সিনিয়র শিক্ষক
২৯ জানুয়ারি, ২০২৫ ০৭:২৩ অপরাহ্ণ
সিনিয়র শিক্ষক
পারস্পরিক বন্ধুত্ব ও মহব্বত যেন তোমাদেরকে সুবিচার থেকে বিরত না রাখে। এবং দ্বিতীয় আয়াতে বলা হয়েছে যে, কারও দুশমনী যেন তোমাদেরকে ইনসাফ থেকে বিরত না রাখে। কেননা, সকল অবস্থায় আদল ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করাই হচ্ছে তাকওয়ার নিদর্শন।
বর্তমান সময়ের মতো, পূর্বেও ইহুদি এবং খ্রিস্টানরা ইসলামের প্রকাশ্য দুশমন ছিল। এতদসত্ত্বেও রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর জবান মোবারক হতে অহীয়ে ইলাহীর এই বাণী ঘোষিত হয়েছে, ‘বল আল্লাহ যে কিতাব অবতীর্ণ করেছেন, আমি তাতে বিশ্বাস করি এবং আমি তোমাদের মাঝে ন্যায় বিচার করতে আদিষ্ট হয়েছি, আল্লাহপাকই আমাদের এবং তোমাদের প্রতিপালক। আমাদের কর্ম আমাদের ওপর এবং তোমাদের কর্ম তোমাদের ওপর বর্তাবে। আমাদের ও তোমাদের মাঝে কোনো বিবাদ-বিসম্বাদ নেই। আল্লাহই আমাদের একত্রিত করবেন এবং তারই নিকট প্রত্যাবর্তন করতে হবে। (সূরা বাকারাহ: রুকু ২)।
এই আয়াতে কারীমায় যে আদল ও ইনসাফের কথা বলা হয়েছে, তার কয়েকটি দিক রয়েছে। যেমন- ১. যে সত্যতা আমার নিকট এসেছে তাকে আমি বারবার তোমাদের নিকট পৌঁছে দেব। ২. শুধু কেবল ধর্মীয় বিরোধিতার কারণে তোমাদের প্রতি বে-ইনসাফী করা যাবে না। বরং তাই করা হবে, যা আদল ও ইনসাফের পরিচায়ক।
১৪
২১ মন্তব্য