Loading..

ব্লগ

রিসেট

২০ নভেম্বর, ২০২৪ ০৬:০০ অপরাহ্ণ

সবজির বিভিন্ন শ্রেণিবিভাগ

সবজির বিভিন্ন শ্রেণিবিভাগ

 

শাক-সবজিকে বিভিন্নভাবে শ্রেণিবিভাগ করা যায়। যেমন- মৌসুমভিত্তিক, ব্যবহারভিত্তিক, উৎপত্তি ভিত্তিক, ভক্ষণযোগ্য ভিত্তিক, শেকড়ের গভীরতা অনুযায়ী, মাটির উপরে বা নিচে জন্মানোভিত্তিক, উদ্ভিদতাত্ত্বিক ইত্যাদি।

 

ক) মৌসুম ভিত্তিক শ্রেণি বিভাগ ও মৌসুম অনুযায়ী বাংলাদেশের সবজিগুলোকে ৩টি ভাগে ভাগ করা হয়। যেমন-

(১) রবি মৌসুমের সবজি- এ সবজি শীতকালে জন্মে থাকে। উদাহরণ- ফুলকপি, বাঁধাকপি, পালংশাক, গাজর, লেটুস, শিম, ওলকপি, মুথা, টমেটো ইত্যাদি ।

(২) খারিফ সবজি- এ সবজি গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালে জন্মে থাকে। উদাহরণ- চালকুমড়া, চিচিংগা, ঝিঙা, ধুন্দল, ঢেঁড়শ, কলা, ডাঁটা, পুঁইশাক, পটল, কচু, বরবটি ইত্যাদি।

(৩) বারমাসি সবজি- এ সবজি সারা বছর জন্মে থাকে। উদাহারণ বেগুন, মিষ্টি কুমড়া, লালশাক, পেঁপে, শশা ইত্যাদি ।

 

খ) ব্যবহার ভিত্তিক শ্রেণিবিভাগ- সবজি কীভাবে ব্যবহার করা হবে তার ওপর ভিত্তি করে সবজিগুলোকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যেমন-

১। সালাদজাতীয় সবজি- এ সবজিগুলো সাধারণত সালাদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ- শশা, গাজর, লেটুস, ক্যাপসিকাম, পেঁপে ইত্যাদি । 

২। তরকারিজাতীয় সবজি- এ সবজিগুলো তরকারি রান্নার জন্য শুধু ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ- বেগুন, পটল, ঝিঙা, আলু, ধুন্দল ইত্যাদি। 

৩। ভর্তাজাতীয় খাবার তৈরির সবজি- এ সবজিগুলো অনেক সময় ভর্তা তৈরি করে খাওয়া হয়। উদাহরণ ওলকচু, কাঁচাকলা, পেঁপে, বেগুন ইত্যাদি। 

আমার আশেপাশের সেরা রেস্টুরেন্ট

৪। চাটনী তৈরির সবজি- এ সবজিগুলো চাটনি তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ- টমেটো, ধনিয়াপাতা, পুদিনা পাতা ইত্যাদি। 

৫। ভাজা খাবার তৈরির সবজি- এ সবজিগুলো ভাজা খাবার তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ- বরবটি, করলা, শিম, লালশাক, পুঁইশাক ইত্যাদি। 

৬। স্যুপ তৈরির সবজি- এ সবজিগুলো স্যুপ তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ- পিঁয়াজ পাতা, পুদিনা পাতা, সিলারি, গাজর, মটরশুটি ইত্যাদি।

 

গ) উৎপত্তিভিত্তিক সবজি- বাংলাদেশে যে সমস্ত শাকসবজির চাষ হচ্ছে সেগুলোকে উৎপত্তিস্থলের ভিত্তিতে দেশি ও বিদেশি হিসেবে ভাগ করা যায়। যথা

(১) দেশি সবজি- পটল, লালশাক, কলমিশাক, শিম, মিষ্টি কুমড়া, কচুজাতীয়, পাটশাক ইত্যাদি । 

(২) বিদেশী সবজি- কপিজাতীয়, লেটুস, সিলারী, গিমা কলমি, বীট, গাজর, ব্রোকলী, চিনা বাধাকপি ইত্যাদি।

 

ঘ) আহারোপযোগী/ভক্ষণযোগ্য ভিত্তিক- ফসলের প্রকারভেদে বিভিন্ন অংশ খাওয়া যায়। এর ভিত্তিতে সবজিগুলোকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়।

(১) পাতাজাতীয় সবজি- লালশাক, পুঁইশাক, লেটুস, পার্সলি, সিলারি ইত্যাদি। 

(২) ফলজাতীয় সবজি- বেগুন, টমেটো, কুমড়াজাতীয়, শিম, বরবটি ইত্যাদি । 

আমার আশেপাশের সেরা রেস্টুরেন্ট

(৩) কম্পাল সবজি- আলু, মেটে আলু, পাহু আৰু ইত্যাদি। 

(৪) কাজাতীয় সবজি- ডাঁটা, পানিকচুর লতা ইত্যাদি । 

(৫) কচুজাতীয় সবজি- মুখীকচু, ওলকচু, মানকচু ইত্যাদি। 

(৬) ফুলজাতীয় সবজি- ফুলকপি, ব্রোকলি, মিষ্টি কুমড়া ফুল, শাপলা ফুল, বকফুল ইত্যাদি। 

(৭) বীজজাতীয় সবজি- শিম বীজ, কাঁঠাল বীজ, মটরশুঁটি ইত্যাদি।

 

মন্তব্য করুন

ব্লগ