সহকারী শিক্ষক
২০ মার্চ, ২০২৫ ১২:৫৬ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
মহান আল্লাহ বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি এ মাসে উপনীত হবে, সে যেন রোযা রাখে।” (বাক্বারাহঃ ১৮৫) আর মহানবী (সঃ) বলেছেন, “তোমরা চাঁদ দেখলে রোযা রাখো।” ২৫০ (বুখারী ১৯০০, মুসলিম ১০৮০ নং)
এই নির্দেশ থেকে অনেকে বুঝেছেন যে, সারা বিশ্বের ২/১ জন মুসলিম চাঁদ দেখলেই সকল মুসলিমদের জন্য রোযা বা ঈদ করা জরুরী। কিন্তু সাহাবাগণ এরূপ বুঝেননি। তাঁরা উদয়স্থলের পার্থক্য মেনে নিয়ে শাম দেশের চাঁদের খবর নিয়ে মদিনায় ঈদ করেননি।
কুরাইব বলেন, একদা উম্মুল ফাযল বিন্তে হারেষ আমাকে শাম দেশে মু'আবিয়ার নিকট পাঠালেন। আমি শাম (সিরিয়া) পৌঁছে তাঁর প্রয়োজন পূর্ণ করলাম। অতঃপর আমার শামে থাকা কালেই রমযান শুরু হল। (বৃহস্পতিবার দিবাগত) জুমআর রাত্রে চাঁদ দেখলাম। অতঃপর মাসের শেষ দিকে মদিনায় এলাম। আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস (রঃ) আমাকে চাঁদের ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলেন, “তোমরা কবে চাঁদ দেখেছ?” আমি বললাম, “আমরা জুমআর রাত্রে দেখেছি।” তিনি বললেন, “তুমি নিজে দেখেছ?” আমি বললাম, “জি হ্যাঁ। আর লোকেরাও দেখে রোযা রেখেছে এবং মুআবিয়াও রোযা রেখেছেন।” ইবনে আব্বাস (রঃ) বললেন, “কিন্তু আমরা তো (শুক্রবার দিবাগত) শনিবার রাত্রে চাঁদ দেখেছি। অতএব আমরা ৩০ পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত অথবা নতুন চাঁদ না দেখা পর্যন্ত রোযা রাখতে থাকবে।” আমি বললাম, “মুআবিয়ার দর্শন ও তাঁর রোযার খবর কি আপনার জন্য যথেষ্ট নয়?” তিনি বললেন, “না। আল্লাহ্র রাসূল (সঃ) আমাদেরকে এ রকমই আদেশ দিয়েছেন।” ২৫১ (মুসলিম ১০৭৮ নং)
১৪
২১ মন্তব্য