সহকারী শিক্ষক
২৮ আগস্ট, ২০২৫ ০৭:২৫ পূর্বাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
-আল-বায়ান
-তাইসিরুল
-মুজিবুর রহমান
-Sahih International
৩২. আর নিশ্চয় তাদের সবাইকে একত্রে আমাদের কাছে উপস্থিত করা হবে।(১)
(১) অর্থাৎ কিয়ামতের দিন। [তাবারী]
তাফসীরে জাকারিয়া(৩২) এবং অবশ্যই ওদের সকলকে একত্রে আমার নিকট উপস্থিত করা হবে। [1]
[1] এখানে إن হল নাফিয়াহ (নেতিবাচক) এবং لَمَّا শব্দটি إِلاَّ এর অর্থে ব্যবহার হয়েছে। আসল অনুবাদ হবেঃ এমন কেউ নেই, যে আমার নিকট উপস্থিত হবে না। উদ্দেশ্য হল যে, অতীতে যারা অতিবাহিত হয়ে গেছে ও ভবিষ্যতে যারা আসবে সকল মানুষ আল্লাহর দরবারে উপস্থিত হবে। যেখানে তাদের হিসাব নিকাশ হবে।
তাফসীরে আহসানুল বায়ান-আল-বায়ান
-তাইসিরুল
-মুজিবুর রহমান
-Sahih International
৩৩. আর তাদের জন্য একটি নিদর্শন মৃত যমীন, যাকে আমরা সঞ্জীবিত করি এবং তা থেকে বের করি শস্য, অতঃপর তা থেকেই তারা খেয়ে থাকে।
-
তাফসীরে জাকারিয়া(৩৩) মৃত ধরিত্রী ওদের জন্য একটি নিদর্শন,[1] যাকে আমি সঞ্জীবিত করি এবং যা হতে উৎপন্ন করি শস্য, যা ওরা ভক্ষণ করে।
[1] অর্থাৎ, আল্লাহ তাআলার অস্তিত্ব, তাঁর পরিপূর্ণ ক্ষমতা এবং মৃতদের পুনরায় জীবিত করার উপর নিদর্শন।
তাফসীরে আহসানুল বায়ান-আল-বায়ান
-তাইসিরুল
-মুজিবুর রহমান
-Sahih International
৩৪. আর সেখানে আমরা সৃষ্টি করি খেজুর ও আঙ্গুরের উদ্যান এবং সেখানে উৎসারিত করি কিছু প্রস্রবণ,
-
তাফসীরে জাকারিয়া(৩৪) ওতে আমি সৃষ্টি করি খেজুর ও আঙ্গুরের বাগানসমূহ[1] এবং উৎসারিত করি বহু প্রস্রবণ।
[1] অর্থাৎ, মৃত পৃথিবীকে জীবিত করে আমি তা থেকে তাদের খাবারের নিমিত্তে শুধু ফসলই উৎপন্ন করিনি, বরং তাদের কাজ ও মুখের তৃপ্তির জন্য বিভিন্ন রকমের ফল অধিক মাত্রায় সৃষ্টি করেছি। এই আয়াতে শুধু দুই প্রকার ফলের কথা উল্লেখ হওয়ার কারণ হল, উক্ত ফল দুটি খুবই উপকারী এবং আরবদের নিকট অতি পছন্দনীয়ও বটে। তাছাড়া এই দুই ফলের গাছ আরব্য-ভূমিতেই অধিক হারে পাওয়া যায়। ফসলের উল্লেখ আগে করেছেন। কারণ ফসল অধিক পরিমাণে উৎপন্ন হয়ে থাকে এবং মানুষের খোরাকের দিক দিয়েও ফসলের গুরুত্ব অনস্বীকার্য। মানুষ যতক্ষণ ভাত-রুটি ইত্যাদি খাবার পেট পূর্ণ করে না খায়, ততক্ষণ শুধু ফল-ফ্রুট দ্বারা খাবারের প্রয়োজন পূর্ণ হয় না।
তাফসীরে আহসানুল বায়ান-আল-বায়ান
-তাইসিরুল
-মুজিবুর রহমান
-Sahih International
৩৫. যাতে তারা খেতে পারে তার ফলমূল হতে অথচ তাদের হাত এটা সৃষ্টি করেনি। তবুও কি তারা কৃতজ্ঞতা প্ৰকাশ করবে না?
