Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৪ মার্চ, ২০২৫ ০৮:৩৮ অপরাহ্ণ

তারাবীহ নামাজের নিয়ম

#তারাবীহ_নামাজের_নিয়ম


➡ইশার ফরয নামায ও সুন্নাত নামায শেষে তারাবীহ শুরু করতে হবে । ( তবে ইশার পর থেকে সাহরির শেষ সময় পর্যন্ত যে কোন সময় পড়া যাবে। ইশার আযানের পর ইশার নামায পড়ে নিলে হবে। এরপর ১১,১২ টার দিকে বা একটু ঘুমিয়ে ২,৩ টার দিকে পড়া যাবে )


➡দুই দুই রাকাত করে ২০ রাকাত। স্বাভাবিক ভাবে যে রকম নামাজ পড়ে ।


➡কোন নির্দিষ্ট সূরা নেই । যে কোন সূরা দিয়ে পড়া যাবে । চাইলে এক রাকাতে একাধিক সূরা পড়া যাবে তবে তা ধারাবাহিক ভাবে ।


যেমন প্রথম রাকাতে সূরা ফীল সূরা কুরাইশ সূরা মাউন এবং দ্বিতীয় রাকাতে সূরা কাওসার সূরা কাফিরূন এভাবে ধারাবাহিকতা রেখে পড়া যায় । ( কুরআন শরীফে যে ভাবে ধারাবাহিক সূরা দেওয়া আছে। )


♥এমন কি সূরা ফাতিহাসহ ( আলহামদুলিল্লাহ সূরা ) আর মাত্র যে কোন দুইটা সূরা দিয়েও সব নামায পড়া যাবে। ( সূরা ফাতিহা , সূরা কাওসার, সূরা ইখলাস এগুলো দিয়েও সব পড়া যাবে)


➡প্রতি চার রাকাত শেষ করে একটু বিশ্রাম নিতেও পারা যায় আবার নাও নিলেও সমস্যা নাই, বিশ্রাম নিলে এই সময়ে দুআ দুরুদ এস্তেগফার পড়া যায় আর এটাই উত্তম ।


(প্রচলিত দুআ ই পড়তে হবে এমন না।  ইচ্ছা মত পড়া যাবে । কিছু না পড়লেও সমস্যা নেই । )


➡৪ রাকাত পরপর মোনাজাত না করেও ২০ রাকাত শেষে মোনাজাত করা যায়। তবে চাইলে মোনাজাত করা যাবে। তবে করা ভালো । নিজের যা প্রয়োজন মোনাজাতে চাওয়া । প্রচলিত মোনাজাতই করতে হবে এমন না।   ইচ্ছা মত পড়া যাবে । কুরআন হাদিসের দুআ গুলো মুখস্থ করে পড়া যায় । 


➡প্রতি ২ রাকাত বা ৪ রাকাত শেষ হলেই মোনাজাত করতে হবে এমন না । চাইলে করা যাবে । (মোনাজাত নামাযের অংশ না)


?নিয়্যাত মনে মনে করতে হবে । ২ রাকাত তারাবীহর সুন্নাত নামাজ পড়ছি এমন ধারণা রাখতে হবে । মুখে পড়তে হবে না। নিয়ত মনের বিষয় ।


➡যদি শেষ রাতে তাহাজ্জুদ পড়ে তাহলে এই রাতে বিতর পড়বে না ( পুরুষেরা জামাতে বিতর পড়ে নিবে ) । তাহাজ্জুদ নামাজের পর বিতর পড়বে । অন্যথায় তারাবীহ এর পর বিতর পড়ে নিবে । 


➡বিতর পড়ার পরেও তাহাজ্জুদ পড়া যাবে কোন সমস্যা নেই । তবে উত্তম হলো সব শেষে বিতর পড়া।


#comebacktoAllah

মন্তব্য করুন

ব্লগ