Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৭ মে, ২০২৫ ০৭:০৪ পূর্বাহ্ণ

সূরাতুল ইখলাস এর অনুবাদ বলো তিনিই আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয় সীর

সূরাতুল ইখলাস এর তাফসীর

5 Votes


 

بِسْمِ اللَّـهِ الرَّحْمَـٰنِ الرَّحِيمِ

 

আয়াতের অনুবাদ

(১) বলো, তিনিই আল্লাহ, একক ও অদ্বিতীয়।

(২) আল্লাহ কারো মুখাপেক্ষী নন, সকলেই তার মুখাপেক্ষী।

(৩) তার কোন সন্তান-সন্ততি নেই, আর তিনিও কারো সন্তান নন।

(৪) এবং তার সমতুল্য কেউই নেই।

 

শানে নুযূল

ইমাম আহমাদ রহ. …… উবাই ইবনে কাব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, উবাই ইবনে কাব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, মুশরিকরা একদিন বললো, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমাদেরকে আপনার প্রতিপালকের বংশনামাটি একটু শুনান দেখি।

এর উত্তরে আল্লাহ তাআলা সূরা ইখলাস নাযিল করেন। (ইবনে কাসির)

আবু ইয়ালা মুসিলী রহ. ….. জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে এক বেদুঈন বললো, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আপনার প্রতিপালকের নসবনামাটা একটু বলুন দেখি।

তখন আল্লাহ তাআলা সূরা ইখলাস নাযিল করলেন। (ইবনে কাসির)

 

যোগসূত্র

সূরা দুহা’র ভুমিকায় যে সমস্ত জ্ঞাতব্য বিষয়ের উল্লেখ আছে, তাওহীদ তারমধ্যে অন্যতম। এ সূরায় তাওহীদের বয়ানই আছে। (তাফসীরে আশরাফী)

[নোটঃ মাওলানা আশরাফ আলী থানভী সূরা দুহা’র তাফসীরের শুরুতে সূরা দুহা’র সাথে পরবর্তী সূরাসমূহের যোগসূত্রের বিষয়ে লিখেছেন। বিস্তারিত জানতে তা পড়ে দেখতে পারেন]

 

নামকরণ

কুরআন মাজীদে সমস্ত সূরাসমূহের নামই সূরা থেকে চয়নকৃত একটি শব্দ দ্বারা নামকরণ করা হয়েছে, কিন্তু এ সূরাটি এর ব্যতিক্রম। সূরার কোন শব্দ দ্বারা এর নামকরণ করা হয়নি, বরং সূরার মূল বক্তব্য ও ভাবধারা থেকে এটির নামকরণ করা হয়েছে “আল-ইখলাস”। এর অর্থ হলো – নির্ভেজাল, নিরঙ্কুশ, একনিষ্ঠতা। (ইসলামিয়া কুতুবখানা থেকে সম্পাদিত তাফসীরে জালালাইন)

শায়খ তাকি উসমানী লিখেছেনঃ ….. এভাবে এই সংক্ষিপ্ত সূরাটি সব রকমের শিরককে ভ্রান্ত সাব্যস্ত করতঃ খালিস ও বিশুদ্ধ তাওহীদকে সপ্রমাণ করেছে। এ কারণেই এ সূরাকে সূরা ইখলাস বলা হয়। (তাওযীহুল কুরআন)

 

ফযীলত

তাবারানী রহ …… আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ

প্রতিটি বস্তুর একটি নিসবত থাকে, আল্লাহর নিসবত হলো –

قُلۡ هُوَ ٱللَّهُ أَحَدٌ

(ইবনে কাসির)

 

ইমাম বুখারি রহ. …. আইশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা করেন যে, আইশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ক্ষুদ্র একটি সৈন্যদলকে কোথাও এক অভিযানে প্রেরণ করেন। ফিরে আসার পর তারা সেনাপতির বিরুদ্ধে এই নালিশ দায়ের করলো যে, তিনি প্রতি নামাযের কিরাআতের শেষে সূরা ইখলাস পাঠ করতেন।

শুনে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তাকে জিজ্ঞাসা করো তিনি কেন এমন করতেন।

জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, কারণ এই সূরায় আল্লাহ’র গুণ ও পরিচয় বর্ণনা করা হয়েছে বিধায় এটি পড়তে আমার কাছে খুব ভালো লাগে।

শুনে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তাকে বলো যে, আল্লাহ তাআলাও তাকে ভালোবাসেন। (ইবনে কাসির)

 

ইমাম বুখারি রহ. …. আবু সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, আবু সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তিকে বারবার সূরা ইখলাস পাঠ করতে শুনে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে তা বিবৃত করে।

শুনে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, যার হাতে আমার জীবন তার শপথ করে বলছি, এটি কুরআনের এক-তৃতীয়াংশের সমান। (ইবনে কাসির)

সূরাতুল ইখলাসের আরো ফজিলত জানতে দেখুন ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে অনূদিত তাফসীরে ইবনে কাসিরের ১১তম খণ্ড।

 

তাফসীর

 

প্রথম আয়াতের অনুবাদ

বলো, তিনিই আল্লাহ, একক ও অদ্বিতীয়।

 

তাফসীর

এখানে “বলো” – এই নির্দেশটি তো প্রথমে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি। কেননা মুশরিকরা তাকেই তার রব্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলো। এই প্রশ্নের জবাব স্বরূপ পরবর্তী কথা বলার জন্য তাকেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিলো। কিন্তু আল্লাহ তাআলার এই নির্দেশ ঐ পর্যন্তই সীমাবদ্ধ নয়, বরং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পরে এই নির্দেশ প্রত্যেক মুমিন ব্যক্তির প্রতি। কেননা, এই সূরার মধ্যে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’কে যে কথার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সব মুমিনেরই উচিত সেই কথা বলা। (তাফসীরে তাবারী)

“বলো” কথাটির মধ্যে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের রিসালাতের প্রতি ইঙ্গিত রয়েছে। এতে আল্লাহ’র পক্ষ থেকে মানুষকে পথ প্রদর্শনের আদেশ রয়েছে। (মাআরিফুল কুরআন)

 

“আল্লাহ” নাম সম্পর্কে আয়াতুল কুরসি’র তাফসীরে আলোচনা আছে। পড়তে চাইলে ক্লিক করুন – https://wp.me/p43zxV-5r

 

শাব্বীর আহমাদ উসমানী রহ. লিখেছেনঃ অর্থাৎ, যারা আল্লাহ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে, তিনি কেমন; তাদের বলে দিন যে, তিনি এক, তার সত্তায় কোন প্রকার সংখ্যাধিক্য বা দ্বিত্ব-ত্রিত্বের অবকাশ নেই। তার কোন প্রতিপক্ষ, সমকক্ষ বা সাদৃশ্য নেই।

এতে মাজূসীদের (অগ্নিপূজকদের) আকিদা রদ হয়ে গেলো, যারা বলে স্রস্টা দুইজন – ভালোর স্রস্টা ইয়াযদা আর অনিস্টের স্রস্টা আহরেমান। অনন্তর হিন্দুদেরও বিশ্বাসের রদ হয়ে গেলো, যারা ৩৩ কোটি দেবতাকে প্রভুত্বে অংশীদার বলে বিশ্বাস করে। (তাফসীরে উসমানী)

 

মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহ. লিখেছেনঃ এ আয়াতে চার প্রকার মুশরিকের অন্ধ বিশ্বাসের প্রতিবাদ করা হয়েছে, যথা –

(১) আল্লাহ’র অস্তিত্বে অস্বীকারকারী,

(২) আল্লাহ’র অস্তিত্ব বিলোপ হতে পারে না – এ কথায় অবিশ্বাসী,

(৩) আল্লাহ’র গুণাবলীর পরিপূর্ণতায় আস্থাহীন,

(৪) আল্লাহ’ই যে একমাত্র উপাস্য, এ কথার অস্বীকারজনিত অন্যের উপাসনাকারী। (তাফসীরে আশরাফী)

