সহকারী শিক্ষক
০৬ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ণ
উপমহাদেশে ইতিহাসে বিশ্বাসঘাতকতার সেরা নজির হয়ে আছেন মীর জাফর আলি খান।
ভারতীয় উপমহাদেশের বর্তমান বিভাজিত রুপ তথা আধুনিক বাংলাদেশের ক্রম অভ্যুদয়ের একেবারে গোড়ায় আছে পলাশীর ঐতিহাসিক যুদ্ধ। এই যুদ্ধে ক্ষমতার লোভে নবাবের বিরুদ্ধাচারণ করে উপমহাদেশে ইতিহাসে বিশ্বাসঘাতকতার সেরা নজির হয়ে আছেন মীর জাফর আলি খান। সেই পলাশীর যুদ্ধে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার করুণ পরাজয়ের কাহিনী আমরা সবাই জানি। কিন্তু পরবর্তী সময়ে সেই চরম অনৈতিক যুদ্ধ নামক নাটকের সাথে মূল অভিনেতা মীর জাফর ও তার সহচরদের কী পরিণতি হয়েছিলো, তা কয়জন জানি? কতটা ঘোলাটে ছিলো সেই সময় বাংলার আকাশের সূর্য? যতটা আমরা জানি, তার মধ্যেও আছে অনেক ভ্রান্ত তথ্য। আসুন জেনে নিই প্রকৃত ইতিহাস।

শিল্পীর চোখে পলাশীর যুদ্ধ; Image Source: ias.orq.in
১৭৫৭ সালের ২৩ জুন কুচক্রী মীর জাফর ও তার সাঙ্গপাঙ্গদের জঘন্য বিশ্বাসঘাতকতা ও রাজদ্রোহের কারণে পলাশীর যুদ্ধে মুষ্টিমেয় ইংরেজ সৈন্যের কাছে পরাজিত ও বন্দী হন নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা। এর কিছুকাল পরেই ইংরেজ সেনাপ্রধান কর্ণেল রবার্ট ক্লাইভ প্রকাশ্য দরবারে মীর জাফরকে নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার মসনদে বসান। তার গৃহীত পূর্ণাঙ্গ নাম হয় ‘সুজা-উল-মূলক-হিশাম-উদ-দৌলা মীর মোহাম্মদ জাফর আলি খান মহাব্বত জং।’ অর্থাৎ দেশের সাহসী, সাম্রাজ্যের তরবারি, সংগ্রামে ভয়ংকর মীর মোহাম্মদ জাফর আলি খান। পুত্র মিরনের প্রবল আগ্রহে তাকে ‘শাহাম্মত জং’ বা সংগ্রামে সাহসী উপাধি প্রদান করেন। মসনদে বসানোর পর ক্লাইভ এ দেশের প্রচলিত রীতি অনুসারে নবাবকে আনুষ্ঠানিক নজরানা প্রদান করে তার প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করেন।
সংগৃহীত
৮
৮ মন্তব্য