Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৪ মার্চ, ২০২৫ ০৯:৩৬ পূর্বাহ্ণ

ইফতারের ফজিলত ও গুরুত্ব

                                        ইফতারের ফজিলত ও গুরুত্ব

ইফতার অর্থ ভাঙ্গন বা বিরতি, যা সিয়াম বা রোজা ভাঙ্গার সময় বোঝায়। ইসলাম ধর্মে ইফতারের বিশেষ ফজিলত ও গুরুত্ব রয়েছে। কুরআন ও হাদিসে ইফতারের ব্যাপারে অনেক মর্যাদা ও পুরস্কারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

১. ইফতারের সময় দোয়া কবুল হয়

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
"
তিন ব্যক্তির দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না— ন্যায়বান শাসক, রোজাদারের ইফতারের সময়, ও মজলুমের (অত্যাচারিত ব্যক্তির) দোয়া।"
—(তিরমিজি: ২৫২৬)

২. রোজাদারদের জন্য বিশেষ পুরস্কার

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন:
"
আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘রোজা আমার জন্য, আর আমি নিজে এর প্রতিদান দেব। রোজাদারের জন্য দুটি আনন্দ রয়েছে: একটি হলো ইফতারের সময়, আরেকটি হলো যখন সে তার রবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে।'"
—(বুখারি: ১৯০৪, মুসলিম: ১১৫১)

৩. ইফতার করানো মহা পূণ্যের কাজ

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন:
"
যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে ইফতার করাবে, সে রোজাদারের সমপরিমাণ সওয়াব পাবে, তবে রোজাদারের সওয়াবে কোনো ঘাটতি হবে না।"
—(তিরমিজি: ৮০৭)

৪. সময়মতো ইফতার করা সুন্নত

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
"
মানুষ যতদিন তাড়াতাড়ি ইফতার করবে, ততদিন তারা কল্যাণের মধ্যে থাকবে।"
—(বুখারি: ১৯৫৭, মুসলিম: ১০৯৮)

৫. ইফতারের সর্বোত্তম উপায়

ইফতার খেজুর বা পানি দিয়ে করা সুন্নত।
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলতেন:
"
তোমাদের কেউ যখন ইফতার করবে, সে যেন খেজুর দিয়ে করে। কেননা এটি বরকতময়। যদি খেজুর না পায়, তবে পানি দিয়ে করুক, কেননা এটি পবিত্র।"
—(আবু দাউদ: ২৩৫৫, তিরমিজি: ৬৯৪)

উপসংহার

ইফতার শুধু খাদ্য গ্রহণের মাধ্যম নয়; এটি আল্লাহর কাছে দোয়া কবুলের বিশেষ মুহূর্ত এবং এক মহান ইবাদত। তাই আমাদের উচিত যথাযথভাবে সুন্নাত মোতাবেক ইফতার করা এবং রোজাদারদের ইফতার করিয়ে সওয়াব অর্জন করা।

 

মন্তব্য করুন

ব্লগ