মুহাম্মাদ সানাউল্লাহ পানীপথী এ আয়াতের ব্যাখ্যায় দীর্ঘ আলোচনার পর লিখেছেনঃ বস্তুত এই একটি আয়াতের মধ্যে আল্লাহ তাআলার সত্তা ও গুণাবলী সম্পর্কিত যাবতীয় বিষয়ের প্রতি ইঙ্গিত রয়েছে। তাছাড়া নবুওয়াত ও তাবলীগ (প্রচারকার্য) এর প্রতি ইশারা রয়েছে “কুল” এর মধ্যে। আর আয়াতের অলৌকিকত্ব ও অসাধারণত্ব হচ্ছে নবুওয়াতের সত্যতার সাক্ষী। সুতরাং বহু খণ্ডের সুবৃহৎ গ্রন্থ লুকিয়ে রয়েছে এই এক সংক্ষিপ্ত বাক্য “قُلۡ هُوَ ٱللَّهُ أَحَدٌ” এর মধ্যে। (তাফসীরে মাযহারী)

 

দ্বিতীয় আয়াতের অনুবাদ

আল্লাহ কারো মুখাপেক্ষী নন, সকলেই তার মুখাপেক্ষী।

 

তাফসীর

“صمد” শব্দের ব্যাখ্যায় ইবনে কাসির লিখেছেনঃ …. এর আসলে অর্থ সেই সত্তা, যার কাছে মানুষ আপন অভাব ও প্রয়োজন পেশ করে এবং যার সমান মহান কেউ নয়। সারকথা এই যে, সবাই তার মুখাপেক্ষী, তিনি কারো মুখাপেক্ষী নন। (ইবনে কাসির)

শাব্বীর আহমাদ উসমানী লিখেছেনঃ যেসব জাহিল কোন গায়রুল্লাহকে কোন না কোন পর্যায়ে স্বতন্ত্র ক্ষমতার অধিকারী মনে করে, আল্লাহ তাআলার এ গুণ দ্বারা সেই সব জাহিলী ধ্যান-ধারণারও প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। উপরন্তু এতে আর্যদের রূহ ও বস্তু সম্পর্কিত বিশ্বাসও খণ্ডন হয়েছে। কারণ তাদের মূলনীতি অনুসারে বিশ্ব সৃষ্টিতে আল্লাহ এই দুইজনের মুখাপেক্ষী, কিন্তু এরা দুইজন নিজ নিজ অস্তিত্বে আল্লাহ’র মুখাপেক্ষী নয় (নাউযুবিল্লাহ)। (তাফসীরে উসমানী)

 

তৃতীয় আয়াতের অনুবাদ

তার কোন সন্তান-সন্ততি নেই, আর তিনিও কারো সন্তান নন।

 

তাফসীর

মুশরিকরা সর্বকালে উপাস্যদের সম্পর্কে এরূপ ধারণা পোষণ করতো যে, খোদা বা খোদাগণ একটি বিশেষ জাতির অন্তর্ভুক্ত, যাদের মধ্যে বিয়ে-শাদি, সন্তান প্রজনন ও বংশধারা অব্যাহতভাবে চলতে থাকে। এই বাক্য দ্বারা এই পর্যায়ের সব রকমের শোবাহ-সন্দেহ, সব ধারণা-কল্পনার চিরতরে অবসান হয়ে গেছে। আল্লাহ সম্পর্কে উক্তরূপ কোন ধারণা-কল্পনার একবিন্দু অবকাশও আর অবশিষ্ট থাকলো না। বস্তুত মহান আল্লাহ তাআলা সম্পর্কে এসব ধারণা ও কল্পনা শিরকের মৌলিক কারণ এবং এসব কারণেই মানুষ শিরকের পঙ্কিলতার আবর্তে নিমজ্জিত হয়। (তাবারী)

 

মুশরিকদের এক শ্রেণী আল্লাহ’র পুত্র কন্যা হওয়ার বিশ্বাস রাখে। এই আকিদা খণ্ডন করা হয়েছে “لَمْ يَلِدْ” দ্বারা। আর এক শ্রেণী কোন মানুষ ও জিন পূজার প্রতি আস্থাবান। এর প্রতিবাদ “وَلَمْ يُولَدْ” দ্বারা করা হয়েছে। অর্থাৎ, এই নির্বোধ ব্যক্তিরা যে সমস্ত মানুষ অথবা জিনের পূজা অর্চনা করে, তাদের উপাস্য জিন ও মানুষ সকলেই জাত বা অন্য হতে উৎপন্ন। কিন্তু আল্লাহ অন্য হতে উৎপন্ন নন। (তাফসীরে আশরাফী)

