Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৯ মার্চ, ২০২৫ ০২:৩৭ অপরাহ্ণ

কোনো এক স্থানের চাঁদ দেখা সারা বিশ্বের জন্য প্রযোজ্য কি? এক দেশের চাঁদ দেখা অন্য দেশে প্রযোজ্য নয়

কোনো এক স্থানের চাঁদ দেখা সারা বিশ্বের জন্য প্রযোজ্য কি?
আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামীন, ওয়াস্ স্বালাতু ওয়াস্ সালামু আলা রাসূলিহিল্ আমীন, আম্মা বাদঃ

অতঃপর পবিত্র রামাযান মাস এবং ঈদ নিকটে আসলেই মুসলিম সমাজে একটি বিষয়ের চর্চা বৃদ্ধি পায়; বরং সাম্প্রতি বিষয়টির চর্চা একটু বেশীই লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তা হল, পৃথিবীর কোনো স্থানে বা দেশে যদি হিলাল (১ম তারিখের চাঁদ) দেখা যায় এবং সেই সংবাদ যদি বিভিন্ন দেশে পৌঁছে যায়, তাহলে সেই খবরটি সকল মুসলিমের সাউম শুরু করা বা ছাড়ার জন্য প্রযোজ্য কি না? অনেক স্থানে এ নিয়ে তর্ক-বিতর্ক হয়। পক্ষে বিপক্ষে দলীল-প্রমাণ ও যুক্তি দিতেও দেখা যায়। আবার অনেকে এসবের তোয়াক্কা না করে অন্য দেশে চাঁদ দেখা দিলে বিশেষ করে সউদীতে দেখা দিলে তারা সউদীর সাথে সাউম পালন শুরু করে দেয় কিংবা ঈদ করে। এর ফলে একই দেশে ও সমাজে বসবাস করার পরেও কেউ এক-দুই দিন আগেই রোযা ধরে কিংবা ছাড়ে।

আর বিষয়টি এখন শুধু এই তর্কে সীমিত নেই যে, অন্য দেশে চাঁদ দেখা দিলে আমাদের জন্যও তা প্রযো‍জ্য না অপ্রযোজ্য বরং তা একধাপ এগিয়ে এই তর্কে পৌঁছেছে যে, সেই সংবাদের ভিত্তিতে পৃথিবীর সকল মুসলিমের প্রতি সাউম শুরু করা বা ছাড়া জরূরি কি না? বলতে পারেন এর থেকেও এক ধাপ এগিয়ে এখন এই তর্কে পৌঁছেছে যে, যারা এই সংবাদ পাওয়ার পরেও রোযা করে না বা ঈদ করে না, তাদের নাকি সাউম ও ঈদ হয় না, তারা নাকি বড় গুনাহগার, বিদআতী এমন কি তাদের মুসলমানিত্বেও এখন প্রশ্ন!

এই সময় কিছু নাম কে ওয়াস্তে মুসলিম এবং মডারেট মুসলিমদেরও ইসলামের কথা বলতে শোনা যায়। তারা যেহেতু এক সাথে সীমাই খেতে পারে না, একই দিনে আনন্দ শেয়ার করতে পারে না, তাই উলামাদের লক্ষ্য করে বলেঃ এদের কারণে মুসলিম সমাজে ঐক্য আসে না, এদের কারণে মুসলিমরা এক হতে পারে না, এদের কারণেই মুসলিমদের এই দুরাবস্থা। এরা অন্যান্য বিষয়ে তো মতভেদ করেই কিন্তু ঈদের মত বড় বিষয়েও মতভেদ করতে ছাড়ে না। এদের কারণেই আমরা ঈদের মত একটি বড় পর্বকে একই দিনে পালন করতে পারছি না, এক সাথে আনন্দ শেয়ার করতে পারছি না। বিশ্বের অমুসলিমরা আমাদের দিকে তাকাচ্ছে আর হাসছে। বড়ই পরিতাপের বিষয়! অতঃপর শুরু হয় বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মাসের শুরু ও শেষ হওয়ার হিসেব নিকেশ।

আমরা বক্ষ্যমান লেখাতে উক্ত বিষয়ের পক্ষে বিপক্ষে শরীয়ার দলীল প্রমাণ এবং সালাফে সালেহীন ও উলামাগণের মন্তব্য পেশ করবো, অতঃপর সেই আলোকে একটি সমাধানে আসতে সচেষ্ট হব, ইন শাআল্লাহ। ওয়ামা তাওফীকী ইল্লা বিল্লাহ।

মতভেদের কারণঃ

বিশ্বের কোনো দেশে বা প্রান্তে হিলাল দেখা দিলে এবং সেই সংবাদ বাকী দেশে ও প্রান্তে পৌঁছে গেলে, সেই সংবাদের ভিত্তিতে সকল মুসলিমের এক সাথে সাউম শুরু করা বা না করা এবং ঈদ করা বা না করার বিষয়ে যেই মতভেদ বিদ্যমান তার মুখ্য কারণ হচ্ছে দুটি:

