সহকারী অধ্যাপক
১১ মে, ২০২৫ ০৬:১৩ অপরাহ্ণ
সহকারী অধ্যাপক
ক্লাউড কম্পিউটিং হলো একটি প্রযুক্তি, যেখানে ইন্টারনেটের মাধ্যমে কম্পিউটার পরিষেবা (যেমন: ডেটা সংরক্ষণ, সফটওয়্যার, সার্ভার, নেটওয়ার্ক ইত্যাদি) প্রদান করা হয়। এতে ব্যবহারকারী নিজস্ব কম্পিউটারে ডেটা বা সফটওয়্যার না রেখে, ইন্টারনেটের মাধ্যমে সেগুলো ব্যবহার করতে পারে।
এখানে 'ক্লাউড' বলতে বোঝানো হয় ইন্টারনেটকে। অর্থাৎ, ইন্টারনেটের মাধ্যমে পরিষেবা গ্রহণ করা।
অন-ডিমান্ড পরিষেবা – যখন দরকার তখনই ব্যবহার করা যায়।
ইন্টারনেট ভিত্তিক – ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই ব্যবহার করা যায়।
স্কেলেবল (Scalable) – প্রয়োজন অনুযায়ী পরিষেবা বাড়ানো বা কমানো যায়।
খরচ সাশ্রয়ী – নিজস্ব হার্ডওয়্যার না থাকলেও কাজ চলে।
অবস্থান নিরপেক্ষ – পৃথিবীর যেকোনো জায়গা থেকে ব্যবহার করা যায়।
– সবার জন্য উন্মুক্ত (যেমন: Google Drive, Dropbox)।
– শুধু একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের জন্য।
– সার্বজনীন এবং ব্যক্তিগত ক্লাউডের সমন্বয়।
| মডেল | পূর্ণরূপ | কাজ |
|---|---|---|
| IaaS | Infrastructure as a Service | ভার্চুয়াল হার্ডওয়্যার (যেমন: সার্ভার) |
| PaaS | Platform as a Service | অ্যাপ ডেভেলপমেন্টের প্ল্যাটফর্ম |
| SaaS | Software as a Service | সফটওয়্যার সরাসরি ব্যবহার (যেমন: Gmail, MS Office 365) |
✅ ব্যয় সাশ্রয়
✅ সহজলভ্যতা
✅ উচ্চমানের ডেটা সুরক্ষা
✅ স্বয়ংক্রিয় আপডেট
✅ ব্যাকআপ ও রিকভারি সুবিধা
❌ ইন্টারনেট না থাকলে ব্যবহার করা যায় না
❌ ডেটা প্রাইভেসি ঝুঁকি থাকতে পারে
❌ নির্ভরশীলতা বেড়ে যায় সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের উপর
Google Drive: ডেটা সংরক্ষণ
Gmail: ইমেইল পরিষেবা
Microsoft Azure: বিভিন্ন ক্লাউড পরিষেবা
Dropbox: ফাইল শেয়ারিং
১
২ মন্তব্য