সিনিয়র শিক্ষক
০৯ আগস্ট, ২০২৫ ০৩:০৪ অপরাহ্ণ
photo editing for you
ডিজিটাল বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থা ও প্রতিবেদন
১. দুর্নীতি ও অপচয় ইস্যু
সরকারের চলতি ও পূর্ববর্তী প্রকল্পগুলোতে ব্যাপক অনিয়ম ও অপ্রয়োজনীয় খরচ হয়েছে বলে একটি তদন্ত কমিটি রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।
-
২০১৭ সালে আট জেলায় নির্মাণকৃত প্রশিক্ষণকেন্দ্রগুলোর ক্ষেত্রে অতিরিক্ত জমি অধিগ্রহণে প্রায় ১৩ কোটি টাকা এবং ছয়তলা ভবন নির্মাণে অতিরিক্ত ১১০ কোটি টাকা খরচ হয়েছে।
-
২০২০ সালে ১৪ জেলায় আরেক প্রকল্পে ২৫২ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে — যেখানে অপ্রয়োজনীয় খাত বাদ দিলে ৭৪ কোটি টাকা সাশ্রয় করা যেত।
-
মোট ২১টি প্রকল্প পর্যালোচনার শেষে প্রতিবদনে ধরা হয়েছে অবৈধ ও অপ্রয়োজনীয় মূলধন ব্যয়ে প্রায় ৬,০০০ কোটি টাকা সাশ্রয় করা সম্ভব।
২. উন্নয়ন সূচকের অগ্রগতি ও বিশ্বের সাথে তুলনা
-
সার্ফশার্কের “ডিজিটাল কোয়ালিটি অফ লাইফ ইনডেক্স ২০২১”-এ বাংলাদেশ ১১০ দেশের মধ্যে ১০৩তম অবস্থানে ছিল, দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বনিম্ন।
-
২০২৪-২৫ অর্থবছরের মধ্যে আইসিটি ও ডাক-টেলিযোগাযোগ খাতে প্রায় ৬৫ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হলেও, আইসিটি ডেভলপমেন্ট ইনডেক্স-এ বাংলাদেশের স্কোর ৬২/১০০, যা সাশ্রয়ী নয়। BVNEWS24 || বিভিনিউজ২৪
-
বিশ্বব্যাংকের “ডিজিটাল লেনদেন” সূচকে বাংলাদেশ ১৫৭ দেশের মধ্যে ১০২তম; মাত্র ৪৫% প্রাপ্তবয়স্করা ডিজিটাল লেনদেনে যুক্ত।
-
ইন্টারনেট ব্যবহারে ইন্টারনেট অপ্রতিষ্ঠিত কারণ—মাসে গড়ে সাতবার ইন্টারনেট বিঘ্ন ঘটে, যা ডিজিটাল অগ্রগতি ব্যাহত করে।
-
বিভিন্ন হাইটেক পার্ক নির্মাণের পরও সেগুলো অনেকাংশে খালি ও অপ্রয়োজনীয়—যেমন যশোর হাইটেক পার্কের ব্যবহার হওয়া হালকা বিবাহের হিন্দোলনায়।
৩. ইতিবাচক দিক ও নতুন প্রযুক্তি
-
স্টারলিংকের মাধ্যমে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট বাংলাদেশে চালু হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রান্তবর্তী ও দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ~৪২০০ টাকা মাসিক সাবস্ক্রিপশন এবং ~৪৭,০০০ টাকা এককালীন ইকুইপমেন্ট খরচ রয়েছে।
০
০ মন্তব্য