প্রধান শিক্ষক
০৯ ডিসেম্বর, ২০২৪ ১০:২৪ পূর্বাহ্ণ
প্রধান শিক্ষক
বাষ্প এবং জল শক্তি ব্যবহার করে হস্তসাধিত শিল্পোৎপাদন প্রক্রিয়াকে মেশিন চালিত পদ্বতিতে রুপান্তের মাধ্যমে প্রথম শিল্প বিপ্লবের সূচনা হয়েছিল । নতুন প্রযুক্তির প্রয়োগে দীর্ঘ সময় লেগে গিয়েছিল। সুতরাং, যে সময়কালকে এটি নির্দেশ করে তা ইউরোপ এবং আমেরিকার ক্ষেত্রে ১৭৬০ থেকে ১৮২০ বা ১৮৪০ এর মধ্যে। এর প্রভাব পড়েছিল বস্ত্র শিল্প, লৌহ শিল্প, কৃষি এবং খনিখনন কাজে যদিও বস্ত্র শিল্পই সবচেয়ে দ্রুততার সাথে মানিয়ে নিয়েছিল। এর সামাজিক প্রভাব মধ্যবিত্ত শ্রেণীকে ক্রমেই শক্তিশালী করে তুলছিল। তৎকালীন ব্রিটিশ শিল্পেও এর প্রভাব ছিল।
দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লব বা প্রযুক্তিগত বিপ্লব এর সূচনা ঘটেছিল ১৮৭১ থেকে ১৯১৪ সালের মধ্যে। এর মূলে ছিল রেলপথ এবং টেলিগ্রাফ নেটওয়ার্কের ব্যাপক বিস্তার যা মানুষ এবং চিন্তা-ভাবনার দ্রুততর স্থানান্তরের সুযোগ তৈরী করেছিল। ক্রমবর্ধমান বৈদ্যুতীকরণ কারখানাগুলোকে আধুনিক প্রোডাকশন লাইন বিকাশের সুযোগ করে দিয়েছিল। এটি ছিল উৎপাদন বৃদ্ধির সাথে সাথে একটি দুর্দান্ত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সময়। যার কারণে অনেক কারখানা শ্রমিকের চাকরি মেশিনগুলো দখল করে নেয় এবং বেকারত্ব বৃদ্বি পায়।
বিংশ শতাব্দীর শেষদিকে দুটি বিশ্ব যুদ্ধের শেষে যখন শিল্পায়ন এবং প্রযুক্তিগত অগ্রগতি পূর্বের তুলনায় অনেকটা শিথিল, তখন তৃতীয় শিল্প বিপ্লব ওরফে ডিজিটাল বিপ্লব ঘটে। এক দশক পরে আসে জেড 1 কম্পিউটার, যা ফ্লোটিং-পয়েন্ট নাম্বার এবং বুলিয়ান লজিক ব্যবহার করে হিসাব নিকাশ করত। এটা ছিল আরও ডিজিটাল অগ্রগতির সূচনা। যোগাযোগ প্রযুক্তিতে পরবর্তী উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ সুপার কম্পিউটার । এই সময়ে উৎপাদন প্রক্রিয়াতে কম্পিউটার এবং যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহারের কারণে যন্ত্রপাতি মানব শক্তির জায়গা দখল করতে শুরু করে
ইন্ডাস্ট্রি ৪.০" সংক্ষেপে আই৪.০ বা শুধু আই৪ শব্দটি ২০১১ সালে জার্মান সরকারের একটি উচ্চ প্রযুক্তিগত কৌশলের একটি প্রকল্প থেকে সৃষ্ট, যেখানে উৎপাদন শিল্পে কম্পিউটারাইজেশনের বিকাশ সাধন করা হয় ।[১৩] একই বছর হ্যানোভার ফেয়ারে "ইন্ডাস্ট্রি ৪.০" শব্দটিকে সর্বপ্রথম সর্বসমক্ষে প্রচার করা হয়। [১৪] অক্টোবর ২০১২ তে কার্যরত দল কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে ইন্ডাস্ট্রি ৪.০ বাস্তবায়নের সুপারিশ উপস্থাপন করে। এই দলের সদস্য এবং অংশীদারগণ ইন্ডাস্ট্রি ৪.০ এর প্রতিষ্ঠাতা এবং চালিকা শক্তি হিসেবে স্বীকৃত। ২০১৩ সালের ৮ এপ্রিল হ্যানোভার ফেয়ারে কার্যরত দল তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করে। দলটির নেতৃত্বে ছিলেন রবার্ট বোশ জিএমবিএইচের সিগফ্রিড ডায়াস এবং জার্মান বিজ্ঞান ও প্রকৌশল একাডেমির হেনিং ক্যাগারম্যানকোম্পানিগুলো “ইন্ডাস্ট্রি ৪.০” এর নীতিসমূহ প্রয়োগের ক্ষেত্রে কখনো কখনো নতুন করে সাজিয়ে নেয়। উদাহরণস্বরূপ, এরোস্পেস পার্টস প্রস্তুতকারক মেগগিট পিএলসি নিজস্ব ইন্ডাস্ট্রির ৪.০ গবেষণা প্রকল্প এম 4 তৈরী করেছে।ইন্ডাস্ট্রি ৪.০” বিশেষত ডিজিটাইজেশন কীভাবে শ্রমবাজারে প্রভাব ফেলবে তা নিয়ে জার্মানিতে ওয়ার্ক ৪.০ শীর্ষক আলোচনা হচ্ছে।
আন্তঃসংযোগ - মেশিন, ডিভাইস, সেন্সর এবং মানুষের পরস্পরের মধ্যে ইন্টারনেট অফ থিংস অথবা ইন্টারনেট অফ পিউপল (আইওপি) এর মাধ্যমে সংযোগ স্থাপন এবং যোগাযোগের ক্ষমতা
৭
৬ মন্তব্য