সহকারী শিক্ষক
৩০ জানুয়ারি, ২০২৫ ০৬:৩৪ অপরাহ্ণ
ডিজিটাল কনটেন্ট দিয়ে পাঠদান
ব্যবহারের মাধ্যমে পাঠ্যবিষয়কে সহজ এবং শিখন-শেখানো প্রক্রিয়াকে অংশগ্রহণমূলক, আকর্ষণীয় ও আনন্দদায়ক করে তোলা। কনটেন্টসমূহ শ্রেণিকক্ষে ব্যবহারের মাধ্যমে শ্রেণিকক্ষকে শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক শ্রেণিকক্ষে পরিণত করা। পাঠদানকে অধিকতর মনোযোগ আকর্ষণ করা এবং বিষয়ভিত্তিক ধারণা স্পষ্ট করা ও উন্নততর প্রয়োগ। পাঠ্য সম্পর্কে শিক্ষকের অনুধাবন বৃদ্ধি। শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উভয়ের জন্য স্ব-শিক্ষণের ব্যবস্থা করা। আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তির সঙ্গে প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের পরিচিত করানো।
যেহেতু জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি)-২০৩০-এর লক্ষ্যমাত্রা-০৪ এ টেকসই, গুণমানসম্পন্ন, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য অত্যধিক গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে; সেহেতু জেলা প্রশাসন, খুলনার উদ্যোগে ইতিমধ্যেই উপর্যুক্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে অচল ল্যাপটপসমূহ ও ডিজিটাল ক্লাসরুমের উপকরণাদি পুরোপুরি সক্রিয় করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে জেলার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যার্থে বরাদ্দকৃত অর্থ (টিআর, এডিপি প্রভৃতির বরাদ্দ) থেকে সকল স্কুলে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ল্যাপটপ ও ডিজিটাল ক্লাসরুম উপকরণ সরবরাহ করা হচ্ছে।
পরিশেষে বলা যায়, শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড আর উন্নয়নের শিখরে আরোহণের জন্য শিক্ষাব্যবস্থাকে যুগোপযোগী ও তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর করার কোনো বিকল্প নেই। আর শিক্ষাব্যবস্থার ডিজিলাইজেশনের ক্ষেত্রে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া দরকার প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থায়, কেননা একটি জাতির মূল ভিত্তিই রচিত হয় শিশুদের প্রদত্ত শিক্ষা কার্যক্রমের ভিত্তিতে। আর এ কারণেই উন্নত দেশগুলোতে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়। ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’-এর রূপকার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার কর্তৃক প্রাথমিক শিক্ষার ডিজিটালাইজেশনে যথেষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। আর এরই আলোকে জেলা প্রশাসন, খুলনার উদ্যোগে শতভাগ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ডিজিটাল ক্লাসরুম ও ডিজিটাল কনটেন্ট সরবরাহের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পাশাপাশি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে বিভিন্ন ইনোভেটিভ কার্যক্রমও গ্রহণ করা হচ্ছে। আশা করা যায়, ২০১৯ সালের মধ্যেই শতভাগ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ডিজিটালাইজেশন কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।
৭
৬ মন্তব্য