(ক) দলীল-প্রমাণে উভয় মতের অবকাশ থাকা।
(খ) এই বাস্তবতা যে, পৃথিবীর সব স্থানে একই সময়ে চাঁদ প্রকাশ না পাওয়া।

যদি কোনো দেশবাসী রামাযান মাসের হিলাল দেখে, তাহলে তাদের দেখার ভিত্তিতে পৃথিবীর অন্যান্য সমস্ত দেশবাসীর প্রতি সাউম পালন করা জরূরী হয়ে যায়, না উদয়স্থলের তারতম্যের কারণে প্রত্যেক দেশের জন্য ভিন্ন ভিন্ন স্বতন্ত্র দর্শনের ভিত্তিতে তাদের উপর রোযা পালন করা ও ঈদ করা জরূরী হবে? এ বিষয়ে বিগত উলামাগণের দুটি মৌলিক মত পাওয়া যায়।

প্রথম মতঃচন্দ্রের উদয়স্থলের পার্থক্যের কারণে এক দেশের চাঁদ দেখা পৃথিবীর সকল দেশের জন্য যথেষ্ট হবে না; বরং প্রত্যেক দেশের জন্য স্বতন্ত্র দর্শন স্বীকৃত হবে। এই মতটি ইকরামা, কাসেম, সালেম, ইসহাক্ব সহ ইমাম শাফেয়ী ব্যক্ত করেছেন। [ফিকহ বিশ্বকোষ ২২/৩৬, আল্ মাজমূ ৫/২৭৩-২৭৫, আল্ মুগনী ৪/৩২৮]

এই মতের একটু ব্যাখ্যা স্বরূপ ইমাম নবভী বলেনঃ এই দর্শন সকল মানুষের জন্য সাধারণ ভাবে প্রযোজ্য হবে না; বরং যতখানি দূরত্বে নামায কসর করা বৈধ নয়, ততদূর পর্যন্ত স্বীকৃত হবে। আরোও বলা হয়েছে, যদি চন্দ্রের উদয়স্থল এক হয় তাহলে তাদের সকলের জন্য প্রযোজ্য হবে। [শারহু মুসলিম ৪/২০৯]

এই মতের দলীলাদিঃ

১ম দলীলঃ কুরাইব থেবে বর্ণিত যে, উম্মুল ফায্ল তাকে সিরিয়া প্রদেশে মুআবীয়ার নিকট প্রেরণ করেন। তিনি বলেনঃ “আমি সিরিয়ায় আসলাম এবং তার প্রয়োজন পূরণ করলাম। এই সময় রামাযান শুরু হল আর আমি শুক্রবারের রাতে চাঁদ দেখলাম। অতঃপর মাসের শেষে মদীনায় ফেরত আসলাম। তখন হিলালের প্রসঙ্গ উঠলেআব্দুল্লাহ বিন আব্বাস (রাযিঃ) আমাকে জিজ্ঞাসা করলেনঃ তোমরা হিলাল কখন দেখেছো? আমি বললামঃ জুমআর রাতে। তিনি বললেনঃ তুমি দেখেছিলে? আমি বললামঃ হাঁ এবং অন্য লোকেরাও দেখেছিল। তারা সকলে রোযা রেখেছে এবং মুআবীয়াও রোযা রাখেন। তখন তিনি (ইবনে আব্বাস রাযিঃ) বললেনঃ কিন্তু আমরা তো শনিবারের রাতে চাঁদ দেখেছি। তাই আমরা সাউম রাখবো যতক্ষণে ৩০ পূরণ না হয় কিংবা তা না দেখতে পাই। আমি তাকে বললামঃ আমাদের জন্য মুআবিয়ার দর্শন ও তার রোযা করা যথেষ্ট নয় কি? তিনি বললেনঃ না। আমাদের রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এমনই আদেশ করেছেন।” [মুসলিম, সিয়াম অধ্যায়, অনুচ্ছেদ নং ৫ হাদীস নং (১০৮৭]

প্রমাণকরণঃ ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) শামবাসীদের হিলাল দর্শন মদীনাবাসীদের জন্য যথেষ্ট মনে করলেন না, যা দ্বারা বুঝা যায় এক দেশের হিলাল দর্শন অন্য দেশবাসীদের জন্য প্রযোজ্য নয়।

আপত্তিঃ এটি ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) এর ব্যক্তিগত রায় তথা ইজতিহাদ, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদীস নয়।

