Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৪ আগস্ট, ২০২৫ ০৬:৩৯ পূর্বাহ্ণ

আমার রব আমাকে কিসের বিনিময়ে ক্ষমা করে দিয়েছেন
৩৬ : ২৭ بِمَا غَفَرَ لِیۡ رَبِّیۡ وَ جَعَلَنِیۡ مِنَ الۡمُكۡرَمِیۡنَ ﴿۲۷﴾ 
بما غفر لی ربی و جعلنی من المكرمین ﴿۲۷﴾
‘আমার রব আমাকে কিসের বিনিময়ে ক্ষমা করে দিয়েছেন এবং আমাকে সম্মানিতদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন’।

-আল-বায়ান

আমার পালনকর্তা কোন্ জিনিসের বদৌলতে আমাকে ক্ষমা করেছেন আর আমাকে সম্মানিতদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন।

-তাইসিরুল

কি কারণে আমার রাব্ব আমাকে ক্ষমা করেছেন এবং সম্মানিত করেছেন।

-মুজিবুর রহমান

Of how my Lord has forgiven me and placed me among the honored."

-Sahih International

২৭. কিরূপে আমার রব আমাকে ক্ষমা করেছেন এবং আমাকে সম্মানিত করেছেন।

-

তাফসীরে জাকারিয়া

(২৭) কি কারণে আমার প্রতিপালক আমাকে ক্ষমা করেছেন এবং আমাকে সম্মানিত লোকদের দলভুক্ত করেছেন।’[1]

[1] অর্থাৎ, যে ঈমান ও তওহীদের কারণে আল্লাহ তাআলা আমাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন, যদি সে কথা আমার সম্প্রদায় জানত, তাহলে তারাও ঈমান ও তাওহীদে বিশ্বাসী হয়ে আল্লাহর ক্ষমা ও তাঁর বিভিন্ন অনুগ্রহের হকদার হয়ে যেত। এইভাবে সে ব্যক্তি মৃত্যুর পরেও নিজ জাতির মঙ্গল চেয়েছেন। একজন প্রকৃত মু’মিনকে এমনই হওয়া দরকার যে, সে সর্বদা মানুষের মঙ্গল কামনা করবে; অমঙ্গল নয়। তাদেরকে সঠিক পথ দেখাবে; পথভ্রষ্ট করবে না। তাতে মানুষ তার সাথে যেমনই ব্যবহার করুক না কেন; এমনকি যদিও তাকে মেরে ফেলে।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান
শেয়ার লিঙ্ক কপি হয়েছে!
৩৬ : ২৮ وَ مَاۤ اَنۡزَلۡنَا عَلٰی قَوۡمِهٖ مِنۡۢ بَعۡدِهٖ مِنۡ جُنۡدٍ مِّنَ السَّمَآءِ وَ مَا كُنَّا مُنۡزِلِیۡنَ ﴿۲۸﴾ 
و ما انزلنا علی قومهٖ من بعدهٖ من جند من السمآء و ما كنا منزلین ﴿۲۸﴾
আর আমি তার (মৃত্যুর) পর তার কওমের বিরুদ্ধে আসমান থেকে কোন সৈন্য পাঠাইনি। আর তা পাঠানোর কোন দরকারও আমার ছিল না।

-আল-বায়ান

আমি তার মৃত্যুর পর তার জাতির বিরুদ্ধে আসমান থেকে কোন সৈন্যবাহিনী পাঠাইনি, আর তা পাঠানোর আমার কোন দরকারও ছিল না।

-তাইসিরুল

আমি তার মৃত্যুর পর তার সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আকাশ হতে কোন বাহিনী প্রেরণ করিনি এবং প্রেরণের প্রয়োজনও ছিলনা।

-মুজিবুর রহমান

And We did not send down upon his people after him any soldiers from the heaven, nor would We have done so.

-Sahih International

২৮. আর আমরা তার পরে তার সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আসমান থেকে কোন বাহিনী পাঠাইনি এবং পাঠাবারও ছিলাম না।(১)

(১) কাতাদাহ বলেন, অর্থাৎ তাদের জন্য আর কোন কথা বা কোন প্রকার তিরস্কার আসমান থেকে করা হয়নি। বরং সাথে সাথেই তাদের জন্য আযাবের পরোয়ানা নাযিল হয়ে গিয়েছিল। আর সেটা ছিল এক বিকট শব্দ, যা তাদের নিরব নিথরে পরিণত করল। [তাবারী]

তাফসীরে জাকারিয়া

(২৮) আমি তার মৃত্যুর পর তার সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আকাশ হতে কোন বাহিনী প্রেরণ করিনি[1] এবং বাহিনী প্রেরণ করা আমার নীতিও ছিল না। [2]

[1] অর্থাৎ, হাবীব নাজ্জারের হত্যার পর আমি তাদেরকে ধ্বংসের জন্য আসমান থেকে ফিরিশতাদের কোন বাহিনী প্রেরণ করিনি। এ কথা বলে ঐ জাতির তুচ্ছ হওয়ার প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।

