সহকারী শিক্ষক
২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০৩:২৬ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
আমরা যখন চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের (ফোর আইআর) যুগে প্রবেশ করছি, তখন আমরা শিল্প, সমাজ এবং দৈনন্দিন জীবনে উন্নত প্রযুক্তিগুলো ক্রমশ সংহত করছি। যদিও ফোর আইআর উদ্ভাবন, দক্ষতা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দেয়; এটি এর অবক্ষয়মূলক (ডিজেনারেটিভ) বিকাশ এবং সংহতিনাশক (ডিসরাপটিভ) প্রকৃতিজনিত উদ্বেগ নিয়েও কাজ করে। এ খাতের নেতাদের জন্য তাদের কর্মকাণ্ডের বৃহত্তর প্রভাবগুলো সম্পর্কে সাবধান থাকা জরুরি, যাতে এ অগ্রগতি সামগ্রিকভাবে সমাজকে উপকৃত করে এবং সমাজে অস্থির পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়।
ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম পূর্বাভাস দিয়েছে যে, ২০২৫ সালের মধ্যে প্রায় সাড়ে আট কোটি চাকরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-সক্ষম মেশিন দ্বারা প্রতিস্থাপিত হতে পারে, যা সংশ্লিষ্টদের মধ্যে চাকরিচ্যুতি এবং ভবিষ্যতে কর্মসংস্থান নিয়ে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। বাংলাদেশে শ্রমশক্তির একটি বড় অংশ অদক্ষ, জনসংখ্যার ২৮ শতাংশের প্রতিনিধিত্বকারী তরুণদের মধ্যে ১৪ শতাংশেরও কম বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি অর্জন করেছে এবং তারা ফোর আইআর সম্পর্কিত দক্ষতা অর্জন করেনি। ফলে ফোর আইআর প্রযুক্তির অপরিপক্ব প্রয়োগ সামাজিক অস্থিরতা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। এই প্রযুক্তিগুলো প্রয়োগের আগে পুঙ্খানুপুঙ্খ মূল্যায়ন এবং সতর্ক পরিকল্পনা করা অত্যন্ত জরুরি। উৎপাদন, সেবা, শিক্ষা এবং সমাজের ওপর ফোর আইআরের সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে একটি সম্যক ধারণা গঠন দরকার, যা একটি সুষম ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পদ্ধতি বিকাশের জন্য অপরিহার্য।
৭
৬ মন্তব্য