প্রধান শিক্ষক
২১ ডিসেম্বর, ২০২৪ ১১:১৫ অপরাহ্ণ
প্রধান শিক্ষক
বিড়ালও জলাতঙ্কের বাহক । কুকুরের তুলনায় অনেক কম হলেও বিড়ালেও সম্ভব তাই অবহেলা না করে দ্রুত প্রতিষেধক দিতে হবে কারণ রোগের লক্ষণ দেখা দিলে মৃত্যু অনিবার্য । কিন্তু অনেক বিড়াল পালক বাহাদুরি দেখাতেন যে কত বার আঁচড় খেয়েছেন কিন্তু এখনও কিছু হয়নি, অনেকে বলতেন বাড়ির বিড়াল বাড়ির বাইরে যায় না ।
কিন্তু যে বিড়াল বাড়িতে এনেছেন তার শরীরে যদি আগে থেকে সুপ্তাবস্থায় রেবিস ভাইরাস থাকে সেটা কীভাবে বুঝবেন ? ভ্যাক্সিন দিয়েই এনেছেন কিন্তু সেই ভ্যাক্সিন কতদিন পর্যন্ত কাজ করে সেটা দিকে নজর নেই । এগুলোই তো সমস্যা ।
বিড়াল পুষতে কোনো সমস্যা নেই কিন্তু নিয়ম করে তাকে ভ্যাক্সিন দেওয়াতে হবে । নিজে আঁচড় খেলে গ্রুপে পোস্ট দিয়ে উত্তরের অপেক্ষা না করে ডাক্তারের কাছে যাবেন । কথা বলে দরকার হলে ভ্যাক্সিন নিয়ে নেবেন । ঐ পোস্টে উল্লেখ আছে বিড়ালটাকে নাকি কুকুরে কামড় দিয়েছিল । কিন্তু বিড়ালের শরীরে জলাতঙ্কের ভাইরাস আসার জন্য অন্য কুকুরের কামড় খাওয়া জরুরি নয় ।
মনে রাখবেন,
১. রেবিস ভাইরাস মানুষের শরীরে ২৫ বছর (একটি মাত্র রেকর্ড) পর্যন্ত সুপ্ত থাকার রেকর্ড আছে । মানুষ কুকুরের কামড় খাওয়ার ২৫ বছর পর জলাতঙ্ক হয়েছে । সচরাচর কয়েক মাস থেকে বছর খানেকের বেশি হয় না ।
২. জলাতঙ্ক মানুষকে আংশিক জম্বিতে পরিণত করে ।
৩. একবার লক্ষণ প্রকাশ পেলে বাকিটা আল্লাহর হাতে ।
৪. বিড়াল যেন একদমই বাড়ির বাইরে না যায় সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে ।
১৮
২৮ মন্তব্য