[2] অর্থাৎ, যে জাতিকে ধ্বংস করার অন্য পন্থা লেখা হয়, সে জাতির জন্য আমি ফিরিশতাও প্রেরণ করি না।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান
শেয়ার লিঙ্ক কপি হয়েছে!
৩৬ : ২৯ اِنۡ كَانَتۡ اِلَّا صَیۡحَۃً وَّاحِدَۃً فَاِذَا هُمۡ خٰمِدُوۡنَ ﴿۲۹﴾ 
ان كانت الا صیحۃ واحدۃ فاذا هم خمدون ﴿۲۹﴾
তা ছিল শুধুই একটি বিকট আওয়াজ, ফলে তারা নিথর-নিস্তব্ধ হয়ে পড়ল।

-আল-বায়ান

ওটা ছিল মাত্র একটা প্রচন্ড শব্দ, ফলে তারা সহসাই নিস্তব্ধ হয়ে গেল।

-তাইসিরুল

ওটা ছিল শুধুমাত্র এক মহানাদ। ফলে তারা নিথর নিস্তব্ধ হয়ে গেল।

-মুজিবুর রহমান

It was not but one shout, and immediately they were extinguished.

-Sahih International

২৯. সেটা ছিল শুধুমাত্র এক বিকট শব্দ ফলে তারা নিথর নিস্তব্ধ হয়ে গেল।

-

তাফসীরে জাকারিয়া

(২৯) কেবলমাত্র এক মহাগর্জন হল। ফলে ওরা নিথর-নিস্তব্ধ হয়ে গেল। [1]

[1] বলা হয়েছে যে, জিবরীল (আঃ) একটি হুঙ্কার দিয়েছিলেন, যাতে সকলের শরীর থেকে প্রাণ বের হয়ে গিয়েছিল এবং তারা নিভানো আগুনের মত স্তিমিত হয়ে গিয়েছিল। জীবন যেন এক প্রজ্বলিত অগ্নিশিখা। আর মৃত্যু হল তা নিভে ভষ্মে পরিণত হওয়া।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান
শেয়ার লিঙ্ক কপি হয়েছে!
৩৬ : ৩০ یٰحَسۡرَۃً عَلَی الۡعِبَادِ ۚؑ مَا یَاۡتِیۡهِمۡ مِّنۡ رَّسُوۡلٍ اِلَّا كَانُوۡا بِهٖ یَسۡتَهۡزِءُوۡنَ ﴿۳۰﴾ 
یحسرۃ علی العباد ما یاتیهم من رسول الا كانوا بهٖ یستهزءون ﴿۳۰﴾
আফসোস, বান্দাদের জন্য! যখনই তাদের কাছে কোন রাসূল এসেছে তখনই তারা তাকে নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করেছে।

-আল-বায়ান

বান্দাহদের জন্য পরিতাপ! তাদের কাছে এমন কোন রসূলই আসেনি যাকে তারা ঠাট্টা-বিদ্রূপ করেনি।

-তাইসিরুল

পরিতাপ বান্দাদের জন্য! তাদের নিকট যখনই কোন রাসূল এসেছে তখনই তারা তাকে ঠাট্টা বিদ্রুপ করেছে।

-মুজিবুর রহমান

How regretful for the servants. There did not come to them any messenger except that they used to ridicule him.

-Sahih International

৩০. পরিতাপ বান্দাদের জন্য(১); তাদের কাছে যখনই কোন রাসূল এসেছে তখনই তারা তার সাথে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করেছে।(২)

(১) কাতাদাহ বলেন, এর অর্থ, বান্দারা তাদের নফসের উপর যে অপরাধ করেছে, আল্লাহর নির্দেশকে বিনষ্ট করেছে, আল্লাহর ব্যাপারে তারা যে ঘাটতি করেছে সে জন্য তাদের নিজেদের উপর তাদের আফসোস। [তাবারী] মুজাহিদ বলেন, আল্লাহ বান্দাদের উপর আফসোস করলেন এ জন্যে যে, তারা তাদের রাসূলদের সাথে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করেছে। [তাবারী] ইবন আব্বাস থেকে বর্ণিত, এখানে حسرة এর অর্থ ويل বা দূর্ভোগ। [তাবারী] অথবা আয়াতের অর্থ, পরিতাপ সে সমস্ত বান্দাদের জন্য যাদের কাছে যখনই কোন রাসূল এসেছে তখনই তারা তাদের উপর মিথ্যারোপ করেছে, ফলে তারা ধ্বংস হয়েছে। [জালালাইন] অথবা আয়াতের অর্থ, হায় বান্দাদের জন্য আফসোস ও পরিতাপ! যখন তারা কিয়ামতের দিন আযাব দেখতে পাবে। কারণ তাদের কাছে দুনিয়াতে যখনই কোন রাসূল আল্লাহর পক্ষ থেকে এসেছেন তখনই তারা তার সাথে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করেছে। [মুয়াস্‌সার]

(২) এ আয়াতের ব্যাপকতা থেকে অন্য আয়াতে কেবল ইউনুস আলাইহিস সালামের জাতিকে ব্যতিক্রম ঘোষণা করা হয়েছে। বলা হয়েছে, “অতঃপর কোন জনপদবাসী কেন এমন হল না। যারা ঈমান আনত এবং তাদের ঈমান তাদের উপকারে আসত? তবে ইউনুস এর সম্প্রদায় ছাড়া, তারা যখন ঈমান আনল তখন আমরা তাদের থেকে দুনিয়ার জীবনের হীনতাজনক শাস্তি দূর করলাম এবং তাদেরকে কিছু কালের জন্য জীবনোপভোগ করতে দিলাম।” [সূরা ইউনুস:

মন্তব্য করুন

ব্লগ