সহকারী শিক্ষক
২৭ নভেম্বর, ২০২৪ ১০:০২ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
সাধারণত 'ও' বসে দুই শব্দের মাঝখানে। যেমনঃ তুমি ও সে। আর 'এবং' বসে দুই বাক্য বা বাক্যাংশের মাঝখানে। যেমনঃ আমরা বাংলায় কথা বলি তাই বাঙালী এবং বাংলাদেশে জন্ম বলে বাংলাদেশী। এ দুটোই সংযোজক অব্যয়। 'ও' ধন্যাত্মক শব্দ ও বিশেষণ হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। যেমন: "ও, এরকমই তো হবে।" উপরোক্ত বাক্যে 'ও' অনুধাবনমূলক ধন্যাত্মক শব্দ। অপরদিকে, " ও কথা আর বল না।" বাক্যে 'ও' বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
'এবং' শুধুই অব্যয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
তাছাড়া 'ও' অব্যয় হিসেবে দুটি পদকে যুক্ত করে।অন্যদিকে, 'এবং' দুটি শব্দ বা দুটি খণ্ডবাক্যকে যুক্ত করে।
উদাহরণ: ১. ক.)তুমি ও আমি মিলে বৃষ্টিতে ভিজব। খ.) নদী ও নারী।
২. ক.) উদয়গিরি এবং খণ্ডগিরির গুহাগুলোর বিশেষ প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব রয়েছে। খ.) ভাষাগত সৌন্দর্যের দিক থেকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্পগুলো অনন্য এবং বিষয় বৈচিত্র্যের দিক থেকে এগুলো অতুলনীয়।
তথ্যসূত্র: ১.বাংলা একাডেমী আধুনিক বাংলা অভিধান।
২. বাংলা একাডেমী সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান।
খ) দুটি শব্দের সংযোগে 'ও' ব্যবহার করা হয় এবং দুটি বাক্যের সংযোগে 'এবং' ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণঃ
'ও' এর ব্যবহারঃ আমি ও তুমি। ছেলে ও মেয়ে ।
'এবং' এর ব্যবহারঃ আরিফ চা খায় এবং নিশাদ কফি খায় । টিটু নোয়াখালী জিলা স্কুলে পড়ে এবং ইমন নটরডেম কলেজে পড়ে।
গ)সাধারণত 'ও' বসে দুই শব্দের মাঝখানে।
যেমনঃ তুমি ও সে।
আর 'এবং' বসে দুই বাক্য বা বাক্যাংশের মাঝখান।
যেমনঃ আমরা বাংলায় কথা বলি তাই বাঙালী এবং বাংলাদেশে জন্ম বলে বাংলাদেশী।
৬৫
১০০ মন্তব্য