শিক্ষক যে সকল কৌশল ব্যবহার করে একটি ক্লাসকে অর্থবহ করে তুলতে পারে সে-সকল কৌশলের দিকে প্রতিটি শিক্ষককেই আরো বেশি পরিমাণ ফোকাস করতে হবে। ফলে এই প্রক্রিয়াটি পরবর্তীতে সার্থক শিখন-শেখানো প্রক্রিয়ায় পরিবর্তিত হবে। এক্ষেত্রে শিক্ষকের ভুমিকাকেও গুরুত্ব দিতে হবে। সুতরাং এবার চলুন জেনে নিই সার্থক শিখন-শেখানো প্রক্রিয়ায় শিক্ষকের বিবেচ্য দিকগুলি কি কি হতে পারে সে সম্পর্কে।
- শিক্ষার্থীদের মাঝে শিখন সঞ্চালনের সুযোগ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে নতুনভাবে অর্জিত জ্ঞান, দক্ষতা বারবার অনুশীলন করার তাগিদ দিতে হবে।
- মুখস্তবিদ্যাকে ছুঁড়ে ফেলে সৃজনশীলতার দিকে মনোযোগী হতে হবে। ফলে প্রশ্ন আনকমন পড়লেও কিংবা যেকোনো কঠিন পরিস্থিতিতে সমাধান না পেলেও সেই সৃজনশীলতার গুণে যেকোনো রাস্তা খুঁজে পেতে সহজ হবে।
- শিক্ষার্থীদের মাঝে থাকা পূর্বের জ্ঞান, দক্ষতার সাথে সংযোগ স্থাপন করে নতুন কিছু পাঠ যুক্ত করতে হবে।
- শিক্ষার্থীদের মাঝে শেখার উপায় ও গতির মধ্যে পার্থক্য থাকায় সেদিক দিয়েও শিক্ষককে সময় দিতে হবে।
ইতি কথা
পাঠের বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে সঠিক পদ্ধতি ও কৌশল নির্বাচন করতে পারলে প্রতিটি ক্লাসই হবে অর্থবহ এবং প্রতিটি শিক্ষার্থীই নিয়মিত পাঠ রপ্ত করতে সক্ষম হবে। আজ এতোটুকুই। শিখন-শেখানো পদ্ধতি ও কৌশল সম্পর্কিত আর্টিকেলটি কেমন লেগেছে জানাতে ভুলবেন না কিন্তু।
৩
৫ মন্তব্য