সহকারী শিক্ষক
২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০৬:০৮ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
সবেদা বা সফেদার আদি নিবাস উত্তর আমেরিকার মেক্সিকো, মধ্য আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চল। বিদেশি ফল হলেও উষ্ণমণ্ডলীয় দেশে জন্মায় বলে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে সফেদা স্থানীয় ফলগুলোর মতোই সহজলভ্য।
অত্যন্ত মিষ্টি, মাংসল ও নরম ফলটি এ দেশে বেশ জনপ্রিয়। সুমিষ্ট সফেদা দেখতে অনেকটা আলুর তাই অনেক এলাকায় একে আলুবুট বা আলুবুটিও বলে থাকে।
মিষ্টি ফল পছন্দের তালিকায় রাখেন যারা, তারা চর্বিমুক্ত সফেদা খেতে পারেন । দ্রুত শক্তি জোগানোর পাশাপাশি এই ফল স্নায়ু শান্ত করে এবং মানসিক চাপ উপশম করে। অনিদ্রা, উদ্বেগ এবং বিষণ্নতা রোগে ভুগছেন, এমন রোগী সফেদা খেতে পারেন।
তুলনামূলকভাবে সস্তা এই ফল অনেকে পছন্দ করে খেলেও এখনো এই ফল আঙুর, আপেল বা কমলার মতো কদর পায়নি। সফেদার পুষ্টিগুণ সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানি না। অথচ অন্য ফলগুলোর তুলনায় এর পুষ্টিগুণ কম নয়। এতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন, খনিজ পদার্থ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ট্যানিনের মতো উপকারী উপাদান। এ ছাড়া এতে ফোলেট, পাইরিডক্সিন, থায়ামিন, রিবোফ্লোবিন, প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড, ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি রয়েছে।
সফেদার আঁশ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। গ্যাস্ট্রিক ও বুক জ্বালাপোড়া কমায়। অন্ত্রের ক্যানসার সৃষ্টিকারী ক্ষতিকর রাসায়নিক তৈরিতে বাধা দেয়। এভাবে সফেদা ক্যানসার প্রতিরোধ করে। সফেদায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, লোহা ও ফসফরাস, যা হাড়ের গঠন মজবুত করে। ত্বক ও চোখ ভালো রাখে। এ ছাড়া মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যও ভালো রাখে। সফেদা কফ বসে যাওয়া এবং কাশি থেকে উপশম করতে সাহায্য করে। শ্বাসকষ্ট দূর করে এবং ফুসফুস ভালো রাখে। আধা পাকা সফেদা পানিতে ফুটিয়ে কষ বের করে খেলে ডায়রিয়া ভালো হয়। সফেদা ওজন কমাতেও সাহায্য করে।
৮
৮ মন্তব্য