-
তাফসীরে জাকারিয়া(৩৫) যাতে ওরা ভক্ষণ করতে পারে তার ফলমূল,[1] যা ওদের হাতের সৃষ্টি নয়।[2] তবুও কি ওরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবে না?
[1] অর্থাৎ, কিছু জায়গায় পানির ঝরনা প্রবাহিত করেন, যার পানি দ্বারা উৎপাদিত ফল মানুষ ভক্ষণ করে থাকে।
[2] ইমাম জারীর (রহঃ) এর নিকট এখানে ما নাফিয়াহ (নেতিবাচক)। অর্থাৎ উৎপন্ন ফল-ফসল আল্লাহ তাআলার বান্দাদের প্রতি এক বিশেষ অনুগ্রহ। তাতে বান্দার প্রচেষ্টা, মেহনত, পরিশ্রম ও কষ্টের কোন হাত নেই। এর পরেও তারা আল্লাহর এই সকল নিয়ামতের উপর তাঁর শুকরিয়া জ্ঞাপন কেন করে না? অনেকের নিকট ما মওসূলাহ যা الَّذِيْ এর অর্থে ব্যবহার হয়েছে। অর্থাৎ, যাতে তারা সেই ফল ভক্ষণ করে এবং ঐ বস্তুও ভক্ষণ করে, যা তাদের হাত তৈরি করেছে। হাতের কর্ম বলতে জমি চাষ করে তাতে বীজ বপন করা, সেচন ও দেখাশোনা করা, অনুরূপ ফল খাওয়ার বিভিন্ন পদ্ধতি; যেমন তার রস বের করে পান করা, বিভিন্ন ফল-ফ্রুটকে একত্রিত করে আচার, জেলি, মোরব্বা ইত্যাদি বানিয়ে খাওয়া ইত্যাদি।
তাফসীরে আহসানুল বায়ান-আল-বায়ান
-তাইসিরুল
-মুজিবুর রহমান
-Sahih International
৩৬. পবিত্র ও মহান তিনি, যিনি সৃষ্টি থেকে উৎপন্ন উদ্ভিদ এবং তাদের (মানুষদের) মধ্য থেকেও (পুরুষ ও নারী)। আর তারা যা জানে না তা থেকেও।(১)
(১) অনুরূপ আয়াত দেখুন: সূরা আল-আন’আম: ৯৯; সূরা আল-হাজ্জ: ৫; সূরা ক্কাফ: ৭–১১; সূরা আল-হিজর: ১৯।
তাফসীরে জাকারিয়া(৩৬) পবিত্র ও মহান তিনি, যিনি মাটি হতে উৎপন্ন উদ্ভিদ, স্বয়ং মানুষ এবং ওরা যাদের জানে না, তাদের সকলকে জোড়া জোড়া সৃষ্টি করেছেন। [1]
[1] অর্থাৎ, মানুষের মত পৃথিবীর সকল সৃষ্টিকেও আমি নর ও মাদী করে সৃষ্টি করেছি। এ ছাড়া আকাশে ও মাটির নিম্নদেশে যে সকল বস্তু তোমাদের অদৃশ্য, যা তোমাদের জ্ঞ্যন-বহির্ভূত, তাদের মাঝেও জোড়া বা নর-মাদার এই নিয়ম রেখেছি। অতএব তোমরা সকল সৃষ্টিই জোড়া জোড়া। বৃক্ষাদির মাঝেও নর-মাদার একই নিয়ম আছে। এমনকি পরকালের জীবন ইহকালের জীবনের জোড়া সমতুল্য। আর ইহকালের জীবন পরকালের জীবনের জন্য একটি বিবেক-প্রসূত যুক্তি ও প্রমাণ স্বরূপও। শুধু এক আল্লাহর সত্তা; যিনি সৃষ্টি জগতের এই গুণ ও সকল প্রকার কমি ও ত্রুটি থেকে পবিত্র। তিনি একক, অদ্বিতীয়, বিজোড়; তাঁর কোন জোড়া নেই।
