৪. শরীরে তাপমাত্রা কমে যাওয়ার কারণে বা পরিবেশের তাপমাত্রা কমে যাওয়ার কারণে মাংশপেশিতেও টান ধরতে পারে যে কারণে ব্যথা বাড়ে।
৫. শীতকালে পানি কম পান করেন অনেকে, শরীরের তরলের ঘাটতি মাংশপেশির আড়ষ্টতা বাড়ার অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা যায়। যার ফলে ব্যথা বাড়ে।
৬. শীতকালে স্বাভাবিকের তুলনায় হাঁটাচলার পরিমাণ কমে যায় বিশেষ করে বয়স্ক ব্যক্তিদের। লেপ, কম্বল মুড়ি দিয়ে শুয়ে, বসে থাকতে বেশি পছন্দ করেন তারা। এই অচল অবস্থার কারণে অস্থিসন্ধিগুলো আরো বেশি শক্ত হয়ে যাওয়া, ব্যথা বেড়ে যাওয়া এই সমস্যাগুলো হয়ে থাকে।
৭. শীতকালে তাপমাত্রা কমে যাওয়ার কারণে অস্থিসন্ধির আড়ষ্টতা বেড়ে যায়, যে কারণে ব্যথা বাড়ে।
৮. ঠান্ডায় হাতে-পায়ে রক্ত চলাচল কমে যাওয়ার কারণে বাতের ব্যথা বাড়তে পারে।
৯. শীতে রোদের তীব্রতা কম থাকে, ভিটামিন ডির ঘাটতি আছে এমন রোগীদের ভিটামিন ডি এর ঘাটতি আরও বেড়ে যা।য় সেটির কারণে বাত ব্যথার লক্ষণগুলো আরও বেশি মাত্রায় প্রকাশ পায়।
করণীয়
১. শীতকালে স্বাভাবিকের তুলনায় শারীরিক পরিশ্রম বাড়াতে হবে। শীতের কারণে বাড়ির বাইরে যেতে না পারলেও বাড়ির ভেতরে নিয়মিত হাঁটাচলা, ব্যায়াম করতে হবে। বারান্দা বা বাসার করিডোরে ২০ থেকে ৩০ মিনিট হাঁটতে হবে।
২. পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করতে হবে, প্রতিদিন ২ থেকে আড়াই লিটার।
১
২ মন্তব্য