Loading..

ব্লগ

রিসেট

৩০ নভেম্বর, ২০২৪ ১১:৪৯ অপরাহ্ণ

দৈন্যদশায় এমপিওভুক্ত ৭২ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী

যা নিষ্পত্তিতে দরকার প্রায় ১১৫ কোটি টাকা। প্রতি মাসে ৪২ কোটি টাকার মতো ঘাটতি থাকে। বর্তমানে ৩৭ হাজার অবসর সুবিধার আবেদন নিষ্পত্তি করতে প্রায় সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা লাগবে বলে মনে করছেন কর্মকর্তারা। একই চিত্র কল্যাণ ট্রাস্টেও।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, শিক্ষক-কর্মচারীর ভোগান্তির কথা চিন্তা করে গত ২৭ আগস্ট কল্যাণ ট্রাস্টের উপপরিচালক আবুল বাশারকে প্রতিষ্ঠানের সচিবের (রুটিন দায়িত্ব) আর্থিক ক্ষমতা দেওয়া হয়। আর গত সপ্তাহে অবসর সুবিধা বোর্ডের সদস্য সচিবের রুটিন দায়িত্ব দেওয়া হয় বোর্ডের পরিচালক অধ্যাপক জাফর আহম্মদকে। কিন্তু ব্যাংক লেনদেন-সংক্রান্ত জটিলতার কারণে তারা কিছুই করতে পারছেন না। দীর্ঘ হচ্ছে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীর হাহাকার।

অধ্যাপক জাফর আহম্মদ বলেন, ব্যাংক দুটির সঙ্গে লেনদেন করা সম্ভব হচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে শিগগির মন্ত্রণালয়ের সচিবের সঙ্গে বৈঠক হবে। সেখানে সমাধানের পথ বেরিয়ে আসবে, আশা করছি। অন্যদিকে আবুল বাশার বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বাংলাদেশ ব্যাংকে পিএল (পার্সোনাল লেজার) হিসাব খুলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আইবাস প্লাস সফটওয়্যারের মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীর অবসর ও কল্যাণের টাকা দেওয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে। শিগগির সংকট কেটে যাবে। সূত্রঃ সমকাল

মন্তব্য করুন

ব্লগ