Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৮ জুন, ২০২৫ ০৬:৩৭ অপরাহ্ণ

তথ্য চলাচলের যতো রকমের পথ (ডেটা ট্রান্সমিশন মিডিয়াম)

ডেটা কমিউনিকেশন মিডিয়াম হলো সেই মাধ্যম বা চ্যানেল যার মাধ্যমে তথ্য (ডেটা) এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত হয়। এটি মূলত দুই প্রকার— গাইডেড (Wired) এবং আনগাইডেড (Wireless)।


১. গাইডেড মিডিয়াম (Wired Media)


এগুলোর মাধ্যমে ডেটা নির্দিষ্ট ক্যাবলের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়।


(ক) টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল (Twisted Pair Cable)


এটি দুটি তামার তারের জোড়া যা একে অপরের চারপাশে পেঁচানো থাকে।


সাধারণত টেলিফোন লাইন ও ইথারনেট সংযোগে ব্যবহৃত হয়।


উদাহরণ: UTP (Unshielded Twisted Pair), STP (Shielded Twisted Pair)।


(খ) কো-অ্যাক্সিয়াল ক্যাবল (Coaxial Cable)


একটি তামার কন্ডাক্টর যার চারপাশে ইনসুলেটর ও শিল্ডিং দেওয়া থাকে।


ক্যাবল টিভি ও পুরোনো লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN) সংযোগে ব্যবহৃত হয়।


(গ) ফাইবার অপটিক ক্যাবল (Fiber Optic Cable)


ডেটা আলো (Light) ব্যবহার করে পাঠানো হয়, তাই এটি খুব দ্রুতগতি সম্পন্ন।


দীর্ঘ দূরত্বের যোগাযোগ ও উচ্চ ব্যান্ডউইডথের জন্য ব্যবহৃত হয়।


২. আনগাইডেড মিডিয়াম (Wireless Media)


এগুলোতে ডেটা বেতার তরঙ্গের মাধ্যমে প্রেরণ করা হয়।


(ক) রেডিও ওয়েভ (Radio Waves)


মোবাইল নেটওয়ার্ক, ওয়াই-ফাই (Wi-Fi), ব্লুটুথ (Bluetooth) ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।


কম দূরত্বের জন্য কার্যকরী।


(খ) মাইক্রোওয়েভ (Microwave)


স্থলভিত্তিক ও স্যাটেলাইট লিঙ্কের মাধ্যমে তথ্য স্থানান্তর করা হয়।


দীর্ঘ দূরত্বের জন্য উপযুক্ত তবে বাধার কারণে সংকেত দুর্বল হতে পারে।


(গ) ইনফ্রারেড (Infrared)


ছোট পরিসরে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয় (যেমন, রিমোট কন্ট্রোল, ইরডা প্রযুক্তি)।


(ঘ) স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন (Satellite Communication)


এটি পৃথিবীর কক্ষপথে থাকা স্যাটেলাইটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করে।


গ্লোবাল কমিউনিকেশনে ব্যবহৃত হয় (যেমন, GPS, টেলিভিশন সম্প্রচার)।


উপসংহার


ডেটা কমিউনিকেশন মিডিয়াম নির্বাচন নির্ভর করে ব্যান্ডউইডথ, ডিস্ট্যান্স, খরচ ও নিরাপত্তার উপর। তারযুক্ত (wired) সংযোগ বেশি নির্ভরযোগ্য হলেও, বেতার (wireless) সংযোগ বেশি সুবিধাজনক ও মোবাইল ফ্রেন্ডলি।

মন্তব্য করুন