তাফসীরে আহসানুল বায়ান-আল-বায়ান
-তাইসিরুল
-মুজিবুর রহমান
-Sahih International
৩৭. আর তাদের জন্য এক নিদর্শন রাত, তা থেকে আমরা দিন অপসারিত করি, তখন তারা অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে।(১)
(১) কাতাদা বলেন, এর অর্থ, রাতকে দিনে প্রবিষ্ট করাই, আর দিনকে রাতে প্রবিষ্ট করাই। [তাবারী]
তাফসীরে জাকারিয়া(৩৭) রাত ওদের জন্য এক নিদর্শন, এ হতে আমি দিবালোক অপসারিত করি, ফলে সকলেই অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। [1]
[1] অর্থাৎ, আল্লাহর অসীম শক্তির একটি প্রমাণ এও যে, তিনি দিনকে রাত থেকে আলাদা করে দেন। যার ফলে সাথে সাথে অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে যায়। سلخ এর অর্থ কোন পশুর দেহ থেকে তার চামড়া আলাদা করে দেওয়া, যাতে তার গোশত বের হয়ে যায়। অনুরূপ আল্লাহ তাআলা দিনকে রাত থেকে আলাদা করে দেন। أظلم এর অর্থ হল অন্ধকারে প্রবেশ করা। যেমন أصبح، أمسى، أظهر এর অর্থ হল সকাল, সন্ধ্যা এবং যোহরের সময়ে প্রবেশ করা।
তাফসীরে আহসানুল বায়ান-আল-বায়ান
-তাইসিরুল
-মুজিবুর রহমান
-Sahih International
৩৮. আর সূর্য ভ্রমণ করে তার নির্দিষ্ট গন্তব্যের দিকে(১), এটা পরাক্রমশালী, সর্বজ্ঞের নির্ধারণ।
(১) এ আয়াতের দুটি তাফসীর হতে পারে।
এক. কোন কোন তাফসীরবিদ এখানে কালগত অবস্থানস্থল অর্থ নিয়েছেন, অর্থাৎ সেই সময়, যখন সূর্য তার নির্দিষ্ট গতি সমাপ্ত করবে। সে সময়টি কেয়ামতের দিন। এ তাফসীর অনুযায়ী আয়াতের অর্থ এই যে, সূর্য তার কক্ষ পথে মজবুত ও অটল ব্যবস্থাধীনে পরিভ্রমণ করছে। এতে কখনও এক মিনিট ও এক সেকেণ্ডের পার্থক্য হয় না। সূর্যের এই গতি চিরস্থায়ী নয়। তার একটি বিশেষ অবস্থানস্থল আছে; যেখানে পৌছে তার গতি স্তব্ধ হয়ে যাবে। সেটা হচ্ছে কেয়ামতের দিন। এ তাফসীর প্রখ্যাত তাবেয়ী কাতাদাহ থেকে বর্ণিত আছে।
দুই. কতক তাফসীরবিদ আয়াতে স্থানগত অবস্থানস্থল অর্থ নিয়েছেন। [ইবন কাসীর] তাদের মতের সমর্থনে এক হাদীসে এসেছে, আবু যর গিফারী রাদিয়াল্লাহু আনহু একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সাথে সুর্যাস্তের সময় মসজিদে উপস্থিত ছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, আবু যর, সূর্য কোথায় অস্ত যায় জান? আবু যর বললেন, আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, সূর্য চলতে চলতে আরশের নীচে পৌঁছে সিজদা করে। অতঃপর বললেন, (وَالشَّمْسُ تَجْرِي لِمُسْتَقَرٍّ لَهَا) আয়াতে مستقر বলে তাই বোঝানো হয়েছে। [বুখারী: ৪৮০২, ৪৮০৩, মুসলিম: ১৫৯]
