সিনিয়র শিক্ষক
১৯ আগস্ট, ২০২৫ ০৩:৩৬ অপরাহ্ণ
সিনিয়র শিক্ষক
আজ বুঝবে না, বুঝবে কাল,
ছাই তুলবে আর কপালে পাড়বে গাল'-
প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দশম শ্রেণি পর্যন্ত কোন শিক্ষার্থীর হাতে মোবাইল থাকতে পারবেনা।এবং শিক্ষকবৃন্দদের ক্লাশ চলাকালীন মোবাইল রিসিভ সীমিতকরণ করতে হবে।
মোবাইল ব্যবহার বিষয়ে এ্যানালক যুগে ফিরে যান। আর প্রতি দিনের ঘাটতি কোন প্রিয়ডে কোন স্টুডেন্ট এর নোট রাখুন। দুই মাস অন্তর অভিভাবকদের ডাকুন। প্রাইভেট পড়ায়ে নির্দিষ্ট ছাত্র ছাত্রীদের উপর নজরদারী কমান, সকলের প্রতি গণতান্ত্রিক হউন। তা নাহলে গরীব বা যারা আপনার নিকট (ঐ স্যারদের কাছে) প্রাইভেট পড়েনা তাদের মনে চাঁপা কষ্টের জন্য পড়াশোনার উপর অনীহা আাসে। উভয় উভয়ের (শিক্ষক বনাম শিক্ষার্থী) প্রতি আন্তরিক হোন। দেখবেন পড়াশোনার প্রভাব ভালো আসবে ইনশাল্লাহ। আমি একজন নগন্য অভিভাবক হিসাবে মত প্রকাশ করলাম।
পিছিয়ে পড়া বা স্বল্প মেধাবী বলি আর সুক্ষ্ম মেধাবী বলি, সকল শিক্ষার্থীই জ্ঞানের অধিক চর্চার জন্যে কোচিং সেন্টার কিংবা প্রাইভেট শিক্ষকের শরণাপন্ন হয়ে থাকে, এ ক্ষেত্রে প্রাইভেট এর সাথে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের মনে রাখা উচিত তাঁর কাজ শিক্ষার্থীর মনোরাজ্যের সন্ধান দান করা, পরীক্ষার নিমিত্ত্বে প্রণীত প্রশ্নপত্র ফাঁস করে দেওয়া নয় । যে সকল শিক্ষক সামান্য রুজিরোজগার এর প্রত্যাশায় অতিউৎসাহী হয়ে প্রণীত প্রশ্নপত্র শিক্ষার্থীদের মাঝে বলেদেন, তিনি শিক্ষার্থীদের স্পিরিট ধ্বংস করছেন যা অন্যায়।
এ প্রসংগে কতিপয় অভিভাবক আবার খুবই খুশি হয়ে থাকেন, তারা ঐ প্রশ্ন ফাঁস কারী শিক্ষাকর্মীর প্রশংসায় প্রঞ্চমুখ কিন্তু অভিভাবকদের এটা উপলব্ধি করা উচিত যে, এধরনের কর্মে প্রকারান্তরে তাঁদের সন্তানই ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।
প্রতিটি শিক্ষার্থীর অভিভাবক, মাসে কয়েকবার প্রতিষ্ঠানে ফোন করে খোঁজ নিবেন, আপনাদের ছেলে মেয়ে ক্লাশ করছেন কিনা, নিয়মিত শ্রেণির কাজ করছে কিনা। স্কুলে পাঠিয়ে নিশ্চিন্তায় থাকবেন না।
#আপনাদের একটু সতর্কতা হতে পারে সুুন্দর ভবিষ্যতের পাথেয়।
মো: শফিকুল ইসলাম
সিনিয়র শিক্ষক
দি বাডস্ রেসিডেনসিয়্যাল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, শ্রীমঙ্গল
৮
৮ মন্তব্য