Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৬ নভেম্বর, ২০২৪ ০৯:১২ অপরাহ্ণ

বাংলা বিষয়ে প্রশিক্ষণে অনুচিন্তন লিপিবদ্ধ করার ছক - ০৫

অনুচিন্তন লিপিবদ্ধ করার ছক

পঞ্চম দিন

অংশগ্রহণকারীর নামঃ মোছাঃ হোসনে আরা            রেজিস্ট্রেশন নম্বরঃ ১৯                তারিখঃ ১৩/১১/২০২৪

১. পঞ্চম দিনের আলোচিত মূল বিষয়বস্তু কী ছিল?

Ø গল্প, প্রবন্ধ ও কথোপকথনধর্মী বিষয় শেখানো কৌশল (শিখন কৌশল ও অনুশীলন, পাঠ পর্যবেক্ষণ, ছক পূরণ)

Ø ভাষা শিখনে সম্পূরক উপকরণ (প্রয়োজনীয়তা ও ব্যবহার)

Ø শ্রেণিকক্ষে বাংলা বিষয়ে মূল্যায়ন (ক্ষেত্র, বিষয়, পদ্ধতি, টুলস ও উদাহরণ)

Ø বাংলা পাঠদানে প্রযুক্তির ব্যবহার (ক্ষেত্র, পক্ষে/বিপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন)

২. শিক্ষার্থীর ভাষাদক্ষতা বৃদ্ধির জন্য শিক্ষন শেখানো কাজে এটা কতটা প্রযোজ্য বলে আপনি মনে করেন?

Ø আমি মনে করি শিক্ষার্থীর ভাষা দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য শিখন-শেখানো কাজে পঞ্চম দিনের প্রতিটি বিষয় প্রয়োগযোগ্য।

৩. আপনি এগুলো কীভাবে প্রয়োগ করবেন? ( আমার করণীয়)

Ø ভাষাখেলা ও সম্পূরক সামগ্রী যেভাবে শ্রেণিক্ষকে ব্যবহার করবঃ  

·      প্রয়োজনীয় সংখ্যক বর্ণকার্ড, শব্দকার্ড তৈরি করব।

·      শবড়সিঁড়ি, শব্দজাল ইত্যাদি খেলার জন্য উপকরণ তৈরি করব।

·      প্রয়োজনীয় ছবি সংগ্রহ করব যা থেকে শিক্ষার্থীদের বাক্য লিখতে দেওয়া যাবে।

·      বাক্য কার্ড তৈরি করব যা সাজিয়ে গল্প তৈরি করতে দেওয়া যাবে।

·      মূল্যায়নের জন্য প্রয়োজনীয় মূল্যায়ন টুলস তৈরি করব।

·      পাঠভিত্তিক ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি, সংগ্রহ ও ব্যবহারের প্রস্তুতি নিবো।

Ø সম্পূরক পঠনসামগ্রী ব্যবহার করে শ্রেণিকক্ষে নিয়মিত পড়ার চর্চার কৌশলঃ  

·      শিক্ষার্থীদের পড়ার সক্ষমতা অর্জনের জন্য স্তরভিত্তিক সম্পূরক পঠন সামগ্রী পঠন অনুশীলনের ব্যবস্থা করব। এ ক্ষেত্রে সরব পাঠ, জুটিতে পড়া, অংশগ্রহণ লক পড়া এককভাবে পড়ার কৌশলগুলো ব্যবহার করব।

·      সম্পূরক পঠন সামগ্রী হিসেবে নির্ধারিত বইগুলো সংগ্রহ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিয়মিত বিতরণ করব, যাতে পরিবারে মা-বাবা কিংবা কারো সহায়তা নিয়ে পড়তে পারে।

·      শ্রেণিকক্ষে পড়ার জন্য শিক্ষার্থীদের বাড়ি বা পাড়া থেকে যেকোনো সম্পূরক পাঠ সামগ্রী (যেমন, সংবাদপত্র বা পত্রিকার কোনো লেখা, লিফলেট, চিঠি বা বিজ্ঞাপন) সংগ্রহ করে আনতে বলব। সেগুলো থেকে একেকদিন একেকেজন কে পড়তে দিবো।

পড়ার আগের কাজঃ

·      বই পড়ানোর আগে শিক্ষার্থীদের বই এর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিব। এজন্য বই এর কভার, লেখক ও আঁকিয়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিব।

·      বইয়ের কভারের ছবি দেখিয়ে জানতে চাইব – এখানে কী দেখা যাচ্ছে কেউ কি বলতে পার যে গল্পের বিষয়বস্তু কী হতে পারে? 

·      বইয়ের প্রথম পৃষ্ঠা এমনভাবে খুলব যেন সব শিক্ষার্থী দেখতে পায়। কঠিন বা অজানা শব্দ থাকলে অর্থ শেখাব ও বাক্য বলব। শিক্ষার্থীদেরও বাক্য তৈরি করতে বলব।

 

পড়ার সময়ের কাজঃ

·      গল্পটি ধীরে ধীরে, পরিষ্কারভাবে, অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে বিরাম চিহ্ন মেনে পড়ে শোনাব।

·      পড়ার সময় অনুমানভিত্তিক প্রশ্ন করব। যেমন- এরপর কী হতে পারে? কেন?

 

পড়ার পরের কাজঃ  

·      বই পড়ার শুরুতে যে অনুমানভিত্তিক প্রশ্ন করা হয়েছিল তা নিয়ে আলোচনা করব।

·      বইয়ের চরিত্রগুলো সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট প্রশ্ন করব। যেমন- চরিত্রের কী হয়েছিল? তোমার কেমন লেগেছিল? গল্পের শুরুতে কী হয়েছিল? তারপর কী হয়েছিল? পারলে প্রশংসা করব। না পারলে বলে দিবো এবং বইয়ে দেখাব।

 

Ø ডিজিটাল কনটেন্ট অবশ্যই ব্যবহার করব। পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে একাধিক স্লাইডের সাহায্যে যে কোনো মূর্ত-বিমূর্ত বিষয়ে অতি সহজেই শিক্ষার্থীদের পাঠদান সম্ভব হয়। এই পাঠদান শিক্ষার্থীদের মধ্যে যেমন হবে আনন্দদায়ক, তেমনি সহজবোধ্য। সনাতন চক, ডাস্টার, চকবোর্ড দিয়ে শিক্ষার্থীদের অনেক তত্ত্বগত ধারণা যথাযথভাবে দেওয়া অনেক ক্ষেত্রেই সম্ভব হয়না। কিন্তু ডিজিটাল কনটেণ্টের মাধ্যমে একাধিক স্থির বা চলমান চিত্রের সাহায্যে শিক্ষার্থীদের যে কোনো বিষয়ে পূর্ণ ধারণা দেওয়া সম্ভব। সেক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগ্রহণ হবে অনেক বেশি আনন্দদায়ক।

 

৪. দিনের আলোচিত বিষয়গুলোর মধ্যে কোনটি আপনার কাছে অস্পষ্ট ছিল এবং কেন?

Ø কোন বিষয় অস্পষ্ট ছিলনা। 

মন্তব্য করুন