সহকারী শিক্ষক
২১ আগস্ট, ২০২৫ ১০:১২ পূর্বাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
-আল-বায়ান
-তাইসিরুল
-মুজিবুর রহমান
-Sahih International
১৬. তারা বললেন, আমাদের রব জানেন—নিশ্চয় আমরা তোমাদের কাছে প্রেরিত হয়েছি।
-
তাফসীরে জাকারিয়া(১৬) তারা বলল, ‘আমাদের প্রতিপালক জানেন যে, আমরা অবশ্যই তোমাদের নিকট প্রেরিত হয়েছি।
-
তাফসীরে আহসানুল বায়ান-আল-বায়ান
-তাইসিরুল
-মুজিবুর রহমান
-Sahih International
১৭. আর স্পষ্টভাবে প্রচার করাই আমাদের দায়িত্ব।
-
তাফসীরে জাকারিয়া(১৭) স্পষ্টভাবে প্রচার করাই আমাদের দায়িত্ব।’
-
তাফসীরে আহসানুল বায়ান-আল-বায়ান
-তাইসিরুল
-মুজিবুর রহমান
-Sahih International
১৮. তারা বলল, আমরা তো তোমাদেরকে অমঙ্গলের কারণ মনে করি(১), যদি তোমরা বিরত না হও তোমাদেরকে অবশ্যই পাথরের আঘাতে হত্যা করব এবং অবশ্যই স্পর্শ করবে তোমাদের উপর আমাদের পক্ষ থেকে যন্ত্রণাদায়ক শান্তি।
(১) মূলে تطير বলা হয়েছে, এর অর্থ অশুভ, অমঙ্গল ও অলক্ষুণে মনে করা। উদ্দেশ্য এই যে, শহরবাসীরা প্রেরিত লোকদের কথা অমান্য করল এবং বলতে লাগল, তোমরা অলক্ষুণে। কোন কোন বর্ণনায় এসেছে, তাদের অবাধ্যতা ও রাসূলদের কথা অমান্য করার কারণে জনপদে দূর্ভিক্ষ শুরু হয়ে যায়। ফলে তারা তাদেরকে অলক্ষুণে বলল। কাফেরদের সাধারণ অভ্যাস এই যে, কোন বিপদাপদ দেখলে তার কারণ হেদায়াতকারী ব্যক্তিবর্গকে সাব্যস্ত করে। অথবা তাদের এ বক্তব্যের উদ্দেশ্য ছিল একথা বুঝানো যে, তোমরা এসে আমাদের উপাস্য দেবতাদের বিরুদ্ধে যেসব কথাবার্তা বলতে শুরু করেছে তার ফলে দেবতারা আমাদের প্রতি রুষ্ট হয়ে উঠেছে এবং এখন আমাদের ওপর যেসব বিপদ আসছে তা আসছে তোমাদেরই বদৌলতে। ঠিক এ একই কথাই আরবের কাফের ও মোনাফিকরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বিরুদ্ধে বলতোঃ “যদি তারা কোন কষ্টের সম্মুখীন হতো, তাহলে বলতো, এটা হয়েছে তোমার কারণে।” [সূরা আন-নিসা: ৭৮]
তাই কুরআন মজীদে বিভিন্ন স্থানে তাদের সম্পর্কে বলা হয়েছে, এ ধরনের জাহেলী কথাবার্তাই প্রাচীন যুগের লোকেরাও তাদের নবীদের সম্পর্কে বলতো। সামূদ জাতি তাদের নবীকে বলতো, “আমরা তোমাকে ও তোমার সাথীদেরকে অমংগলজনক পেয়েছি।” [সূরা আন-নমল: ৪৭] আর ফেরাউনের জাতিও এ একই মনোভাবের অধিকারী ছিলঃ “যখন তারা ভালো অবস্থায় থাকে তখন বলে, এটা আমাদের সৌভাগ্যের ফল এবং তাদের ওপর কোন বিপদ এলে তাকে মূসা ও তার সাথীদের অলক্ষুণের ফল গণ্য করতো।” [সূরা আল-আ'রাফ: ১৩১]
