সহকারী শিক্ষক
১০ আগস্ট, ২০২৫ ০৭:০৮ পূর্বাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
-
-
১. ইয়াসীন(১),
(১) ইয়াসীন শব্দের বিভিন্ন অর্থ করা হয়ে থাকে। তবে ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা বলেন, এটা দ্বারা আল্লাহ্ শপথ করেছেন। আর তা আল্লাহর একটি নাম। অবশ্য ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে অন্য বর্ণনায় এসেছে, এর অর্থ: হে মানুষ। [তাবারী, বাগভী]
তাফসীরে জাকারিয়া(১) ইয়া-সীন,[1]
[1] অনেকে এর অর্থ, ‘হে ব্যক্তি! বা হে মানুষ!’ বলেছেন। আবার অনেকে এটিকে নবী (সাঃ)-এর নাম এবং অনেকে আল্লাহ তাআলার সুন্দরতম নামাবলীর একটি নাম রূপে উল্লেখ করেছেন। কিন্তু এই সকল মত কোন প্রমাণ ছাড়াই পেশ করা হয়েছে। কারণ এটিও সেই ‘হরূফে মুক্বাত্ত্বাআত’ (বিচ্ছিন্ন অক্ষরমালা), যার অর্থ আল্লাহ ছাড়া অন্য কেউ অবগত নয়।
তাফসীরে আহসানুল বায়ান-আল-বায়ান
-তাইসিরুল
-মুজিবুর রহমান
-Sahih International
২. শপথ প্রজ্ঞাময় কুরআনের,
-
তাফসীরে জাকারিয়া(২) জ্ঞানগর্ভ কুরআনের শপথ, [1]
[1] অথবা এর অর্থ, সুবিন্যস্ত কুরআনের, যা শব্দছন্দ ও অর্থের দিক থেকে সুবিন্যস্ত ও মজবুত। وَ শপথের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে শপথের জওয়াব পরবর্তী আয়াতে।
তাফসীরে আহসানুল বায়ান-আল-বায়ান
-তাইসিরুল
-মুজিবুর রহমান
-Sahih International
৩. নিশ্চয় আপনি রাসূলদের অন্তর্ভুক্ত;
-
তাফসীরে জাকারিয়া(৩) তুমি অবশ্যই প্রেরিত (রসূল)দের অন্তর্ভুক্ত; [1]
[1] মুশরিকরা নবী (সাঃ)-এর রসূল হওয়ার ব্যাপারে সন্দেহ পোষণ করত। ফলে তারা তাঁর রিসালাতকে অস্বীকার করত ও বলত, (لَسْتَ مُرْسَلًا) ‘‘তুমি তো পয়গম্বরই নও।’’ (সূরা রা’দ ৪৩ আয়াত) আল্লাহ তাআলা তাদের উত্তরে জ্ঞানগর্ভ কুরআনের কসম করে বললেন, তিনি অবশ্যই তাঁর পয়গম্বর। এতে রয়েছে নবী (সাঃ)-এর সম্মান ও মাহাত্ম্যের বিকাশ। যেহেতু আল্লাহ তা'আলা অন্য কোন রসূলের জন্য তাঁর রিসালাতের কসম করেননি। রিসালাত প্রমাণ করতে আল্লাহ তা'আলার কসম রসূল (সাঃ)-এর অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
তাফসীরে আহসানুল বায়ান-আল-বায়ান
-তাইসিরুল
-মুজিবুর রহমান
-Sahih International
৪. সরল পথের উপর প্রতিষ্ঠিত।
-
তাফসীরে জাকারিয়া(৪) তুমি সরলপথে প্রতিষ্ঠিত, [1]
[1] এটা ‘إِنَّكَ -র দ্বিতীয় খবর। অর্থাৎ নবী (সাঃ) সেই পথে আছেন, যে পথে তাঁর পূর্ববর্তী পয়গম্বর ছিলেন। অথবা তিনি এমন সরল ও সঠিক পথে আছেন, যা তাঁকে অভীষ্ট গন্তব্যস্থল (জান্নাতে) পৌঁছাবে।
তাফসীরে আহসানুল বায়ান-আল-বায়ান
-তাইসিরুল
-মুজিবুর রহমান
-Sahih International
৫. এ কুরআন প্রবল পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু আল্লাহর কাছ থেকে নাযিলকৃত।
-
তাফসীরে জাকারিয়া(৫) কুরআন পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু আল্লাহর নিকট হতে অবতীর্ণ। [1]
[1] এ কুরআন পরাক্রমশালী আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ। অর্থাৎ, তা যারা অস্বীকার করে এবং তাঁর রসূল (সাঃ)-কে যারা মিথ্যা মনে করে তাদের নিকট থেকে তিনি বদলা নেওয়ার ক্ষমতা রাখেন। তিনি পরম দয়ালু; অর্থাৎ, যে তাঁর প্রতি ঈমান আনবে এবং তাঁর প্রকৃত দাস হয়ে যাবে, তার প্রতি তিনি পরম দয়ালু।
১
১ মন্তব্য