Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৫ ডিসেম্বর, ২০২৪ ১০:১৮ অপরাহ্ণ

ধর্মীয় জ্ঞান অর্জন করার জন্য শিক্ষার্থীরা উদ্ভুদ্ধ করা

ছেলে এ্যাডভোকেট বাবার ইন্তেকাল জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে ইমাম সাহেব প্রথম তাকবীর দিলেন,

দ্বিতীয় তাকবীর দিলেন ' তৃতীয় তাকবীরের সময় মরহুমের এ্যাডভোকেট ছেলে জোরে চিৎকার দিয়ে উঠে হাউমাউ করে কেঁদে দিলো।

হুজুর যথারীতি নামায শেষ করলেন।ইমাম সাহেব এ্যাডভোকেট সাহেবকে সান্তনার বাণী শোনাতে লাগলেন। দুনিয়া তো ক্ষণস্থায়ী সবাই চলে যাবে একদিন ইত্যাদি ইত্যাদি।

চোখের পানি মুছে এ্যাডভোকেট সাহেব বললেন হুজুর!

আপনি ভেবেছেন আমি আব্বাজানের শোকে এভাবে হাউমাউ করে কাঁদছি? না!

নামাযের মধ্যে জোরে চিৎকার দিয়ে কেঁদে ওঠার কারণ এটা ছিল না হুজুর।

•তো কী কারণ ছিলো?

হুজুর! আমি এতো বড় শিক্ষিত মানুষ। উকালতিতে অনেক নাম কুড়িয়েছি কিন্তু আমি যে জানাযার নামাযের দুআটা পর্যন্ত পড়তে পারি না। আমার বাবা আজ চলে গেলেন শেষ বেলায় তার জানাযা নামাযে দুআ পড়তে পারলাম না এর চেয়ে বড় কষ্ট আর কিছু হতে পারে? এই কষ্টে আমি হাউমাউ করে কেঁদে উঠেছি।

• আমাদের এ কি শিক্ষা?

আমরা এতো বড় শিক্ষিত হয়েও জানাযার দুআটি জানি না।

এরপর এ্যাডভোকেট সাহেব উপস্থিত লোকদেরকে লক্ষ্য করে বলেন সন্তানদেরকে দ্বীনি শিক্ষা দিবেন এই একটি অনুরোধ রইলো।

আজকাল অভিভাবকরা কতটুকু সচেতন তাদের সন্তানদের ইসলামের নূন্যতম প্রয়োজনীয় মৌলিক বিষয়াদি শিক্ষাদানে?

আল্লাহ আমাদের সবাইকে দ্বীনি শিক্ষা অর্জন করার তাওফিক দান করুন.!

সংগৃহিত 

মো: আজিজুল হক 

জয়ভোগা দাখিল মাদ্রাসা 

গাবতলী, বগুড়া। 

মন্তব্য করুন

ব্লগ