আপত্তির উত্তরঃ
(ক) কোনো সাহাবীর উক্তি যে, ‘আল্লাহর রাসূল আমাদের আদেশ করেছেন’ কিংবা‘আমাদের আদেশ করা হয়েছে’ বা ‘আমাদের নিষেধ করা হয়েছে’বা ‘আদেশ করা হত’ বা নিষেধ করা হত’ এমন বাক্য উসূলে হাদীসের নীতিতে এবং হাদীসের পন্ডিতদের নিকট মারফু ও মুসনাদ হাদীসের অন্তর্ভুক্ত । [উলূমুল হাদীস, ইবনু সালাহ, পৃঃ ৪৯, দারুল ফিকর বৈরূতের ছাপা] তাই ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) এর উপরোক্ত হাদীস (আমাদের রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এমনই আদেশ করেছেন) একটি মারফূ ও মুসনাদ হাদীস তাঁর ইজতিহাদ বা নিজস্ব রায় নয়।

(খ) উসূলে ফিকহের নীতিতে উল্লেখ হয়েছে, সাহাবীর কথা যদি তার বিরোধিতা না করা হয়, তাহলে তা গ্রহণীয়। এই নিয়মেও ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) এর এই হাদীস গৃহীত ও আমল যোগ্য কারণ তাঁর কথার বিরোধিতা অন্য সাহাবাগণ করেন নি।

(গ) যারা এমন মন্তব্য করেন যে, এটা ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) এর ইজতেহাদ বা তাঁর ইজতেহাদ গ্রহণ করাটা আমাদের জন্য জরূরী নয়। তাঁদের চিন্তা করা উচিৎ যে, নবী (সাঃ) এর পর এমন একটি বড় বিষয়ে নবীজীর দুআপ্রাপ্ত সম্মানিত সাহাবী যাঁকে (হাবরুল উম্মাহ) ও (তুরজুমানুল কুরআন) উম্মতের পন্ডিত ও কুরআনের মুফাস্সির উপাধী দেওয়া হয়েছে, তাঁর ইজতিহাদ গ্রহণ না করা হলে এ যুগের কার ইজতেহাদ গ্রহণীয় হবে?!

২য় দলীলঃ আল্লাহর বাণীঃ
( فَمَنْ شَهِدَ منكم الشّهْرَ فَلْيَصُمْهُ )
অর্থঃ (কাজেই তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি এ মাস পাবে, সে যেন এ মাসে রোযা পালন করে) [বাকারাহ/১৮৫]

এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণীঃ
صوموا لرؤيته و أفطروا لرؤيته فإن غُبِّيَ عليكم فأكملوا عدّة شعبان ثلاثين.
অর্থঃ “তোমরা তা (চাঁদ) দেখে রোযা রাখ এবং তা দেখে রোযা ছাড়, যদি মেঘাচ্ছন্নের কারণে না দেখতে পাও, তাহলে শা’বান মাস ৩০ পূরণ করে নাও”। [বুখারী, সাউম অধ্যায়, নং ১৯০৯, মুসলিম, সিয়াম অধ্যায়]

প্রমাণকরণঃ উপরোক্ত কুরআনের আয়াতেসাউম রাখার আদেশ রামাযান মাস পাওয়ার সাথে এবং হাদীসে সাউম রাখার আদেশ চাঁদ দেখার সাথে সম্পর্কযুক্ত করা হয়েছে, যা দ্বারা বুঝা যায় যে, যাদের নিকট সেই মাস এখনও উপস্থিত হয় নি বা তারা চাঁদ দেখতে পায় নি, তাদের জন্য এই আদেশ প্রযোজ্য হয় নি। তাই চন্দ্র উদয়স্থলের পার্থক্যের কারণে ঐ দেশবাসী যাদের দেশে এখনও চাঁদ উঠেনি তাদের অবস্থা এমন যে, তারা না তো হিলাল দেখেছে আর না তাদের নিকট রামাযান মাস উপস্থিত হয়েছে, ফলে এই বিধান তাদের জন্য প্রযোজ্যও হবে না।

আপত্তিঃ যদিও তারা হিলাল দেখতে পায় নি কিন্তু অন্য সৎ মুসলিম ভাই তো দেখেছে এবং দর্শনকারীর সংবাদ তো তার কাছে পৌঁছেছে। নবী (সাঃ) অন্য সৎ মুসলিম ব্যক্তির চাঁদ দেখার সংবাদের কারণে নিজে রোযা রেখেছেন এবং সাহাবীদেরও রোযা পালনের আদেশ দিয়েছেন। ইবনে উমার (রাযিঃ) বলেনঃ “ লোকেরা হিলাল দেখা-দেখি করে, তারপর আমি রাসূল (সাঃ) কে সংবাদ দিলাম যে, আমি হিলাল দেখেছি। তাই তিনি (সাঃ) রোযা রাখেন এবং লোকদের রোযা রাখার আদেশ দেন”। [আবু দাঊদ, ২৩৪০/ইবনু হিব্বান ৩৪৪৭]