তাফসীরে জাকারিয়া(১৮) ওরা বলল, ‘আমরা তোমাদেরকে অমঙ্গলের কারণ মনে করি,[1] যদি তোমরা বিরত না হও, তাহলে অবশ্যই তোমাদেরকে পাথর মেরে হত্যা করব এবং আমাদের পক্ষ হতে তোমাদেরকে মর্মন্তুদ শাস্তি স্পর্শ করবে।’
[1] সম্ভবতঃ তাদের কিছু মানুষ ঈমান নিয়ে এসেছিল ও যার ফলে মানুষ দুই দলে বিভক্ত হয়ে গিয়েছিল, যার কারণে তারা রসূলদের আগমনকে অমঙ্গল ও অশুভ বলে অভিহিত করেছিল। نعوذ بالله অথবা (সেই সময়) অনাবৃষ্টি চলছিল, যার কারণ তারা ঐ রসূলদের অশুভ আগমন ভেবে বসেছিল। نعوذ بالله من ذلك যেমন বর্তমানেও বদ-খেয়ালের মানুষ এবং দ্বীন ও শরীয়ত সম্বন্ধে অজ্ঞ মানুষরা ঈমানদার ও পরহেযগার লোকদেরকে অশুভ ও অমঙ্গল ধারণা করে থাকে!
তাফসীরে আহসানুল বায়ান-আল-বায়ান
-তাইসিরুল
-মুজিবুর রহমান
-Sahih International
১৯. তারা বললেন, তোমাদের অমঙ্গল তোমাদেরই সাথে(১); এটা কি এজন্যে যে, তোমাদেরকে উপদেশ দেয়া হচ্ছে?(২) বরং তোমরা এক সীমালঙ্ঘনকারী সম্প্রদায়।
(১) যেমন অন্য আয়াতে বলা হয়েছে, “প্রত্যেক ব্যক্তির কল্যাণ ও অকল্যাণের পরোয়ানা আমি তার গলায় ঝুলিয়ে দিয়েছি।” [সূরা আল-ইসরা: ১৩]
(২) অর্থাৎ তোমাদেরকে আল্লাহ সম্পর্কে উপদেশ দেয়াতে, আল্লাহর কথা স্মরণ করিয়ে দেয়াতেই কি তোমরা আমাদের অলক্ষুণে মনে করছ? তোমরা তো সীমালজম্বানকারী সম্প্রদায়। [তাবারী]
তাফসীরে জাকারিয়া(১৯) তারা বলল, ‘তোমাদের অমঙ্গল তোমাদের সঙ্গেই।[1] এ কি এ জন্য যে, তোমাদেরকে উপদেশ দেওয়া হচ্ছে? বরং তোমরা এক সীমালংঘনকারী সম্প্রদায়।’
[1] অর্থাৎ, ওটা তো তোমাদের স্বকৃত পাপকর্মের ফল, যা তোমাদের সঙ্গেই আছে, আমাদের সঙ্গে নয়।
তাফসীরে আহসানুল বায়ান-আল-বায়ান
-তাইসিরুল
-মুজিবুর রহমান
-Sahih International
২০. আর নগরীর প্রান্ত থেকে এক ব্যক্তি ছুটে আসল, সে বলল, হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা রাসূলদের অনুসরণ কর;
-
তাফসীরে জাকারিয়া(২০) নগরীর এক প্রান্ত থেকে এক ব্যক্তি ছুটে এল এবং বলল, ‘হে আমার সম্প্রদায়! রসূলদের অনুসরণ কর, [1]
[1] ঐ ব্যক্তি মুসলিম ছিলেন। যখন তিনি জানতে পারলেন যে, এই সম্প্রদায় রসূলদের দাওয়াতকে মেনে নিচ্ছে না, তখন তিনি এসে রসূলদের পৃষ্ঠপোষকতা এবং তাদেরকে তাঁদের অনুসরণ করার জন্য উদ্বুদ্ধ করলেন।
১৪
২৪ মন্তব্য