Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০৮:২৯ পূর্বাহ্ণ

যেসব ফল খেলে কমবে বদহজম, দূর হবে এসিডিটি

কিছু খেলেই বদহজমের সমস্যায় ভোগেন অনেকে। সারাক্ষণ এসিডিটি, গ্যাস, পেট ফেঁপে থাকা- এসব অসুবিধা সঙ্গী হয়ে থাকে। এসব কিছু নির্ভর করে আপনি কী খাচ্ছেন তার পাশাপাশি কখন খাচ্ছেন, খাবার খাওয়ার আগে-পরে কী কী করছেন, এগুলোর ওপর।

অনেকেরই নিয়মিত ফল খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে।প্রতিদিন কয়েকটি ফল খেতে পারলে এই বদহজমের সমস্যা দূর হবে। কারণ এসব ফল খেয়াল রাখবে অন্ত্রের স্বাস্থ্যের। কোন কোন ফল খেলে অন্ত্র ভালো থাকবে এবং বদহজম, এসিডিটি, গ্যাস হবে না, দেখে নিন সেই তালিকা। 

কলা

কলার মধ্যে রয়েছে ফাইবার ও প্রিবায়োটিকস।এই ফল খেলে অন্ত্রে ভালো ব্যাকটেরিয়া তৈরি হয়। বদহজমের সমস্যা দূর হয়। কলায় প্রচুর ফাইবার থাকার ফলে এটা খেলে অনেকক্ষণ পেট ভরে থাকবে।

আনারস

আনারসে রয়েছে ব্রোমেলাইন নামের উৎসেচক যা বদহজম এবং পেট ফেঁপে থাকার সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।আনারস টুকরো করে খেতে পারেন। আবার রস করেও খেতে পারেন। 

অ্যাভোকাডো

অ্যাভোকাডোর মধ্যে রয়েছে ফাইবার ও হেলদি ফ্যাট। এই দুই উপকরণই অন্ত্রের স্বাস্থ্যের খুব ভালোভাবে খেয়াল রাখে। ব্রেকফাস্টে টোস্টের সঙ্গে মাখনের পরিবর্তে অ্যাভোকাডো পেস্ট দিয়ে খাওয়ার চল হয়েছে এখন।

বেদানা

বেদানার মধ্যে পলিফেনল ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টস রয়েছে। এগুলো অন্ত্রে ভালো ব্যাকটেরিয়া তৈরি করে, যা অন্ত্রের খেয়াল রাখে। বেদানা খেলে হিমোগ্লোবিনের মাত্রাও বাড়ে শরীরে। ফলে কমে রক্তাল্পতার সমস্যা।

পাকা পেঁপে

পাকা পেঁপের মধ্যে থাকা প্যাপাইন নামের উৎসেচক প্রোটিন জাতীয় খাবার সহজে হজম হতে সাহায্য করে। লিভার ভালো রাখে এই ফল। পাকা পেঁপে খেলে ত্বকের কালচে দাগছোপও দূর হয়।

আপেল

আপেলে রয়েছে পেকটিন নামের একটি ফাইবার, যা অন্ত্রের স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখার জন্য এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া তৈরিতে সাহায্য করে। আপেলেও রয়েছে প্রচুর ফাইবার। এই ফল কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে হার্ট ভালো রাখে।

জামজাতীয় ফল

বিভিন্ন ধরনের জামের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টস ও ফাইবার। যা অন্ত্রের স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখে। বদহজমের সমস্যা কমায়। স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি, র‍্যাসপবেরি খেতে পারেন।উল্লিখিত ফলগুলো নিয়ম করে খেলে ভালো থাকবে শরীর-স্বাস্থ্য। তবে এসব ফল খুব বেশি পরিমাণে খেলে হিতে বিপরীত হয়ে বদহজমের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই সতর্ক থাকুন। আর সর্বদা যেকোনো সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

মন্তব্য করুন

ব্লগ