উত্তরঃ সাহাবী ইবনে উমার (রাযিঃ) কোনো এমন দেশ থেকে এসে এই সংবাদ দেন নি যে, সেই দেশে চাঁদ দেখা গিয়েছিল আর মদীনায় যায়নি। আর নবী (সাঃ) তার সেই অন্য দেশের দর্শনকে মদীনাবাসীর জন্য প্রযোজ্য মনে করেছিলেন; বরং সাহাবী ইবনে উমার মদীনা শহরের অধিবাসী ছিলেন এবং মদীনাবাসী নবী (সাঃ) কে সংবাদ দিয়েছিলেন।এমন সংবাদ গ্রহণে আপত্তি নেই কারণ এটা এক দেশ বরং একই শহরের সংবাদ, যাতে চন্দ্রের উদয়স্থল এক। আর আমাদের বিষয় হচ্ছে একটি ভিন্ন দেশের সংবাদ যেখানকার চন্দ্রের উদয়স্থল বর্তমান দেশের উদয়স্থল থেকে ভিন্ন। বেদুইনের সংবাদে রোযা শুরু করা ও কাফেলার সংবাদে ঈদ করার হাদীসের জন্যও এই ব্যাখ্যা প্রযোজ্য; কারণ অন্য স্থান থেকে তাদের আগমন কোনো বড় দূরত্ব বুঝায় না।
৩য় দলীলঃ (বিবেক ও বাস্তবতা)
দেশের দূরত্বের কারণে যেমন সূর্যের উঠা ডুবাতে পার্থক্য রয়েছে, তেমন চন্দ্রের উদয় ও স্থিমিত হওয়াতে ও পার্থক্য স্বাভাবিক। তাই পূর্ব দিকের কোনো দেশে যখন ফজর হয়, তখন পশ্চিম দিকের দেশগুলিতে সেই সময় ফজর হয় না। এই ভাবে যখন ধরুন ভারত উপমহাদেশে সূর্য অস্ত যায়, তখন মধ্যপ্রাচ্যে অস্ত যায় না। তাই ঐসময় ভারত উপমহাদেশের মুসলিমদের উপর ইফত্বার করা বৈধ হয় এবং মাগরিবের সময় হয় কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিমদের জন্য ইফত্বার জায়েয নয় আর না তাদের ওখানে মাগরিব হয়। তাই মুসলিমদের মাঝে যেমন দৈনন্দিন রোযা শুরু করা ও ইফত্বার করার মধ্যে ব্যবধান রয়েছে, তেমন অবশ্যই মাস শেষে ইফত্বার করা তথা চন্দ্র দর্শনের ব্যাপারে ও ব্যাবধান স্বাভাবিক। আর এই রকম হলে এক সাথে রোযা শুরু করা, ছাড়া এবং ঈদ করা অসম্ভব ও বাস্তবতা বিরোধী।

• বিগত মুহাদ্দেসগণের জ্ঞানও এ মতের পক্ষেঃ
এক দেশের চাঁদ দর্শন অন্য দেশের জন্য প্রযোজ্য নয়, যদি চন্দ্রের উদয় স্থল ভিন্ন হয়। এই মর্মে আমরা যদি মুহাদ্দিসগণের হাদীসের অনুচ্ছেদ তথা শিরোনামগুলির দিকে দৃষ্টি দেই, তাহলে তাঁদের মতামত সম্বন্ধে সহজে অনুমান করেতে পারি। এ সম্পর্কে ইমাম মুসলিম (রাহ) এর অনুচ্ছেদ শিরোনাম হচ্ছে, (এই বিষয়ের বর্ণনা যে, প্রত্যেক দেশের জন্য তাদের দর্শন গৃহীত, তারা যখন কোনো দেশে হিলাল দেখবে, তখন তাদের থেকে দূরবর্তীদের জন্য সেই হিলালের বিধান প্রমাণিত হবে না)। ইমাম ইবনু খুযায়মা (রহ) এর অনুচ্ছেদ শিরোনাম হচ্ছে, (অনুচ্ছেদঃ এ কথার দলীল যে, প্রত্যেক দেশবাসীর উপর তাদের দর্শন অনুযায়ী রোযা করা জরূরী হবে, অন্যের দর্শনে নয়।) ইমাম তিরমিযী কর্তৃক লিখিত শিরোনাম হচ্ছে, (অনুচ্ছেদঃ এ কথার বর্ণনা যে, প্রত্যেক দেশের জন্য তাদের নিজেদের দর্শন রয়েছে )। অতঃপর তাঁরা ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) এর হাদীস উল্লেখ করেছেন।

মন্তব্য করুন