Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৩ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০৯:২১ অপরাহ্ণ

বুলিং স্বীকার হওয়া ।

বুলিং খুবই পরিচিত একটি শব্দ।নানাভাবে মৌখিক বুলিংয়ের শিকার হয়ে ব্যক্তি মানসিকভাবে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হওয়ার জন্য ব্যক্তি তখন নিজেকেই দায়ী করে। ফলে কেউ কেউ মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে আত্মহননের পথও বেছে নেয়। শুধু তরুণ প্রজন্ম বা প্রাপ্ত বয়স্কই নয় একটি শিশুর সহজাত মানসিক বিকাশেও বুলিং ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। ইতিবাচক মানসিকতা তৈরি করতে বুলিং-মুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলার বিকল্প নেই।

ইংরেজি ভাষায় ‘বুলিং’ বলতে কাউকে মানসিকভাবে আঘাত করার উদ্দেশ্যে তাকে বারবার বিভিন্নভাবে হয়রানি করাকেই বোঝায়। বুলিংয়ের ক্ষেত্রে সব সময়ই কোনো না কোনো প্রত্যক্ষদর্শী থাকে। প্রত্যক্ষদর্শীদের সামনে অপদস্থ করতে হাসির পাত্র হিসেবে উপস্থাপন করাই বুলিংয়ের অন্যতম উদ্দেশ্য। বুলিং নানাভাবে হতে পারে। এর মধ্যে শারীরিক, মৌখিক, মানসিক, আবেগীয়, সাইবার, জাতিগত, যৌন হয়রানিমূলক নানা ধরনের বুলিংয়ের সঙ্গে আমরা পরিচিত।

অনেক ধরনের বুলিং রয়েছে যা শিশু এবং প্রাপ্তবয়স্কদের দ্বারা একইভাবে অনুভব করা যেতে পারে। 

 দৈহিক উৎপীড়নের মধ্যে রয়েছে আঘাত করা, লাথি মারা, চিমটি দেয়া এবং ধাক্কা দেওয়া বা সম্পত্তির ক্ষতি করা। শারীরিকভাবে বুলিং করার ফলে স্বল্পমেয়াদী এবং দীর্ঘমেয়াদী উভয় ধরনের ক্ষতিই হতে পারে।


মন্তব্য করুন

ব্লগ