আব্দুল্লাহ ইবন উমর থেকে এ সম্পর্কে অপর একটি হাদীসে বর্ণিত হয়েছে যে, প্রত্যেক দিন সূর্য আরশের নীচে পৌঁছে সিজদা করে এবং নতুন পরিভ্রমণের জন্য অনুমতি প্রার্থনা করে। অনুমতি লাভ করে নতুন পরিভ্রমণ শুরু করে। অবশেষে এমন একদিন আসবে, যখন তাকে নতুন পরিভ্রমণের অনুমতি দেয়া হবে না, বরং যেখান থেকে অস্ত গিয়েছে সেখানেই উদিত হওয়ার নির্দেশ দেয়া হবে। এটা হবে কেয়ামত সন্নিকটবর্তী হওয়ার একটি আলামত। তখন তাওবাহ ও ঈমানের দরজা বন্ধ হয়ে যাবে এবং কোন গোনাহগার, কাফের ও মুশরিকের তাওবাহ কবুল করা হবে না। [বুখারী: ৩১৯৯, মুসলিম: ১৫৯]
এখানে আরও একটি বিষয়ের প্রতি ইঙ্গিত করা জরুরী, তা হচ্ছে, বৈজ্ঞানিকগণ কিছু দিন আগেও বলতেন যে, সূর্য স্থায়ী, পৃথিবী এর চারপাশে প্রদক্ষিণ করছে। কিন্তু বর্তমানে তারা তাদের মত পাল্টিয়ে বলতে শুরু করেছে যে, সূৰ্যও তার কক্ষপথে ঘুরে। এটি কুরআনের এ বাণীর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তারা যা এখন আবিষ্কার করে বলেছে, আল্লাহ তা'আলা তা বহু শতক পূর্বে কুরআনে বলে দিয়েছেন। যা কুরআনের সত্যতার উপর প্রমাণবাহ।
তাফসীরে জাকারিয়া(৩৮) আর সূর্য তার নির্দিষ্ট গন্ডীর মধ্যে আবর্তন করে;[1] এ পরাক্রমশালী সর্বজ্ঞ (আল্লাহর) নিয়ন্ত্রণ।
[1] অর্থাৎ, নিজের সেই কক্ষ পথে ঘোরে, যা আল্লাহ তাআলা তার জন্য নির্ধারিত করে রেখেছেন। নির্দিষ্ট সেই স্থান থেকে তারা পরিক্রমা আরম্ভ করে এবং সেই স্থানেই ভ্রমণ শেষ করে। তা থেকে সামান্য পরিমাণও এমন এদিক ওদিক হয় না যে, তার ফলে কোন অন্য চলমান গ্রহের সাথে ধাক্কা লেগে যাবে। দ্বিতীয় অর্থ হল, ‘‘নিজ অবস্থান ক্ষেত্রের জন্য।’’ আর তার ঐ ক্ষেত্র হল আরশে ইলাহীর নিম্নদেশ। যেমন হাদীসে বর্ণনা হয়েছে যে, ‘‘সূর্য প্রত্যহ অস্তমিত হওয়ার পর আরশের নিচে গিয়ে সিজদা করে। অতঃপর সেখান থেকে পুনরায় উদিত হওয়ার অনুমতি চায়।’’ (বুখারীঃ সূরা ইয়াসীনের তফসীর) দুই অর্থেই لِمُسْتَقَرٍّ শব্দটিতে লাম ইল্লাত (কারণ বর্ণনা) এর জন্য ব্যবহার হয়েছে। অর্থাৎ لِأَجَلِ مُسْتَقَرِّ لَّهَا অনেকে বলেন যে, এখানে لام হরফটি إلى এর অর্থে ব্যবহার হয়েছে। আর তখন তার مُستَقَرّ (স্থিরতার সময়) হবে কিয়ামত। অর্থাৎ, সূর্যের এই চলাফেরা কিয়ামতের দিন পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। কিয়ামতের দিন তার চলা বন্ধ হয়ে যাবে। এই তিন প্রকার অর্থই নিজ নিজ স্থানে সঠিক।
তাফসীরে আহসানুল বায়ান-আল-বায়ান
-তাইসিরুল
-মুজিবুর রহমান
-Sahih International
৩৯. আর চাঁদের জন্য আমরা নির্দিষ্ট করেছি বিভিন্ন মনযিল; অবশেষে সেটা শুষ্ক বাঁকা, পুরোনো খেজুর শাখার আকারে ফিরে যায়।
-
তাফসীরে জাকারিয়া(৩৯) এবং চন্দ্রের জন্য আমি বিভিন্ন কক্ষ নির্দিষ্ট করেছি;[1] অবশেষে তা পুরাতন খেজুর মোছার ডাঁটার আকার ধারণ করে। [2]
[1] চাঁদের ২৮টি কক্ষপথ আছে। প্রত্যহ একটি করে কক্ষপথ অতিক্রম করে। অতঃপর দুই রাত্রি অদৃশ্য থেকে তৃতীয় রাত্রে বের হয়ে আসে।
[2] অর্থাৎ, যখন শেষ কক্ষে পৌঁছে যায়, তখন একেবারে সরু হয়ে যায়; যেমন খেজুরের পুরাতন মোছার ডাঁটা, যা শুকিয়ে বাঁকা হয়ে যায়। চাঁদের এই বৃদ্ধি-হ্রাসযুক্ত পরিভ্রমণ দ্বারা পৃথিবীতে বসবাসকারী মানুষ নিজেদের দিন, মাস ও বছরের হিসাব এবং ইবাদতের সময় নির্ণয় করে থাকে।
তাফসীরে আহসানুল বায়ান-আল-বায়ান
-তাইসিরুল
-মুজিবুর রহমান
-Sahih International
৪০. সূর্যের পক্ষে সম্ভব নয় চাঁদের নাগাল পাওয়া এবং রাতের পক্ষে সম্ভব নয় দিনকে অতিক্রমকারী হওয়া। আর প্ৰত্যেকে নিজ নিজ কক্ষপথে সাতার কাটে।
-
তাফসীরে জাকারিয়া(৪০) সূর্যের পক্ষে চন্দ্রের নাগাল পাওয়া সম্ভব নয়,[1] রজনীও দিবসকে অতিক্রম করতে পারে না[2] এবং প্রত্যেকে নিজ নিজ কক্ষপথে সন্তরণ করে। [3]
[1] অর্থাৎ, সূর্যের জন্য সম্ভব নয় যে, সে চাঁদের কাছাকাছি হবে এবং তার ফলে তার আলো শেষ হয়ে যাবে। বরং উভয়ের নিজ নিজ কক্ষপথ ও আলাদা আলাদা গন্ডিসীমা আছে। সূর্য দিনে ও চাঁদ রাতেই উদিত হয়, কখনও এর ব্যতিক্রম না ঘটা এ কথারই প্রমাণ যে, এ সবের নিয়ন্তা ও পরিচালক একজন আছেন।
[2] বরং এরাও এক নিয়ম-সূত্রে আবদ্ধ হয়ে আছে এবং এক অপরের পরে আসতে থাকে।
[3] كُلٌّ বলতে সূর্য, চন্দ্র, অথবা তার সাথে অন্য নক্ষত্রকেও বুঝানো হয়েছে। সব কিছু নিজ নিজ কক্ষপথে পরিক্রমণ করে, তাদের কারো একে অপরের সাথে সংঘর্ষ হয় না।
১৪
২৪ মন্তব্য