Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০৮:২৪ পূর্বাহ্ণ

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিয়মিত নজর রাখুন|

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিয়মিত নজর রাখুন:

রক্তচাপ ও রক্তে শর্করার মাত্রা– সুস্থ থাকতে এগুলো নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা জরুরি।

এই চারটি বিষয়কে বিদায় দিন:

বয়স নিয়ে দুশ্চিন্তা নয়, সময়ের সাথে মানিয়ে নিন।

অতীতের ভুল নিয়ে সারাক্ষণ অনুশোচনা করা বন্ধ করুন।

দুঃখকে সঙ্গী করে না রেখে জীবনের সুন্দর দিকগুলোর দিকে নজর দিন।

উদ্বেগ ও মানসিক চাপ থেকে মুক্ত থাকার চেষ্টা করুন।

যেসব খাবার যতটা সম্ভব কম খাবেন:

অতিরিক্ত লবণ পরিহার করুন।

পরিমিত চিনি গ্রহণ করুন।

চর্বিযুক্ত খাবার কমান।

অতিরিক্ত ভাজা খাবার এড়িয়ে চলুন।

বাইরের প্রসেসড খাবার যতটা সম্ভব বাদ দিন।

যেসব খাবার খাদ্য তালিকায় বেশি রাখবেন:

বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি।

সীম, মটরশুঁটি ও অন্যান্য সবুজ শাক-সবজি।

মৌসুমি ফলমূল।

স্বাস্থ্যকর বাদাম।

পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার।

সুখী ও মানসিক শান্তির জন্য যা সঙ্গে রাখবেন:

একজন সত্যিকারের ভালো বন্ধু।

পরিবার ও কাছের মানুষদের সান্নিধ্য।

ইতিবাচক চিন্তাভাবনা।

নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক আশ্রয়।

ছোট ছোট আনন্দ উপভোগ করার মানসিকতা।

অপ্রয়োজনীয় অর্থ নিয়ে চিন্তিত না থাকা।

কিছু সময় আত্মিক বা আধ্যাত্মিক চিন্তায় ব্যয় করা।

এই ছয়টি অভ্যাস রপ্ত করুন:

অহংকারকে দূরে রাখুন।

সবার সাথে হাসিমুখে কথা বলুন।

সদাচরণ ও নম্রতা বজায় রাখুন।

প্রতিদিন অন্তত কিছুক্ষণ হাঁটার অভ্যাস করুন।

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন।

সহজ-সরল জীবন যাপন করুন।

এই সাতটি বিষয় এড়িয়ে চলুন:

ঋণগ্রস্ত হওয়া।

অতিরিক্ত লোভ করা।

আলস্য ও কর্মবিমুখতা।

অন্যের প্রতি ঘৃণা পোষণ করা।

সময়ের অপচয় করা।

পরচর্চা ও পরনিন্দা করা।

ধূমপান, মদ্যপান বা যে কোনো আসক্তি থেকে দূরে থাকা।

এই পাঁচটি ভুল কখনো করবেন না:

অতিরিক্ত ক্ষুধা নিয়ে খাবার গ্রহণ।

প্রচণ্ড তৃষ্ণায় হঠাৎ অনেক পানি পান করা।

খুব দুর্বল শরীরে ঘুমাতে যাওয়া।

চরম ক্লান্ত অবস্থায় বিশ্রাম নেওয়া।

অসুস্থতার চূড়ান্ত পর্যায়ে না গিয়ে আগে থেকেই চিকিৎসা নেওয়া।

সচেতন থাকুন, সুস্থ থাকুন, সুস্থ জীবন উপভোগ করুন!

 

মন্তব্য করুন

ব্লগ