সহকারী শিক্ষক
২৯ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০৭:৪৪ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
যমুনা বাংলাদেশের দ্বিতীয় এবং বিশ্বের দীর্ঘতম নদীগুলোর মধ্যে অন্যতম। তিব্বত, চীন, ভারত ও বাংলাদেশের ভূখণ্ডজুড়ে রয়েছে এর অববাহিকা অঞ্চল। এটি ব্রহ্মপুত্র নদের প্রধান শাখা। প্রকৃতপক্ষে ব্রহ্মপুত্র নদের নিম্ন প্রবাহ যমুনা নামে অভিহিত
যমুনা নদীর বুকে অবস্থিত ‘বঙ্গবন্ধু সেতু’ বাংলাদেশের দ্বিতীয় দীর্ঘতম সেতু।
এর পূর্ব নাম জোনাই। ১৭৮৭ সালের আগে যমুনার বুকে কোনো নদী ছিল না। জোনাই খাল নামে একটি ছোট্ট স্রোতধারা ছিল। ১৭৬২ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্র নদের মূলস্রোত পরিবর্তিত হয়ে এই খালটির ভেতর দিয়ে প্রবেশ করেখালটির নাম হয় তখন যমুনা। ১৭৮৭ সালে আরেকটি বড় বন্যায় তিস্তা নদীর একটি বড় স্রোত যমুনায় যোগ দেয়। ফলে তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র, জোনাই খাল সবকটির স্রোত মিলে সুবিশাল নদী হিসেবে যমুনার আবির্ভাব ঘটে।
বাংলাদেশ ভূখণ্ডে যমুনা নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় ২০৫ কিলোমিটার।যমুনা নদী
যমুনা নদীর বুকে অবস্থিত ‘বঙ্গবন্ধু সেতু’ বাংলাদেশের দ্বিতীয় দীর্ঘতম সেতু
যমুনা বাংলাদেশের দ্বিতীয় এবং বিশ্বের দীর্ঘতম নদীগুলোর মধ্যে অন্যতম। তিব্বত, চীন, ভারত ও বাংলাদেশের ভূখণ্ডজুড়ে রয়েছে এর অববাহিকা অঞ্চল। এটি ব্রহ্মপুত্র নদের প্রধান শাখা। প্রকৃতপক্ষে ব্রহ্মপুত্র নদের নিম্ন প্রবাহ যমুনা নামে অভিহিত।
এর পূর্ব নাম জোনাই। ১৭৮৭ সালের আগে যমুনার বুকে কোনো নদী ছিল না। জোনাই খাল নামে একটি ছোট্ট স্রোতধারা ছিল। ১৭৬২ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্র নদের মূলস্রোত পরিবর্তিত হয়ে এই খালটির ভেতর দিয়ে প্রবেশ করে।
খালটির নাম হয় তখন যমুনা। ১৭৮৭ সালে আরেকটি বড় বন্যায় তিস্তা নদীর একটি বড় স্রোত যমুনায় যোগ দেয়। ফলে তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র, জোনাই খাল সবকটির স্রোত মিলে সুবিশাল নদী হিসেবে যমুনার আবির্ভাব ঘটে।
বাংলাদেশ ভূখণ্ডে যমুনা নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় ২০৫ কিলোমিটার।
যমুনার প্রশস্ততা তিন থেকে ২০ কিলোমিটার পর্যন্ত, তবে এর গড় প্রশস্ততা প্রায় ১০ কিলোমিটার। বাংলাদেশে অবস্থিত যমুনার প্রবাহপথের বেশির ভাগ স্থানেই অসংখ্য চর গড়ে উঠেছে, যেগুলো বর্ষা ঋতুতে ডুবে যাওয়ার ফলে নদীটি একটি একক খাতে পরিণত হয়। এভাবে শুধু প্রশস্ততার কারণে নদীটি বিশ্বের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ নদীতে পরিণত হয়েছে। ১৯৯২ সালের শুষ্ক ঋতুতে তোলা ল্যান্ডস্যাট ইমেজ থেকে দেখা যায়, যমুনা নদীতে ৫৬টি বৃহদাকৃতির দ্বীপ বা চর বিদ্যমান রয়েছে, যেগুলোর প্রতিটি ৩.৫ কিলোমিটারের অধিক দীর্ঘ। বাংলাদেশে বিভিন্ন নদীর তীর ভাঙনের কবলে পড়ে ১৯৮১ থেকে ১৯৯৩ সালের মধ্যে প্রায় সাত লাখ ২৯ হাজার মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছে।
৭১
১৪৫ মন্তব্য