Loading..

ব্লগ

রিসেট

০২ জুলাই, ২০২৫ ১১:১৮ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তির সোনালী অধ্যায়ে স্টারলিংক ইন্টারনেটের শুভযাত্রা


স্টারলিংক হলো মার্কিন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্কের মহাকাশযান নির্মাণ প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স(SpaceX) এর স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা যা ইতিমধ্যে বাংলাদেশে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয়েছে। সাবমেরিন ক্যাবলের উপর নির্ভরশীল ইন্টারনেট সেবা থেকে বেরিয়ে স্যাটেলাইট নির্ভর ইন্টারনেটের সূচনায় প্রবেশ করলো বাংলাদেশ । বর্তমান বিশ্বের ৭০টিরও বেশি দেশে স্টারলিংকের ইন্টারনেট সেবা ব্যবহৃত হচ্ছে। এটির কার্যক্রমে দুর্গম এলাকা বিশেষ করে পাহাড়, দ্বীপ, চর, হাওর ও বনাঞ্চল এবং অপটিক ফাইবারের বাইরে থাকা এলাকায় উচ্চগতির ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। ফলে শহর ও গ্রামে ইন্টারনেট সেবার পার্থক্য অনেকটা কমে যাবে। স্টারলিংক মূলত লো-আর্থ-অরবিট (LEO) স্যাটেলাইট ব্যবহার করে ইন্টারনেট সরবরাহ করে। এই স্যাটেলাইটগুলো পৃথিবীর তুলনামূলক কাছাকাছি কক্ষপথে ঘুরে। তাই অন্যান্য স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবার তুলনার কম লেটেন্সি এবং উচ্চগতি প্রদান সম্ভব হয়। সাম্প্রতিক দেখা গেছে, বাংলাদেশে স্টারলিংক এর ইন্টারনেটের গতি সর্বোচ্চ ২২০ এমবিপিএস এবং সর্বনিম্ন গতি ১৭০ এমবিপিএস । স্টারলিংক মূলত জিওস্টেশনারি স্যাটেলাইটগুলোর মাধ্যমে ইন্টারনেট সরবরাহ করে। পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে ৩৫৭৮৬ কিলোমিটার দূরে পৃথিবীর কক্ষপথে অবস্থিত স্যাটেলাইটগুলোকে জিওস্টেশনারি বলে। তারবিহীন হওয়ায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে ইন্টারনেট বিঘ্নতার সম্ভাবনা নেই। স্টারলিংক ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য গ্রাহককে ডিশ এন্টেনার মত একটি যন্ত্র বসাতে হয়। এটি স্যাটেলাইটগুলোর সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে। যন্ত্রটি কেনার সময় পুরো একটি টুলকিট দেওয়া হয়। এতে এন্টেনা ছাড়াও থাকে রাউটার, স্ট্যান্ড, এসি ক্যাবল এবং এডাপ্টার । এন্টেনা যে কোনো জায়গায় মাউন্টের জন্য উপযোগী। এছাড়া স্যাটেলাইট গুলোর মধ্যে নিরবচ্ছিন্ন সংযোগে গেটওয়ে হিসেবে বসানো হয় গ্রাউন্ড স্টেশন। এই টুলকিট এবং গ্রাউন্ড স্টেশন সম্মিলিতভাবে স্টারলিংকের যাত্রাকে সম্ভাবনাময় করে তুলেছে ।
তথ্যসূত্র: দৈনিক শিক্ষা ডটকম, দৈনিক আমার দেশ এবং এআই 

মন্তব্য করুন