সহকারী শিক্ষক
০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০৮:৫১ পূর্বাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
আজকে যা ঘটনা, আগামী দিনে তা স্মৃতি। প্রতিটি মানুষের জীবনে তার শৈশবের কিছু স্মৃতি তার মনে উজ্জল হয়ে বিরাজ করে। আমার জীবনে ও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি।নিজের মনের অজান্তে মাঝে মধ্যে আমি হারিয়ে যায় আমার শৈশবের দিন গুলিতে। আর মনের মাঝে তখন ব্যদনার একটি হালকা অনুভূতি বয়ে যায়, সত্যিই শৈশব স্মৃতি স্নেহ, মমতা আর ভালোবাসার উপাদানে গড়া। তাই তো আমার মন গেয়ে উঠে
একবার যেতে দেয় না আমার ছোট্ট সোনার গায়।
যেথায় কোকিল ডাকে কুহু কুহু
দোয়েল ডাকে মুহু মুহু
নদী যেথায় ছুটে চলে আপন ঠিকানায়।
আমার শৈশবকালের পুরোটাই কেটেছে গ্রামে। বাবা , মা আর ভাইবোনদের পরম যত্নে। আমার শৈশবকাল ছিল পুরোটাই অন্যরকম। আমার গ্রামের নাম হাজির ঘোনা। এটি শিলখালী ইউনিয়নের একটি গ্রাম। আমাদের গ্রামটি ছায়া ডাকা, পাখি ডাকা গাছ গাছালী ও প্রকৃতি পল্লবে সাজানো অপরূপ সুন্দর কটি গ্রাম। কখনো কঝখনো দেখা যায় মাটে, ময়দানে সবুজের সমারোহ, ফসলের ক্ষেত দেখে মনে হয় সবুজে সবুজে যেন গভীর মিতালী। আবার কখনো দেখি সবুজের মাটে হলুদ আভা ছড়িয়ে আছে। যেন দেখে মনে হয় প্রকৃতি সেজে আছে তার আপন রুপে নবান্নের আগমনে। আমার গ্রাম টি সুন্দর একটি গ্রাম যার কথা ভাবতে আমার হ্রদয় ছুয়ে যায়।
আবার মনে পড়ে আমার শৈশবের স্কুল জীবনের সূচনার কথা । সবেমাত্র পুস্তক বই শেষ করেছি (মদন মোহন তর্কা লংকারের)।স্কুলে যাওয়ার প্রবল আগ্রহ কিন্তু বয়সের কারণে যেতে পারছি না। এর কয়েকদিন পর বাড়ির পাশের একটি স্কুলে ভর্তি হই। জীবনের ১ম পরীক্ষা এবং ১ম বিদ্যালয়ে আশা মনে এক অন্যরকম অনুভূতি জোগাচ্ছিল। তারপর ফলাফল দিল। ১ম হলাম। অনেক খুশি লাগছিল।
আমি আমার শৈশবের আরেকটি সমঋতির কথা উল্লেখ করে আমার বক্তব্য শেষ করব।সেই ঘটনাটি আমার দাদার বাড়ির। ঈদ উপলক্ষে বরাবরই বাবা একটি বড় আকারের খাসি কিনতেন। অধিকাংশ তা এলাকার সর্ববৃহৎ হতো। আমি সেই বার ছাগল কিনে আনার পর তা নিয়ে পাড়ায় বের হয়েছি। বন্ধুদের দেখানোর জন্য । হঠাৎ আমার কাছ থেকে ছাগল টি প্রচন্ড শক্তিতে ছুটে যায়। আমি বহু চেষ্টা করেও ছাগল টি ধরে রাখতে পারিনি। অবশেষে কাদঁতে কাদঁতে বাড়ি আসি। সবাই বিষয়টি বুঝতে পেরে ছাগল টি খুজতে বের হয়ে গেল। এই সব স্মৃতি ছাড়াও আরও বহু স্মৃতি আমার মনকে নাড়া দেয়। এই বলে সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে আমার বক্তব্য এখানে শেষ করলাম।
৩
৩ মন্তব্য