Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০২:১২ অপরাহ্ণ

চেতনায় একুশ সম্পর্কে অসাধারণ বক্তব্য

আমাদের জাতিগত বিকাশের যে সুদীর্ঘ যাত্রা সে পখে একুশ এক আলোকবর্তিকা হয়ে জবলে আছে।আসাদের স্বাতন্ত্র্যবোধ আর গৌরবের চেতনা হয়ে একুশ মিশে আছে ইতিহাসের প্রতিটি পাতায়। সময়ের এই পৃষ্ঠাতেই লেখা হয়েছে আমাদের ভাষাগত মূল্যবোধ এবং অধিকার আদায়ের তাৎপর্য কে।হ্যা,আমরা সেি জাতি যারা নিজেদের বাষার জন্য প্রাণপণ যুদ্ধে নেমেছিরাম,বুকের তাজা রক্ত দি কিনেছিলাম বর্ণমালা কে।মায়ের ভাষা রক্ষা করার জন্য নিজের জীবন বিপন্ন করার এমন নজির আর কোথাও নেই।একুশ েেমন এক চেতনা যা আমাদের পরবর্তী ইতিহাস কে প্রভাবিত করেছে।পাকিস্তান রাষ্ট্রের নির্যাতন, অত্যাচার কে ুউম্মোচন করেছিল একুশ।এই ভূখন্ডের মানুষ কে নিজেদের সম্পর্কে সচেতন করে তুলতে এবং আত্ম প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম কে এগিয়ে নিতে প্রভাবিত করেছিল একুশ। ৭১ এর বীজ বোপন করেছিল একুশ। 

১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পরে আমাদের ভূখন্ড যুক্ত হয় পাকিস্তানের সাথে। পাকিস্তানের ৫৪% লোকের ভাষা বাংলা। সেখানে ১৯৪৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সমাবর্তনে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ্লেন- Urdu & Urdu shall be the state language of Pakistan. " 

সাথে সাথে বাংলার ছাত্র সমাজ এর তীব্র নিন্দা জানায়। আক্রমণ ই ছিল আমাদের ভাষার  উপর।বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে জেগে উঠে ছাত্র সমাজ।সভা স্লোগানে ফেটে পড়ে ছাত্ররা।১৯৪৮ থেকে ১৯৫১ পর্যন্ত চলতে থাকে এ আন্দোলন। ৫২ এর ফেব্রুয়ারিতে এসে বিক্ষোো প্রবল রুপ নেয়।৫২ এর একুশে ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও আশেপাশের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা র্থী রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই স্লোগানে মিছিল বের করে।তাদের দমাতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। সেই ১৪৪ ধারা লঙ্ঘন করেই জন্ম নেয় শহীদ দিবস।ছাত্র রা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করলে পুলিশ নির্বিচারে গুলি চালায়।সেখানে শহীদ হয় সালাম,বরকত,রফিক,জব্বার সহ নাম না জানা আরো অনেকে।যে খবর দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়রে বিক্ষোোভে ফেটে পড়ে পুরো ছাত্র সমাজ। আর এভাবেই জন্ম নেয় ইতিহাসের এক অভূতপূর্ব অধ্যায়।বাঙালি জাতি যে বীরের জাতি,সাহসী জাতি এ জাতি যে কখনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করে না তার বাস্তব প্রমাণ ১৯৫২ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারি।একুশের সেই চেতনা বাঙালি জাতিকে এগিয়ে যেতে আজো অনুপ্ররণা দিয়ে যাচ্ছে। ভবিষ্যৎতেও যাবে।একুশের সেই চেতনা বুকে নিয়ে ই আজো আমাদের ছাত্র সমাজ অন্যায় কে অন্যায় বলার সাহস করে।আজো কোন অন্যায় দেখলে যে ছাত্র সমাজ বসে থাকে না তার বাস্তব প্রমাণ ২৪.। ৫২ থেকে ২৪ দীর্ঘ  ৭২ বছর পরও একুশের চেতনা নিজের বুকে নিয়ে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। 

২১ শে ফ্রেব্রুয়ারির পরের দিনই সারা রাত জেগে শহীদদের স্মরণে তৈরি করা হয় শহীদ মিনার।পুলিশ তা ভেঙে ফেলে।কিন্তু ততক্ষণে সমগ্র জাতির ভিতর জন্ম নিয়ে নেয় একটি চেতনার বীজ।তাই আবারও গঢদড়ে উঠে শহীদ মিনার।১৯৫২ সালের সেই ঐতিহাসিক ঘটনার মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতিসত্তার জন্ম নিয়েছিল ২১ নামের চেতনা।যে চেতনা আমাদের জাতীয় জীবনে বীজমন্ত্র বপন করেছিল।আমাদের পরবর্তী সময়ে প্রতিটি আন্দোলনে দিয়ে গেছে এই আন্দোলন।  সংকট এর নানা অধ্যায়ে একুশের পথ ধরেই আমরা বারবার পেরিয়েছি।একুশ বাঙালি জাতি  চেতনাকে এনে দিয়েছে এক অমীয় স্বচ্ছতা। রাজনৈতিক চেতনা ও অধিকার  বোধে একুশ ই আমাদের করেছে সচেতন ও প্রগতিশীল।আব্দুল গাফফার চৌধুরীর " আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি 

আমি কি ভুলিতে পারি? " 

এ কালজয়ী গানটি আমাদের নিজস্বতার এক অনন্য পরিচায়ক।

১৯৫৩: সাল থেকে াামরা পালন করি শহীদ দিবস।১৯৯৯ সালে েেকুশের ে দিনটিকে ইউনেস্কো  আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। আমরা ছাড়া বিশ্বের আরো ১৯৯ টি দেশ এ দিনটাকে মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করে।

ফেব্রুয়ারি মাস এলেই আমরা রাতারাতি সবাই ভাষা সৈনিক হয়ে যাই।কিন্তু শুধু ফেব্রুয়ারি এলেই না বরং সারা বছরই আসাদের মনে একুশের চেতনা থাকতে হবে।একুশ শুধু একটি তারিখ বা সংখ্যা না একুশ আমার চেতনা, একুশ আমার গর্ব, একুশ আমার ভালোবাসা।

 তথ্য সংগ্রহ - হালিমা তুস সাদিয়া তামিমা

একাদশ শ্রেণি

মন্তব্য করুন

ব্লগ