সহকারী শিক্ষক
০৮ জানুয়ারি, ২০২৫ ১২:১৮ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
নওগাঁর বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠজুড়ে এখন হলুদের ঢেউ। জেলার বিভিন্ন এলাকায় শর্ষেখেতে ফলন আসায় এমন চোখজুড়ানো দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। এসব খেতের পাশেই মৌবাক্স বসিয়েছেন মৌচাষিরা। এতে মৌমাছির মাধ্যমে শর্ষে ফুলের পরাগায়নে সহায়তা হচ্ছে।
এর ফলে একদিকে শর্ষের উৎপাদন বাড়ছে, অন্যদিকে মধু আহরণ করা যাচ্ছে। সমন্বিত এই চাষে কৃষক ও মৌচাষি উভয়ই লাভবান হচ্ছেন।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর নওগাঁ জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, জেলার ১১টি উপজেলায় এ বছর ৬০ হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে শর্ষের আবাদ হয়েছে। গত রোববার পর্যন্ত ৮ হাজার ৩০০টি মৌবাক্স স্থাপন করে মধু সংগ্রহ করছেন ৮২ জন মৌচাষি। চলতি মৌসুমে ২ লাখ ৭০ হাজার কেজি (২৭০ মেট্রিক টন) মধু সংগ্রহ করা যাবে বলে ধারণা করছে কৃষি বিভাগ। প্রতি কেজি মধু ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও এবার জেলায় শর্ষের ফুল থেকে প্রায় ১০ কোটি ৮০ লাখ টাকার মধু সংগ্রহ হতে পারে।
এবার মান্দা উপজেলায় সবচেয়ে বেশি শর্ষের আবাদ হয়েছে, যার পরিমাণ ১ হাজার ৭০০ হেক্টর। উপজেলার তেঁতুলিয়া, ভারশো, পরানপুর, কালিকাপুর ও ভালাইন ইউনিয়নের বিভিন্ন মাঠে শর্ষেখেতের পাশে ৫০ জন মৌচাষি মৌখামার করেছেন।
মান্দা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শায়লা শারমিন বলেন, শর্ষেখেতে মৌমাছির আনাগোনা থাকলে শর্ষের ফলন স্বাভাবিকের চেয়ে ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ বেশি বাড়ে। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, মৌমাছি শর্ষের ফুলে যে পরাগায়ন ঘটায়, তাতে শর্ষের দানা ভালো হয় ও ফলন বাড়ে। যে শর্ষেখেতে মৌমাছির আনাগোনা থাকে না, সেখানে ফলন কম হয়।
১
১ মন্তব্য