Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ১২:৪৩ অপরাহ্ণ

যাকাত যে ব্যক্তিগতভাবে আদায় করা যায় না, তার আরো প্রমাণ রয়েছে


হিজরী  একাদশ  সনে  হযরত  মা'আজ  ইবনে  জাবালকে  (রা)  যখন  ইয়ামেনের  গভর্নর  করে  পাঠানো  হয়,  তখন  রসূলুল্লাহ (স)  একটি  দীর্ঘ  নীতিমালা  ঘোষণা  করেছিলেন । তিনি  তাকে  একটি  একটি  করে  নির্দেশনার  বাস্তবায়ন  করতে  বলেছিলেন- প্রথমে  তুমি  কালেমা  বা  বিশ্বাসের  দাওয়াত  দেবে।  যদি  অধিবাসীরা  তা  মেনে  নেয়  তখন  নামাজের  দাওয়াত  দেবে।  যদি তাও  মেনে  নেয়  তারপরে  যাকাতের  কথা  বলবে।  যাকাত  ধনীদের  কাছ  থেকে  সংগ্রহ  করবে  এবং  গরীবদের  মধ্যে  বিতরণ  করবে।

এখানে  ব্যক্তিগতভাবে  যাকাত  আদায়ের  কথা  বলা  হয়  নি।  

আবার  নবীজী  (স)  একবার  যাকাত  সংগ্রহকারীদের  নির্দেশনা  দেন,  তোমরা  যাকাত দাতাদের  ভালো  ভালো  জিনিসগুলো আনবে  না।  গড়পড়তা  করে   ভালো-মন্দ  মিলিয়ে  আনবে।  আবার  যাকাত দাতাদের কে  নির্দেশনা  দেন,  যখন  যাকাত   সংগ্রহকারীরা  যাবে   তখন  তোমরা  বেছে  বেছে  কেবল  খারাপ  মালগুলো  দেবে  না।  (যাকাত  বলতে  শুধু  টাকা  পয়সা   বোঝায়  না,  ফল-ফসল,  উট-বকরীও  বোঝায়।)

 অর্থাৎ,  একাকী  যাকাত  দিতে  গিয়ে  বেছে  বেছে  খারাপগুলোই  দেবার  যে  মানসিকতা  কারো  কারো  মধ্যে  তৈরি  হতে পারত , সেই  সম্ভাবনাটা  দূর  হয়েছে  এই  নির্দেশনার  মাধ্যমে। 

মন্তব্য করুন

ব্লগ