Loading..

ব্লগ

রিসেট

৩০ জুন, ২০২৫ ০২:০০ অপরাহ্ণ

মশা থেকে শুরু করে ক্যাপসিকাম, নানা বিষয়ে গবেষণা হয় সিলেটের এই বিশ্ববিদ্যালয়ে

বয়সের হিসাবে এখনো ‘টিনএজ’ পেরোয়নি। এর মধ্যেই নানা গবেষণার সূত্রে দেশ-বিদেশে সুনাম কুড়িয়েছে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। বিশেষায়িত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হওয়ায় এমনিতেই সব শিক্ষার্থীর এখানে গবেষণায় যুক্ত থাকা বাধ্যতামূলক। এসব গবেষণার কোনো কোনোটা থেকে এসেছে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও। ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের কিছু উল্লেখযোগ্য গবেষণার খোঁজ নিয়েছেন সুমনকুমার দাশ

মশা নিধন হবে, পরিবেশও বাঁচবে

অ্যানিমেল অ্যান্ড ফিশ বায়োটেকনোলজি বিভাগের স্নাতকোত্তর দ্বিতীয় সেমিস্টারের ছাত্র নুরুল আমিন। স্নাতকে সিজিপিএ ৩ দশমিক ৮১ পেয়ে মেধাতালিকায় দ্বিতীয় হয়েছিলেন। তাঁর বাড়ি সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার হাজারী চকগ্রামে। ব্যবসায়ী বাবা ও গৃহিণী মায়ের দুই ছেলের মধ্যে তিনি ছোট। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের মে মাস পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কাজী মুহাম্মদ আলী জিন্নাহের তত্ত্বাবধানে তিনি রাসায়নিক কীটনাশকের বিকল্প হিসেবে পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে মশকনিধনের গবেষণা করেন।


মন্তব্য করুন

ব্লগ