Loading..

ব্লগ

রিসেট

০১ জানুয়ারি, ২০২৫ ১০:৩৫ অপরাহ্ণ

?⏭️?পা-মাজের ব্যাসাল্ট মূর্তি......

মিশরের ৩০তম রাজবংশের সময়কালে (প্রায় ৩৫০–৩০০ খ্রিস্টপূর্ব) নির্মিত পা-মাজের কালো ব্যাসাল্ট মূর্তিটি এক বিস্ময়কর শিল্পকর্ম যা জাদু, বিশ্বাস এবং ধর্মীয় আদর্শের এক অপূর্ব সমন্বয়। যদিও এটি একটি খণ্ডিত ভাস্কর্য, এর প্রতিটি অংশে প্রাচীন মিশরীয়দের গভীর আধ্যাত্মিকতা ও বিশ্বাসের ছাপ স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।


মূর্তিটির উপরিভাগে জটিল চিত্রলিপি এবং দেব-দেবীর খোদাই রয়েছে। এখানে হোরাস, যিনি সুরক্ষার দেবতা এবং যাকে সাধারণত বাজপাখি মস্তকে চিত্রিত করা হয়, এবং আইসিস, যিনি জাদু ও নিরাময়ের দেবী, তাঁদের উপস্থাপন করা হয়েছে। এই দেবতাদের মূর্তিতে উপস্থিতি নির্দেশ করে যে, এটি বিষাক্ত প্রাণী এবং অন্যান্য বিপদ থেকে রক্ষার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। সেই সময়ের মানুষেরা বিশ্বাস করতেন যে, এই ধরনের মূর্তি শুধু ব্যক্তিগতভাবে নয়, পুরো সমাজকে দুর্যোগ ও বিপদ থেকে সুরক্ষা দিতে সক্ষম।


এছাড়াও, মূর্তির গায়ে খোদিত মালিকের নামের উপস্থিতি মিশরীয়দের অমরত্বের ধারণাকে জোরালোভাবে তুলে ধরে। মিশরীয় বিশ্বাস অনুসারে, কারো নাম যদি সংরক্ষিত থাকে, তবে তার স্মৃতি ও অস্তিত্ব চিরদিনের জন্য টিকে থাকে। এই ভাস্কর্যটি সেই চিরন্তন জীবনের ধারণার এক উজ্জ্বল নিদর্শন।


পা-মাজের ব্যাসাল্ট মূর্তিটি প্রাচীন মিশরীয়দের দেবতা ও মানুষের মধ্যকার সম্পর্ক এবং তাঁদের জীবনধারণে সুরক্ষার গুরুত্বের এক অসাধারণ উদাহরণ হিসেবে আজও আমাদের কাছে প্রাসঙ্গিক। এটি দেখায় কীভাবে তাঁরা বিশ্বাস করতেন যে, সঠিক আচার-অনুষ্ঠান এবং সুরক্ষামূলক জাদু তাঁদের ইহজাগতিক ও পারলৌকিক জীবনকে সুরক্ষিত রাখতে

মন্তব্য করুন