওপরের লক্ষণগুলোর মধ্যে যেকোনো একটি বা একাধিক লক্ষণ দীর্ঘ সময় ধরে থাকলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ দেখানো উচিত। প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্ত হলে চিকিৎসায় সফলতার সম্ভাবনা অনেক বেশি।

মন্তব্য করুন

ব্লগ