Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৮ জানুয়ারি, ২০২৫ ১০:৫৩ পূর্বাহ্ণ

নেটওয়ার্ক AND নেটওয়ার্কের ব্যবহার সম্পর্কে 10 important uses.

১। নেটওয়ার্ক কী? নেটওয়ার্কের ব্যবহার সম্পর্কে লেখো।

কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবহারকারীরা ফাইল, প্রিন্টার ও অন্যান্য সম্পদ ভাগাভাগি করে ব্যবহার করতে পারেন, একে অপরের কাছে বার্তা পাঠাতে পারেন এবং এক কম্পিউটারে বসে অন্য কম্পিউটারে প্রোগ্রাম চালাতে পারেন। নেটওয়ার্ক এর বাংলা অর্থ বিস্তীর্ণ জালিকা ।

নেটওয়ার্ক : নেটওয়ার্ক হচ্ছে এমন একটি ব্যবস্থা, যা দুই বা তার বেশি কম্পিউটারকে কোনো মাধ্যমে যুক্ত করে তথ্য কিংবা উপাত্ত দেওয়া-নেওয়া করা যায়।

এক কম্পিউটারকে আরেক কম্পিউটারের সাথে যুক্ত করে তথ্য ও ডিভাইস শেয়ার করার পদ্ধতিই হলাে নেটওয়ার্কিং  কম্পিউটার নেটওয়ার্ক মানে কি, বিষয়টা অনেক সহজেই বুঝা যেতে পারে যদি   যখন একাধিক কম্পিউটার পরস্পরে কোনো তার বা বেতার (wired or wireless) মাধ্যমে সংযুক্ত (connected) হয়ে থাকে তখন সেটাকেই বলা হয় নেটওয়ার্ক।

সাধারণ দুটি কম্পিউটার পরস্পরে সংযুক্ত থাকাটাকেও নেটওয়ার্ক বলা হয় আবার হাজার লক্ষ কম্পিউটার ডিভাইস পরস্পরে সংযুক্ত থাকলে সেটাও একটি নেটওয়ার্ক।

আর এভাবেই, যখন কম্পিউটার গুলো পরস্পরে কোনো মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে থাকে তখন তারা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ (communication), ডাটার আদান প্রদান, শংসাধনের আদান প্রদান ইত্যাদি করতে পারেন।

কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এর মধ্যে একসাথে একাধিক, হাজার, লক্ষ কম্পিউটার ডিভাইস পরস্পরে সংযুক্ত হয়ে থাকে।  আর নেটওয়ার্ক এর মধ্যে connected থাকা প্রত্যেক computer device গুলোকে বলা হয় “node“.

নেটওয়ার্ক এর কাজ কি ? (What Do Networks Do)

নেটওয়ার্ক বলতে কি বুঝায় বিষয়টা জেনে নেওয়ার পর, চলুন এবার আমরা নেটওয়ার্ক এর কিছু কাজ গুলোর বিষয়ে জেনেনেই।

তথ্যের আদা

ন প্রদান করার ক্ষেত্রে একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বিভিন্ন ধরণের কাজ গুলো করে থাকে।

 নিচে এমন কিছু সাধারণ কাজ গুলোর বিষয়ে বলে দিচ্ছি যেগুলো করার ক্ষেত্রে একটি নেটওয়ার্ক এর প্রয়োজন।

1. Email, video, instant messaging ইত্যাদির মাধ্যমে যোগাযোগ (communication) করা।

2. Printers, scanners এবং photocopiers এর মতো বিভিন্ন device গুলোকে শেয়ার করার ক্ষেত্রে।

3. একটি কম্পিউটার ডিভাইস থেকে আরেকটি কম্পিউটারে file share করার ক্ষেত্রে।

4. বিভিন্ন remote system গুলোর মধ্যে software এবং operating programs গুলোকে শেয়ার করা।  

5. Network user দের বিভিন্ন information এবং data গুলোকে access এবং maintain করার সুবিধা দেওয়া।

 

কম্পিউটার নেটওয়ার্ক-এর ১০টি ব্যবহার:

১) কম্পিউটারে ফাইল ভাগাভাগি: নেটওয়ার্ক যুক্ত কম্পিউটারগুলোর মধ্যে সহজেই ফাইল ভাগাভাগি করা যায়। ফলে এক কম্পিউটার জমা ফাইল অন্য কম্পিউটার থেকে প্রবেশ করা যায়।

 ২) হার্ডওয়্যার রিসোর্স ভাগাভাগি : হার্ডওয়্যার রিসোর্স ভাগাভাগি কম্পিউটার নেটওয়ার্কের একটি প্রধান সুবিধা। এক কম্পিউটারে সাথে যুক্ত পিন্টার অন্য কম্পিউটার থেকে প্রিন্ট করা যায়। তাছাড়া এক কম্পিউটারে হার্ডডিস্কে জমা কৃত তথ্যগুলো প্রবেশ করা যাবে কিংবা রক্ষণাবেক্ষণ করা যায়।                                                                  

৩) সফটওয়্যার রিসোর্স ভাগাভাগি : সব কম্পিউটারে একই সফটওয়্যার ইনস্টল না করে ভিন্ন ভিন্ন কম্পিউটারে ভিন্ন ভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহার করে ভাগাভাগি করা যায়।                                            

 ৪) খরচ কম হয় : রিসোর্স ভাগাভাগি এর ফলে সিস্টেম বাস্তবায়ন খরচ কম হয়।                                                       

৫) বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি : একই ফাইলের একাধিক কপি বিভিন্ন কম্পিউটারে রক্ষানাবেক্ষণ করা সম্ভব হয়।যার ফলে কোনো একটা কপি মুছে গেলে তা অন্য কম্পিউটার থেকে নেওয়া সম্ভব হয়। যার ফলে মানুষের নেটওয়ার্কের প্রতি বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি পায়।

                                                                                                                             ৬) কাজের সুষম বন্টন : কোনো কম্পিউটারে যদি কাজের চাপ বেশি হয তাহলে তা অলস কম্পিউটারে বন্টন করে অতি তাড়াতাড়ি করা সম্ভব হয়।                                                                                                                                             

 ৭) অনেক আউটপুট দেয়: নেটওয়ার্কের ফলে স্বল্প সময়ে অধিক ফলাফল পাওয়া যায়।                                                  

 ৮) অতি তাড়াতাড়ি কাজ করা যায়: একই সাথে একাধিক কম্পিউটার কাজ করার ফলে অতি তাড়াতাড়ি কাজ করা সম্ভব হয়।                                                                                                                                                                               

 ৯) ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট : কম্পিউটার নেটওয়ার্কের ফলে কোনো প্রকিষ্ঠানের সকল ডেটা সার্ভারে রক্ষানাবেক্ষণ থাকার কারণে কেন্দ্রীয়ভাবে সেগুলো ব্যবস্থাপনা, নিয়ন্ত্রণ, রক্ষণাবেক্ষণ বা জমা রাখা ইত্যাদি কাজ সহজ হয়।

                     

১০) যেকোন জায়গায় বসে কাজ করা যায়: দূরে বসেও নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অফিসের বা বাসা বাড়ির কাজ করা সম্ভব হয়। যার ফলে দূরে বা কাছে অব্যাহত বা নিরবিচ্ছিন্নভাবে কাজ করা সম্ভব হয়।

  ১১) সুনির্দিষ্ট নিরাপত্তা : শুধু মাত্র নির্দিষ্ট ব্যবহারকারীরােই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করতে পারে। যার ফলে গোপনীয়তা রক্ষা পায়।

মন্তব্য করুন

ব্লগ