সিনিয়র শিক্ষক
১১ আগস্ট, ২০২৫ ০৬:২৭ অপরাহ্ণ
শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন বলতে বোঝায় শিক্ষার্থীর জ্ঞান, দক্ষতা, মনোভাব ও আচরণ কতটা অর্জিত হয়েছে তা পরিমাপ ও বিশ্লেষণ করার প্রক্রিয়া।
হারুন অর রশিদ
শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন বলতে বোঝায় শিক্ষার্থীর জ্ঞান, দক্ষতা, মনোভাব ও আচরণ কতটা অর্জিত হয়েছে তা পরিমাপ ও বিশ্লেষণ করার প্রক্রিয়া।
এটি শুধু পরীক্ষার মাধ্যমে নম্বর দেওয়া নয়—বরং শিক্ষার্থীর সামগ্রিক অগ্রগতি, শেখার সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়নের দিকগুলো চিহ্নিত করাও এর অন্তর্ভুক্ত।
শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের ধরন
-
গঠনমূলক মূল্যায়ন (Formative Assessment)
- শেখার চলাকালীন সময়ে নেওয়া হয়।
- লক্ষ্য: শিক্ষার্থীর দুর্বলতা ও উন্নতির ক্ষেত্র চিহ্নিত করা।
- উদাহরণ: কুইজ, ক্লাস টেস্ট, মৌখিক প্রশ্নোত্তর, অ্যাসাইনমেন্ট।
-
সমাপনী মূল্যায়ন (Summative Assessment)
- শেখার একটি নির্দিষ্ট পর্ব শেষে নেওয়া হয়।
- লক্ষ্য: অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতার চূড়ান্ত পরিমাপ।
- উদাহরণ: টার্ম ফাইনাল পরীক্ষা, বার্ষিক পরীক্ষা, বোর্ড পরীক্ষা।
-
নিরবচ্ছিন্ন মূল্যায়ন (Continuous Assessment)
- পুরো শিক্ষাবর্ষে ধাপে ধাপে মূল্যায়ন।
- লক্ষ্য: ধারাবাহিক শেখা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
- উদাহরণ: প্রকল্প কাজ, প্রেজেন্টেশন, অংশগ্রহণের রেকর্ড।
-
দক্ষতাভিত্তিক মূল্যায়ন (Competency-Based Assessment)
- নির্দিষ্ট দক্ষতা বা আচরণিক সক্ষমতা যাচাই।
- উদাহরণ: ল্যাব পরীক্ষা, বাস্তব কাজের মূল্যায়ন।
মূল্যায়নের প্রধান উদ্দেশ্য
- শেখার অগ্রগতি নির্ধারণ
- দুর্বলতা ও শক্তি চিহ্নিত করা
- শিক্ষাদান পদ্ধতি উন্নত করা
- শিক্ষার্থীর আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি
- ভবিষ্যৎ শিক্ষাগত পরিকল্পনা নির্ধারণ
মূল্যায়নের উপকরণ
- লিখিত পরীক্ষা
- মৌখিক পরীক্ষা
- ব্যবহারিক পরীক্ষা
- প্রকল্প/গবেষণা কাজ
- ক্লাসে অংশগ্রহণ ও উপস্থিতি
মন্তব্য করুন
১
১ মন্তব্য