 

মুহাম্মাদ সানাউল্লাহ পানীপথী লিখেছেনঃ আল্লাহ তাআলা কর্তৃক সন্তান জন্মদান না করার বিষয়টি যদিও সর্বকালীন তথাপি এস্থলে অতীত ক্রিয়া ব্যবহার করা হয়েছে। কেননা, এর মূল উদ্দেশ্য উপরিউক্ত সম্প্রদায়গুলোর (ইয়াহুদি ও খৃষ্টানদের) উক্তি (ইয়াহুদিরা বলে – উযাইর আলাইহিস সালাম আল্লাহ’র পুত্র, খৃষ্টানরা বলে – মাসীহ আলাইহিস সালাম আল্লাহ’র পুত্র) খণ্ডন করা এবং সেই সংগে পরবর্তী বাক্যের সংগে সামঞ্জস্য রক্ষা করা। (তাফসীরে মাযহারী)

 

শাব্বীর আহমাদ উসমানী লিখেছেনঃ ….. অর্থাৎ, আল্লাহ’র মর্যাদা এমন যে, কেউ তাকে জন্ম দেয় নি। এটা স্পষ্ট যে, একজন সতী নারীর গর্ভে মাসীহ আলাইহিস সালামের জন্ম হয়েছে। তাহলে তিনি আল্লাহ হবেন কি করে ? (তাফসীরে উসমানী)

 

চতুর্থ আয়াতের অনুবাদ

এবং তার সমতুল্য কেউই নেই।

 

তাফসীর

এ আয়াতের ব্যাখ্যায় মুজাহিদ রহ. বলেন, আল্লাহ’র কোন সঙ্গিনী নেই। (ইবনে কাসির)

 

মাওলানা মাহমুদুল হাসান লিখেছেনঃ অর্থাৎ, কোন দিক দিয়ে আল্লাহ’র কোন সমতুল্য নেই এবং আকার-আকৃতিতেও কেউ তার সাথে সামঞ্জস্য রাখে না। (বুরহানুল কুরআন)

 

আশরাফ আলী থানভী লিখেছেনঃ মুশরিকদের আরেক দল অন্য কিছুকে আল্লাহ’র সমান ক্ষমতাবান বলে বিশ্বাস করে, যেমন, অগ্নি উপাসকেরা এহরমন ও ইয়েযদানের সৃষ্টি ক্ষমতায় বিশ্বাস রাখে। এর খণ্ডন এ আয়াতে রয়েছে। (তাফসীরে আশরাফী)

 

শাব্বির আহমাদ উসমানী লিখেছেনঃ এ বাক্যে সে সমস্ত লোকের প্রতিবাদ করা হয়েছে, যারা আল্লাহ’র কোন গুণে কোন মাখলুককে আল্লাহ’র সমকক্ষ মনে করে। এমনকি কোন কোন ধৃষ্ট তো এর চেয়ে বড় কোন বৈশিষ্ট্যও অন্যদের মধ্যে প্রমাণ করে। ইয়াহুদিদের কিতাব হাতে নিয়ে দেখুন, এক মরুপ্রান্তে আল্লাহ কুস্তী লড়ছেন ইয়াকুবের সঙ্গে আর ইয়াকুব ধরাশায়ী করছেন আল্লাহ’কে ! (নাউযুবিল্লাহ)

“তাদের মুখ থেকে যেসব কথা নির্গত হয়, তা বড়োই জঘন্য। তারা মিথ্যা ব্যতীত কিছুই বলে না।” (সূরাতুল কাহফ, ১৮ : ৫)

হে আল্লাহ! আপনি এক, একক; আপনি স্বয়ং সম্পূর্ণ, আপনি কাউকে জন্ম দেননি এবং আপনাকেও জন্ম দেয়নি কেউ। আর আপনার কোন সমকক্ষও নেই। আমি আপনার কাছে ক্ষমা ভিক্ষা করছি, আপনি আমার গুনাহ মাফ করুন। নিঃসন্দেহে আপনি বড়োই ক্ষমাশীল, মহা দয়ালু। (তাফসীরে উসমানী)

 

মন্তব্য করুন

ব্লগ