সহকারী মৌলভী
০৪ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০৬:০৪ অপরাহ্ণ
সহকারী মৌলভী
শিরোনাম:"আলিম,ফাযিল ও কামিল স্তরে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা কমে যাওয়ার কারণ":
১.কলেজগুলো সরকারি করা হলেও একটা আলিম, ফাযিল ও কামিল মাদরাসা সরকারি না করা।
২.অবকাঠামোগত বৈষম্য থাকা।
৩.শিক্ষকদের বেতন-ভাতা ও সুযোগ- সুবিধা কম থাকা।মাদ্রাসায় প্রভাষক থকে সহকারী অধ্যাপক হতে হলে অনুপাত প্রথা চালু রয়েছে। তাই মাদরাসার প্রভাষকরা বৈষম্যের শিকার।
৪.কলেজের মতো ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এমফিল- পিএইচডি ডিগ্রি করার সুযোগ নেই।
৫.গবেষণার সুযোগ নেই।
৬.নিয়ম -নীতির তোয়াক্কা না ফাযিল ও কামিলের অনুমতি দেওয়া।
৭. বিদেশে উচ্চ শিক্ষা সুযোগ -সুবিধা কেমন ও কীভাবে সেই বিষয়ে গাইড লাইন না থাকা।
৮.সেশনজট থাকা।
৯.সামাজিক বুলিং এর শিকার।
১০.মাদ্রাসা থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীদের সাথে বিমাতা সমূল আচরণ করা।
১১.মাদ্রাসায় জেনারেল সাবজেক্টে অনার্স ও মাস্টার্স কোর্স না থাকা।
১২.আবরি বা ইংরেজি ভাষা শিক্ষা কোর্স না থাকা।
১৩.ল্যাংগুয়েজ ক্লাব না থাকা।
১৪.এক্সট্রা ক্যারিকুলাম চালু করা।
১৫.সাংবাদিকতা ও মিডিয়াকর্মী হিসেবে আলিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ না থাকা।
১৬. নিয়মিত ক্লাস তদারকি করা হয় না।
১৭.শিক্ষার্থীদেরকে কাউন্সিলিং করা হয় না।
১৮.ক্লাসে সর্বোচ্চ উপস্থিত শিক্ষার্থীকে পুরস্কার দেয়া হয় না।
১৯.অধ্যক্ষারা একক সিদ্ধান্তে কাজ করে। অন্য কোনো শিক্ষকদের পরামর্শ নেয় না।
২০.জবাবদিহিতার অভাব।
২১.ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কোনো নোটিশ দিলে তা কার্যকর করে না।
২২.তাকওয়া বা আল্লাহর ভয় কম। অসৎ প্রতিষ্ঠান প্রধান ও শিক্ষকরা জুব্বা পড়ে ঘুষ ও নকল সাপ্লাই দেয়।
২৩.মাদরাসা থেকে অনার্স করলে কী কী সুবিধা রয়েছে তা মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা জানেনা।
২৪.মাদ্রাসায় ক্যারিয়ার বিষয়ক সেমিনার হয় না।শিক্ষার্থীদেরকে ক্লাস মুখী করার জন্য"ক্যারিয়ার গাইড লাইন"বিষয়ক সেমিনারের আয়োজন করা দরকার ছিলো।
২৫.জব ফেসেলিটিস কী কী রয়েছে তা জানেনা।
২৬.দক্ষ ও যোগ্য শিক্ষকের অভাব।
২৭.যারা পাঠদান করান তারা অনার্স ও মাস্টার্স পাশ করা না(ডিগ্রি) পাশ।
২৮.গবেষণা কী তারা বুঝেনা।
২৯.নিয়মিত ক্লাস হয় না।শিক্ষার্থীদেরকে ক্লাসমুখী করার জন্য অধ্যক্ষগণ কোনো উদ্যোগ হাতে নেয় না।একজন মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর জন্য কী কী জব সুবিধা রয়েছে এবং নিয়মিত ক্লাস করলে জব পেতে কতটা সহায়ক হবে এই বিষয়ে কোনো পরামর্শ নেই।
৩০.শিক্ষক মহোদয় ফাঁকিবাজ।
৩১.লাইব্রেরিতে পর্যাপ্ত রেফারেন্স বই নেই।
৩২. বিভাগের জন্য( হাদিসে জন্য)পৃথক শ্রেণিকক্ষ নেই।
৩৩.কোন কোন বিষয়ে ও মাদরাসায় অনার্স ও মাস্টার্স করা যায় তার তালিকা নেই।
৩৪.গবেষণার সুযোগ কম এবং শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাব।
৩৫.মাদরাসার অনার্স ও মাস্টার্সের মান খুব নিম্নমানের।
৩৬.অনার্সের প্রত্যেকটি বিষয়ের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সিলেবাসে উল্লেখ নেই।
৩৭.টিউটোরিয়াল ও অ্যাসাইনমেন্ট ঠিকভাবে না নেওয়া।
৩৮.শিক্ষকদের আইসিটি'র দক্ষতা কম।তাই পাঠদানের সময় আইসিটি'র ব্যবহার নেই।
আব্দুর রহিম
শিক্ষক
সৈয়দ আব্দুল মান্নান ডি. ডি. এফ. আলিম মাদরাসা, বরিশাল।
৬৪
১০০ মন্তব্য